ঢাকা ০১:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

ইবিতে নিয়োগ বিতর্ক, ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটিতে চতুরতার আশ্রয় প্রশাসনের

তাওহিদ ইসলাম, ইবি প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : ১০:৩৩:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬ ১১৩ বার পড়া হয়েছে
নিউজ ভিশনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের শিক্ষক নিয়োগকে কেন্দ্র করে সৃষ্টি হওয়া বিতর্কের পর গঠিত ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করেছিল প্রশাসন। এ কমিটির কার্যপরিধি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। কমিটি গঠনের সময় বিষয়টি নিয়ে তেমন আলোচনা না হলেও, পরে তদন্তের পরিধি বিশ্লেষণে সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, নিয়োগ প্রক্রিয়াকে ঘিরে ওঠা গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগগুলোর বেশিরভাগই তদন্তের আওতার বাইরে রেখে প্রশাসন চতুরতার আশ্রয় নিয়েছে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, আইসিটি বিভাগের প্রভাষক পদে অধ্যাপক ড. জাহিদুল ইসলামের স্ত্রী ফিরোজা নাজনীনের নিয়োগকে কেন্দ্র করে গণমাধ্যমে ধারাবাহিকভাবে একাধিক অভিযোগ প্রকাশিত হয়। অভিযোগগুলোর মধ্যে ছিল বিভাগীয় পরিকল্পনা (প্ল্যানিং) ছাড়াই নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু, নিয়োগ বোর্ডের আগের দিন বোর্ডের বিশেষজ্ঞ সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী ফারহানের সঙ্গে প্রার্থীর স্বামীর সাক্ষাৎ এবং ড. জাহিদুল পরীক্ষা কমিটির দায়িত্বে থাকাকালে একাডেমিক ক্রাইমের মাধ্যমে প্রার্থীর ফলাফল বৃদ্ধি। এছাড়া গণমাধ্যমকর্মীরা তথ্য সংগ্রহে গেলে বিভাগের সভাপতির গড়িমসি, এক সাংবাদিককে বিকাশে টাকা পাঠিয়ে প্রভাবিত করার চেষ্টা এবং সাংবাদিকদের কটাক্ষের অভিযোগও ওঠে।

এসব অভিযোগ সামনে আসার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন গত ২১ জুলাই তিন সদস্যের একটি ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করে। কমিটিতে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. বেগম রোকসানা মিলিকে আহ্বায়ক, একাডেমিক শাখার কর্মকর্তা শহিদুল ইসলামকে সচিব এবং থিওলজি অনুষদের ডিন ও সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক ড. সেকান্দার আলীকে সদস্য করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক স্বাক্ষরিত কমিটি গঠনের সেই অফিস আদেশে বলা হয়, ‘গত ২০-৫-২০২৬ তারিখে বিজ্ঞাপিত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি বিভাগের প্রভাষক পদে নিয়োগের জন্য আবেদনকারী জনাব ফিরোজা নাজনিন, পিতা: আমিনুল ইসলাম, ডি-১৭২, হাউজিং এস্টেট, কুষ্টিয়া-এর পূর্বতন একাডেমিক ফলাফল (বি.এস-সি ১ম বর্ষ হতে শেষ বর্ষ এবং এম.এস-সি) খতিয়ে দেখে একটি প্রতিবেদন পেশ করার জন্য ভাইস-চ্যান্সেলর মহোদয় নিম্নোক্তভাবে ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করেছেন।’

তবে কমিটির তদন্তের কার্যপরিধিতে গণমাধ্যমে প্রকাশিত অধিকাংশ গুরুতর অভিযোগই অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। বিশেষ করে প্রার্থীর স্বামীর নিয়োগ বোর্ডের আগে বিশেষজ্ঞ সদস্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ, পরীক্ষা কমিটির দায়িত্বে থাকাকালে ফলাফল বৃদ্ধি বিষয়গুলো তদন্তের আওতায় স্পষ্টভাবে না থাকায় তদন্তের নিরপেক্ষতা নিয়েই প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

এর আগে গত ২৯ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৭৪তম (সাধারণ) সিন্ডিকেট সভায় আইসিটি বিভাগের প্রভাষক পদে ফিরোজা নাজনীনকে নিয়োগের সিদ্ধান্ত হয়। পরে বিভিন্ন গণমাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বজনপ্রীতি ও অনিয়মের অভিযোগ প্রকাশিত হলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তার নিয়োগপত্র স্থগিত রাখে।

অভিযোগ অনুযায়ী, ফিরোজা নাজনীন একই বিভাগের ২০০৮-০৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি অনার্সে একটি কোর্সে অকৃতকার্য হয়ে রিটেক এবং একাধিক কোর্সে মানোন্নয়ন পরীক্ষা দিয়ে সিজিপিএ বৃদ্ধি করেন। অন্যদিকে, একই নিয়োগে অংশ নেওয়া কয়েকজন প্রার্থীর একাডেমিক ফলাফল তুলনামূলকভাবে ভালো হলেও তারা নিয়োগ পাননি বলেও অভিযোগ রয়েছে।এছাড়া ফিরোজা নাজনীন শিক্ষার্থী থাকাকালে তার স্বামী অধ্যাপক ড. জাহিদুল ইসলাম একাধিকবার পরীক্ষা কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই সময় একাডেমিক অনিয়মের মাধ্যমে ফিরোজা নাজনীনের ফলাফল অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি করা হয়।

এদিকে, নিয়োগ-সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকদের হয়রানির অভিযোগও ওঠে। অভিযোগ রয়েছে, বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. তারেক হাসান আল-মাহমুদ তথ্য দিতে বিলম্ব করেন। একই ঘটনায় এক সাংবাদিকের বিকাশ নম্বরে দুপুরের খাবারের অজুহাতে টাকা পাঠানো হয়।

এ বিষয়ে তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. বেগম রোকসানা মিলি বলেন,
আমাকে প্রাথীর একাডেমিক ফলাফল পর্যালোচনা করে তার উপর রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। পুরো বিষয়টা তদন্তের জন্য বলা হলে আমার জন্য সুবিধা হতো। কিন্তু প্রশাসন নির্দিষ্ট একটি বিষয়ে তদন্ত রিপোর্ট দিতে বলেছে, চাইলেও আমি অন্য বিষয়গুলো পর্যালোচনা করতে পারছি না।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমানের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।

তবে এখন প্রশ্ন উঠেছে, গণমাধ্যমে প্রকাশিত অভিযোগগুলোর মূল অংশ তদন্তের আওতার বাইরে থাকলে ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটির মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন কতটা সম্ভব হবে। এ কারণে নিয়োগ প্রক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ইবিতে নিয়োগ বিতর্ক, ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটিতে চতুরতার আশ্রয় প্রশাসনের

আপডেট সময় : ১০:৩৩:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের শিক্ষক নিয়োগকে কেন্দ্র করে সৃষ্টি হওয়া বিতর্কের পর গঠিত ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করেছিল প্রশাসন। এ কমিটির কার্যপরিধি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। কমিটি গঠনের সময় বিষয়টি নিয়ে তেমন আলোচনা না হলেও, পরে তদন্তের পরিধি বিশ্লেষণে সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, নিয়োগ প্রক্রিয়াকে ঘিরে ওঠা গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগগুলোর বেশিরভাগই তদন্তের আওতার বাইরে রেখে প্রশাসন চতুরতার আশ্রয় নিয়েছে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, আইসিটি বিভাগের প্রভাষক পদে অধ্যাপক ড. জাহিদুল ইসলামের স্ত্রী ফিরোজা নাজনীনের নিয়োগকে কেন্দ্র করে গণমাধ্যমে ধারাবাহিকভাবে একাধিক অভিযোগ প্রকাশিত হয়। অভিযোগগুলোর মধ্যে ছিল বিভাগীয় পরিকল্পনা (প্ল্যানিং) ছাড়াই নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু, নিয়োগ বোর্ডের আগের দিন বোর্ডের বিশেষজ্ঞ সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী ফারহানের সঙ্গে প্রার্থীর স্বামীর সাক্ষাৎ এবং ড. জাহিদুল পরীক্ষা কমিটির দায়িত্বে থাকাকালে একাডেমিক ক্রাইমের মাধ্যমে প্রার্থীর ফলাফল বৃদ্ধি। এছাড়া গণমাধ্যমকর্মীরা তথ্য সংগ্রহে গেলে বিভাগের সভাপতির গড়িমসি, এক সাংবাদিককে বিকাশে টাকা পাঠিয়ে প্রভাবিত করার চেষ্টা এবং সাংবাদিকদের কটাক্ষের অভিযোগও ওঠে।

এসব অভিযোগ সামনে আসার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন গত ২১ জুলাই তিন সদস্যের একটি ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করে। কমিটিতে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. বেগম রোকসানা মিলিকে আহ্বায়ক, একাডেমিক শাখার কর্মকর্তা শহিদুল ইসলামকে সচিব এবং থিওলজি অনুষদের ডিন ও সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক ড. সেকান্দার আলীকে সদস্য করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক স্বাক্ষরিত কমিটি গঠনের সেই অফিস আদেশে বলা হয়, ‘গত ২০-৫-২০২৬ তারিখে বিজ্ঞাপিত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি বিভাগের প্রভাষক পদে নিয়োগের জন্য আবেদনকারী জনাব ফিরোজা নাজনিন, পিতা: আমিনুল ইসলাম, ডি-১৭২, হাউজিং এস্টেট, কুষ্টিয়া-এর পূর্বতন একাডেমিক ফলাফল (বি.এস-সি ১ম বর্ষ হতে শেষ বর্ষ এবং এম.এস-সি) খতিয়ে দেখে একটি প্রতিবেদন পেশ করার জন্য ভাইস-চ্যান্সেলর মহোদয় নিম্নোক্তভাবে ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করেছেন।’

তবে কমিটির তদন্তের কার্যপরিধিতে গণমাধ্যমে প্রকাশিত অধিকাংশ গুরুতর অভিযোগই অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। বিশেষ করে প্রার্থীর স্বামীর নিয়োগ বোর্ডের আগে বিশেষজ্ঞ সদস্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ, পরীক্ষা কমিটির দায়িত্বে থাকাকালে ফলাফল বৃদ্ধি বিষয়গুলো তদন্তের আওতায় স্পষ্টভাবে না থাকায় তদন্তের নিরপেক্ষতা নিয়েই প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

এর আগে গত ২৯ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৭৪তম (সাধারণ) সিন্ডিকেট সভায় আইসিটি বিভাগের প্রভাষক পদে ফিরোজা নাজনীনকে নিয়োগের সিদ্ধান্ত হয়। পরে বিভিন্ন গণমাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বজনপ্রীতি ও অনিয়মের অভিযোগ প্রকাশিত হলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তার নিয়োগপত্র স্থগিত রাখে।

অভিযোগ অনুযায়ী, ফিরোজা নাজনীন একই বিভাগের ২০০৮-০৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি অনার্সে একটি কোর্সে অকৃতকার্য হয়ে রিটেক এবং একাধিক কোর্সে মানোন্নয়ন পরীক্ষা দিয়ে সিজিপিএ বৃদ্ধি করেন। অন্যদিকে, একই নিয়োগে অংশ নেওয়া কয়েকজন প্রার্থীর একাডেমিক ফলাফল তুলনামূলকভাবে ভালো হলেও তারা নিয়োগ পাননি বলেও অভিযোগ রয়েছে।এছাড়া ফিরোজা নাজনীন শিক্ষার্থী থাকাকালে তার স্বামী অধ্যাপক ড. জাহিদুল ইসলাম একাধিকবার পরীক্ষা কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই সময় একাডেমিক অনিয়মের মাধ্যমে ফিরোজা নাজনীনের ফলাফল অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি করা হয়।

এদিকে, নিয়োগ-সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকদের হয়রানির অভিযোগও ওঠে। অভিযোগ রয়েছে, বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. তারেক হাসান আল-মাহমুদ তথ্য দিতে বিলম্ব করেন। একই ঘটনায় এক সাংবাদিকের বিকাশ নম্বরে দুপুরের খাবারের অজুহাতে টাকা পাঠানো হয়।

এ বিষয়ে তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. বেগম রোকসানা মিলি বলেন,
আমাকে প্রাথীর একাডেমিক ফলাফল পর্যালোচনা করে তার উপর রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। পুরো বিষয়টা তদন্তের জন্য বলা হলে আমার জন্য সুবিধা হতো। কিন্তু প্রশাসন নির্দিষ্ট একটি বিষয়ে তদন্ত রিপোর্ট দিতে বলেছে, চাইলেও আমি অন্য বিষয়গুলো পর্যালোচনা করতে পারছি না।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমানের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।

তবে এখন প্রশ্ন উঠেছে, গণমাধ্যমে প্রকাশিত অভিযোগগুলোর মূল অংশ তদন্তের আওতার বাইরে থাকলে ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটির মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন কতটা সম্ভব হবে। এ কারণে নিয়োগ প্রক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।