ঢাকা ০২:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
একই দিনে ইবি শিক্ষার্থী সৌভিক ও মাসতুতো ভাইয়ের স্ত্রী নিখোঁজ ডেঙ্গু: জ্বর হলে কী করবেন? বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হলেন বিএনপি নেত্রী মা ম্যা চিং মিথ্যা মামলা দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টার প্রতিবাদে জামালপুরে সংবাদ সম্মেলন মাদারগঞ্জে নিখোঁজ অটোরিকশা চালকের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার অননুমোদিত ভিডিও ধারণে বিচার দাবিতে ইইই বিভাগের শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপি অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার প্রতিবাদ, কুবি শিক্ষার্থীকে মারধর-হেনস্তার অভিযোগ জামালপুরে চাঞ্চল্যকর চাচা-ভাতিজা হত্যা- ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড-৭ জনের যাবজ্জীবন নব নির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে শুভেচ্ছা জানালেন প্রতিদ্বন্দ্বী ড. অলি আহমদ অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড়ধসে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ভ্রাম্যমাণ চিকিৎসাসেবা

একই দিনে ইবি শিক্ষার্থী সৌভিক ও মাসতুতো ভাইয়ের স্ত্রী নিখোঁজ

ইবি প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০১:০০:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে
নিউজ ভিশনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) বায়োমেডিকেল অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সৌভিক সাহা দুই দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন। তবে তাকে খুঁজতে গিয়ে নতুন করে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। সৌভিক নিখোঁজ হওয়ার প্রায় আড়াই ঘণ্টা পর থেকে তার মাসতুতো ভাইয়ের স্ত্রীও নিখোঁজ হয়েছেন। দুজনের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় যোগসূত্র থাকতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ ও পরিবার।

সৌভিক তার আত্মীয়’র (মাসি) বাড়ি থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় বের হন এবং একই বাসার মাসতুতো ভাইয়ের স্ত্রী ওইদিন রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে বের হন। দুইজনই বর্তমান নিখোঁজ রয়েছেন। শিক্ষার্থী নিখোঁজের পর খুলনার দৌলতপুর থানায় জিডি হলেও মাসতুতো ভাই তার স্ত্রীর জন্য এখনও জিডি করেননি। পুলিশ ও মাসতুতো ভাইয়ের ধারণা সৌভিককে পাওয়া গেলে স্ত্রীকেও একসঙ্গে পাওয়া যেতে পারে।

ক্যাম্পাস সূত্র জানায়, সৌভিক তার গ্রামের বাড়ি কুষ্টিয়ার রাজারহাটপুর থেকে ১৮ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে ক্যাস্পাসে আসে। আর ক্যাম্পাস থেকে ঝিনাইদহগামী একটি বাসে ওঠেন সৌভিক। পরে তিনি খুলনায় তার আত্মীয়’র (মাসি) বাসায় পৌঁছান। ওইদিন বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তিনি সেখানে অবস্থান করেন। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে মাসির বাসা থেকে বেরিয়ে যান।

এদিকে সৌভিকের মা জানান, রাত সাড়ে ৯টার দিকে সৌভিক মুঠোফোনে যোগাযোগ করেন। তখন কোনো বাস বা ট্রেন পাচ্ছেন না বলে জানান। এরপর থেকেই সৌভিকের মোবাইল ফোন বন্ধ রয়েছে। পরিবারের সদস্য ও সহপাঠীরা তার সঙ্গে আর যোগাযোগ করতে পারেননি।

তবে দৌলতপুর থানার পুলিশ জানায়, ওই শিক্ষার্থীর ফোন বন্ধ হওয়ার পর তার মাসতুতো ভাই থানায় আসছিলেন। সে জানায়, তার স্ত্রীও ওইদিন নিখোঁজ হয়েছেন। তবে তার স্ত্রীর বিষয়ে এখনও থানায় জিডি করা হয়নি। পরিবারের দাবি ওই ছেলেকে পাওয়া গেলে তার ভাইয়ের স্ত্রীকেও (ভাবী) পাওয়া যেতে পারে৷

এ বিষয়ে বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. খাইরুল ইসলাম বলেন, আমরা অবগত হওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরকে জানিয়েছি। ওই শিক্ষার্থীর বাবা কুষ্টিয়াতে জিডি করতে গিয়েছিলেন। ওই শিক্ষার্থীর সর্বশেষ লোকেশন দৌলতপুর এলাকায়। এজন্য আমাদের অন্য শিক্ষার্থীরা সেখানে গিয়ে জিডি করেছেন।

সৌভিকের মাসতুতো ভাই (কমল) বলেন, তার বাসা থেকে সৌভিক সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা বের হয়ে যায় এবং রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে তার স্ত্রীও বের হয়ে যায়। দুইজনই এখন নিখোঁজ। খালাতো ভাই সৌভিকের জন্য জিডি করেন এবং সৌভিকের সঙ্গে না পাওয়া গেলে স্ত্রীর জন্যও জিডি করবে বলে জানান তিনি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, আমাদের নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গে থানাসহ বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ খবর নিয়েছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন সর্বোচ্চ সহযোগিতা করে যাচ্ছে। কিন্তু পরে শুনছি মাসতুতো ভাইয়ের বউও নিখোঁজ। এখন ঘটনা অন্যদিকেও হতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

একই দিনে ইবি শিক্ষার্থী সৌভিক ও মাসতুতো ভাইয়ের স্ত্রী নিখোঁজ

আপডেট সময় : ০১:০০:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) বায়োমেডিকেল অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সৌভিক সাহা দুই দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন। তবে তাকে খুঁজতে গিয়ে নতুন করে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। সৌভিক নিখোঁজ হওয়ার প্রায় আড়াই ঘণ্টা পর থেকে তার মাসতুতো ভাইয়ের স্ত্রীও নিখোঁজ হয়েছেন। দুজনের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় যোগসূত্র থাকতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ ও পরিবার।

সৌভিক তার আত্মীয়’র (মাসি) বাড়ি থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় বের হন এবং একই বাসার মাসতুতো ভাইয়ের স্ত্রী ওইদিন রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে বের হন। দুইজনই বর্তমান নিখোঁজ রয়েছেন। শিক্ষার্থী নিখোঁজের পর খুলনার দৌলতপুর থানায় জিডি হলেও মাসতুতো ভাই তার স্ত্রীর জন্য এখনও জিডি করেননি। পুলিশ ও মাসতুতো ভাইয়ের ধারণা সৌভিককে পাওয়া গেলে স্ত্রীকেও একসঙ্গে পাওয়া যেতে পারে।

ক্যাম্পাস সূত্র জানায়, সৌভিক তার গ্রামের বাড়ি কুষ্টিয়ার রাজারহাটপুর থেকে ১৮ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে ক্যাস্পাসে আসে। আর ক্যাম্পাস থেকে ঝিনাইদহগামী একটি বাসে ওঠেন সৌভিক। পরে তিনি খুলনায় তার আত্মীয়’র (মাসি) বাসায় পৌঁছান। ওইদিন বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তিনি সেখানে অবস্থান করেন। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে মাসির বাসা থেকে বেরিয়ে যান।

এদিকে সৌভিকের মা জানান, রাত সাড়ে ৯টার দিকে সৌভিক মুঠোফোনে যোগাযোগ করেন। তখন কোনো বাস বা ট্রেন পাচ্ছেন না বলে জানান। এরপর থেকেই সৌভিকের মোবাইল ফোন বন্ধ রয়েছে। পরিবারের সদস্য ও সহপাঠীরা তার সঙ্গে আর যোগাযোগ করতে পারেননি।

তবে দৌলতপুর থানার পুলিশ জানায়, ওই শিক্ষার্থীর ফোন বন্ধ হওয়ার পর তার মাসতুতো ভাই থানায় আসছিলেন। সে জানায়, তার স্ত্রীও ওইদিন নিখোঁজ হয়েছেন। তবে তার স্ত্রীর বিষয়ে এখনও থানায় জিডি করা হয়নি। পরিবারের দাবি ওই ছেলেকে পাওয়া গেলে তার ভাইয়ের স্ত্রীকেও (ভাবী) পাওয়া যেতে পারে৷

এ বিষয়ে বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. খাইরুল ইসলাম বলেন, আমরা অবগত হওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরকে জানিয়েছি। ওই শিক্ষার্থীর বাবা কুষ্টিয়াতে জিডি করতে গিয়েছিলেন। ওই শিক্ষার্থীর সর্বশেষ লোকেশন দৌলতপুর এলাকায়। এজন্য আমাদের অন্য শিক্ষার্থীরা সেখানে গিয়ে জিডি করেছেন।

সৌভিকের মাসতুতো ভাই (কমল) বলেন, তার বাসা থেকে সৌভিক সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা বের হয়ে যায় এবং রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে তার স্ত্রীও বের হয়ে যায়। দুইজনই এখন নিখোঁজ। খালাতো ভাই সৌভিকের জন্য জিডি করেন এবং সৌভিকের সঙ্গে না পাওয়া গেলে স্ত্রীর জন্যও জিডি করবে বলে জানান তিনি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, আমাদের নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গে থানাসহ বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ খবর নিয়েছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন সর্বোচ্চ সহযোগিতা করে যাচ্ছে। কিন্তু পরে শুনছি মাসতুতো ভাইয়ের বউও নিখোঁজ। এখন ঘটনা অন্যদিকেও হতে পারে।