ঢাকা ০৫:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চান্দগাঁও এন এম সি উচ্চ বিদ্যালয়ে জি পি এ-৫ কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনায়–এম পি এরশাদ উল্লাহ কুবির নজরুল হলে দুই দফা মারামারি, বহিষ্কৃতদের নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন শিশুর মেধা ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশে মা-বাবার ভূমিকা বা প্যারেন্টিং এর গুরুত্ব লঘুচাপের প্রভাবে সাগর উত্তাল : সমুদ্রবন্দরে সতর্কতা জারি তেহরান যাচ্ছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান চকরিয়ায় পাহাড়িয়া পাড়া কমিউনিটি ক্লিনিকে বিনামূল্যে বুকের এক্স-রে চকরিয়ায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি, স্টার ব্রেড বেকারিকে জরিমানা ‘যারা মদিনার সনদে দেশ চালানোর কথা বলেছিল, তারা দুর্নীতি সন্ত্রাস চাঁদাবাজি করছে’ হাটহাজারীতে লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগাং সেঞ্চুরিয়ানের বিনামূল্যে চক্ষু শিবির বঙ্গভবনে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করেছেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির

মহেশখালীতে স্বমীর হাতে স্ত্রী খুন, প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ

আবুল কাসেম, মহেশখালী ককসবাজার।
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৯:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬ ১২১ বার পড়া হয়েছে
নিউজ ভিশনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

গত কাল বিকাল ২ঘটিকায় স্বামী আব্দুল হামিদ(২৫)এর হাতে স্ত্রী শাফিয়া(১৯)খুন হয়েছে।ঘটনাটি ঘটেছে স্বামীর নিজ বাড়ী মনিপুর।

২৯ জুলাই বুধবার বিকাল ৩টায় স্থানীয় চিকিৎসক ডাক্তার উজ্জ্বল কুমার শাফিয়া(১৯)কে মৃত ঘোষনা করে।

স্থানীয় সুত্রে মতে,আব্দুল হামিদ(২৫) পিতা মোহাম্মদ হোসন বেইক্কা মহেশখালী উপজেলার অন্তর্গত শাপলাপুর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড মনিপুর গ্রামের বাসিন্দা।বেইক্কার ৪ছেলের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ আব্দুল হামিদের সাথে একই ইউনিয়নের বাসিন্দা ৩নং ওয়ার্ড মিঠাছড়ি এলাকার শাফিয়া আক্তার(১৯)পিতা আমির হোছন মাতা শাহানা আক্তার এর সাথে দেড় বছর আগে বিবাহ হয়।তাদের ঘরে ৭মাসের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে।

স্থানীয়রা বলছে ২-৩দিন যাবৎ স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মোবাইলের বিষয়ে ঝগড়া চলছিল।মাছ তারকারী না এনে মোবাইলে এমবি ঢুকানোকে কেন্দ্র করে ঝগড়া বাঁধে।
মৃত শাফিয়ার মা শাহানা আক্তার বলেন,সকালে মোবাইল বাড়ীতে বড় বোনের সাথে কথা বলেন,শাফিয়ার বড় আপু বসড়ীতে আসলে তাদেরকে বেড়াতে আসতে বলে,তিনি আপুকে বলে পান বিক্রি করার পর একসাথে যাব।

কিন্তু স্বামী খুনি আব্দুল হামিদ(২৫)মোবাইল নিয়ে কথা বলার অপরাধে মারধর করে।তার অপর ৩ ভাই উঠানে পানভাজ করার কাজে ব্যস্থ ছিল,কিন্তু তারা কেউ নিষেধ করেনি।

এক পর্যায়ে ফাসিতে ঝুলিয়ে হত্যার ঘটনা সংঘটিত হয়।স্বামী তার পার্শ্ববর্তী আপন ২বোন শিমুল আক্তার ও বুলবুল আক্তারকে দিয়ে শাপলাপুর বাজার ডাক্তার উজ্জ্বল কুমার সুশীলের কাছে পাটায়,তিনি পরিক্ষা নিরীক্ষা করে মৃত ঘোষনা দিলে,উভয় ননদ মিলে ডাক্তার মোশারফুর রহমানের কাছে নিয়ে যায়। মৃত্যু নিশ্চিত হলে স্বামীর বোন শিমুল আক্তার ও বুলবুল আক্তার লাশ ফেলে পালিয়ে যায়।

ফলে স্থানীয় জনগণ ও আত্নীয় স্বজন এসে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে মহেশখালী থানা পুলিশকে খবর দিলে মহেশখালী থানা পুলিশ বিষয়টি নিশ্চিত করে।

এসআই মোশাররফ হোসেন এর নেতৃত্বে একটি টিম লাশটি উদ্ধার করে ককসবাজার সদর হাসপাতালে পোস্ট মডেম এর জন্য পাটিয়ে দেয়।বিষয়টি মৃত শাফিয়ার মামা আব্দুল খালেক সাংবাদিককে নিশ্চিত করেন।

এলাকার শত শত নারী পুরুষ শাফিয়া হত্যার বিচার চেয়ে রাস্তায় মানব বন্ধন করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

মহেশখালীতে স্বমীর হাতে স্ত্রী খুন, প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ

আপডেট সময় : ০৭:৪৯:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

গত কাল বিকাল ২ঘটিকায় স্বামী আব্দুল হামিদ(২৫)এর হাতে স্ত্রী শাফিয়া(১৯)খুন হয়েছে।ঘটনাটি ঘটেছে স্বামীর নিজ বাড়ী মনিপুর।

২৯ জুলাই বুধবার বিকাল ৩টায় স্থানীয় চিকিৎসক ডাক্তার উজ্জ্বল কুমার শাফিয়া(১৯)কে মৃত ঘোষনা করে।

স্থানীয় সুত্রে মতে,আব্দুল হামিদ(২৫) পিতা মোহাম্মদ হোসন বেইক্কা মহেশখালী উপজেলার অন্তর্গত শাপলাপুর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড মনিপুর গ্রামের বাসিন্দা।বেইক্কার ৪ছেলের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ আব্দুল হামিদের সাথে একই ইউনিয়নের বাসিন্দা ৩নং ওয়ার্ড মিঠাছড়ি এলাকার শাফিয়া আক্তার(১৯)পিতা আমির হোছন মাতা শাহানা আক্তার এর সাথে দেড় বছর আগে বিবাহ হয়।তাদের ঘরে ৭মাসের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে।

স্থানীয়রা বলছে ২-৩দিন যাবৎ স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মোবাইলের বিষয়ে ঝগড়া চলছিল।মাছ তারকারী না এনে মোবাইলে এমবি ঢুকানোকে কেন্দ্র করে ঝগড়া বাঁধে।
মৃত শাফিয়ার মা শাহানা আক্তার বলেন,সকালে মোবাইল বাড়ীতে বড় বোনের সাথে কথা বলেন,শাফিয়ার বড় আপু বসড়ীতে আসলে তাদেরকে বেড়াতে আসতে বলে,তিনি আপুকে বলে পান বিক্রি করার পর একসাথে যাব।

কিন্তু স্বামী খুনি আব্দুল হামিদ(২৫)মোবাইল নিয়ে কথা বলার অপরাধে মারধর করে।তার অপর ৩ ভাই উঠানে পানভাজ করার কাজে ব্যস্থ ছিল,কিন্তু তারা কেউ নিষেধ করেনি।

এক পর্যায়ে ফাসিতে ঝুলিয়ে হত্যার ঘটনা সংঘটিত হয়।স্বামী তার পার্শ্ববর্তী আপন ২বোন শিমুল আক্তার ও বুলবুল আক্তারকে দিয়ে শাপলাপুর বাজার ডাক্তার উজ্জ্বল কুমার সুশীলের কাছে পাটায়,তিনি পরিক্ষা নিরীক্ষা করে মৃত ঘোষনা দিলে,উভয় ননদ মিলে ডাক্তার মোশারফুর রহমানের কাছে নিয়ে যায়। মৃত্যু নিশ্চিত হলে স্বামীর বোন শিমুল আক্তার ও বুলবুল আক্তার লাশ ফেলে পালিয়ে যায়।

ফলে স্থানীয় জনগণ ও আত্নীয় স্বজন এসে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে মহেশখালী থানা পুলিশকে খবর দিলে মহেশখালী থানা পুলিশ বিষয়টি নিশ্চিত করে।

এসআই মোশাররফ হোসেন এর নেতৃত্বে একটি টিম লাশটি উদ্ধার করে ককসবাজার সদর হাসপাতালে পোস্ট মডেম এর জন্য পাটিয়ে দেয়।বিষয়টি মৃত শাফিয়ার মামা আব্দুল খালেক সাংবাদিককে নিশ্চিত করেন।

এলাকার শত শত নারী পুরুষ শাফিয়া হত্যার বিচার চেয়ে রাস্তায় মানব বন্ধন করেন।