গত কাল বিকাল ২ঘটিকায় স্বামী আব্দুল হামিদ(২৫)এর হাতে স্ত্রী শাফিয়া(১৯)খুন হয়েছে।ঘটনাটি ঘটেছে স্বামীর নিজ বাড়ী মনিপুর।
২৯ জুলাই বুধবার বিকাল ৩টায় স্থানীয় চিকিৎসক ডাক্তার উজ্জ্বল কুমার শাফিয়া(১৯)কে মৃত ঘোষনা করে।
স্থানীয় সুত্রে মতে,আব্দুল হামিদ(২৫) পিতা মোহাম্মদ হোসন বেইক্কা মহেশখালী উপজেলার অন্তর্গত শাপলাপুর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড মনিপুর গ্রামের বাসিন্দা।বেইক্কার ৪ছেলের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ আব্দুল হামিদের সাথে একই ইউনিয়নের বাসিন্দা ৩নং ওয়ার্ড মিঠাছড়ি এলাকার শাফিয়া আক্তার(১৯)পিতা আমির হোছন মাতা শাহানা আক্তার এর সাথে দেড় বছর আগে বিবাহ হয়।তাদের ঘরে ৭মাসের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে।
স্থানীয়রা বলছে ২-৩দিন যাবৎ স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মোবাইলের বিষয়ে ঝগড়া চলছিল।মাছ তারকারী না এনে মোবাইলে এমবি ঢুকানোকে কেন্দ্র করে ঝগড়া বাঁধে।
মৃত শাফিয়ার মা শাহানা আক্তার বলেন,সকালে মোবাইল বাড়ীতে বড় বোনের সাথে কথা বলেন,শাফিয়ার বড় আপু বসড়ীতে আসলে তাদেরকে বেড়াতে আসতে বলে,তিনি আপুকে বলে পান বিক্রি করার পর একসাথে যাব।
কিন্তু স্বামী খুনি আব্দুল হামিদ(২৫)মোবাইল নিয়ে কথা বলার অপরাধে মারধর করে।তার অপর ৩ ভাই উঠানে পানভাজ করার কাজে ব্যস্থ ছিল,কিন্তু তারা কেউ নিষেধ করেনি।
এক পর্যায়ে ফাসিতে ঝুলিয়ে হত্যার ঘটনা সংঘটিত হয়।স্বামী তার পার্শ্ববর্তী আপন ২বোন শিমুল আক্তার ও বুলবুল আক্তারকে দিয়ে শাপলাপুর বাজার ডাক্তার উজ্জ্বল কুমার সুশীলের কাছে পাটায়,তিনি পরিক্ষা নিরীক্ষা করে মৃত ঘোষনা দিলে,উভয় ননদ মিলে ডাক্তার মোশারফুর রহমানের কাছে নিয়ে যায়। মৃত্যু নিশ্চিত হলে স্বামীর বোন শিমুল আক্তার ও বুলবুল আক্তার লাশ ফেলে পালিয়ে যায়।
ফলে স্থানীয় জনগণ ও আত্নীয় স্বজন এসে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে মহেশখালী থানা পুলিশকে খবর দিলে মহেশখালী থানা পুলিশ বিষয়টি নিশ্চিত করে।
এসআই মোশাররফ হোসেন এর নেতৃত্বে একটি টিম লাশটি উদ্ধার করে ককসবাজার সদর হাসপাতালে পোস্ট মডেম এর জন্য পাটিয়ে দেয়।বিষয়টি মৃত শাফিয়ার মামা আব্দুল খালেক সাংবাদিককে নিশ্চিত করেন।
এলাকার শত শত নারী পুরুষ শাফিয়া হত্যার বিচার চেয়ে রাস্তায় মানব বন্ধন করেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক :
মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম
যোগাযোগের ঠিকানা : হাসনাবাদ, দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ, ঢাকা-১৩১০, মোবাইল : ০১৭৮৯৩৭২৩২৮
Copyright © 2026 newsvision. All rights reserved.