ডেস্ক রিপোর্টঃ
দেশে আসার আগেই যে দিল্লির কাছে দস্তখত দেয়, তার কাছে দেশ নিরাপদ নয়
নতুন ইমাম বারবার বলেন— দিল্লিও নয়, পিন্ডিও নয়, সবার আগে বাংলাদেশ; তখন সাধারণ মানুষ শোনে— দিল্লিও নয়, পিন্ডিও নয়, সবার আগে লন্ডন। দেশে আসার পূর্বে দিল্লির কাছে যে দস্তখত দেয়, তার কাছে বাংলাদেশ নিরাপদ নয় বলেও মনে করেন রাশেদ প্রধান।
শুক্রবার পঞ্চগড় জেলা চিনিকল মাঠে ১০ দলীয় জোট কর্তৃক আয়োজিত নির্বাচনি প্রচার সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
রাশেদ প্রধান বলেন, ‘আমাদের ১০ দলীয় জোটের নেতা ডা. শফিকুর রহমান ছয় বছরের নিচে এবং ৬০ বছরের ওপরে বয়স্ক মানুষকে বিনা টাকায় চিকিৎসার ব্যবস্থা করবেন, ইনশাআল্লাহ। রাশেদ প্রধান ১০ দলীয় জোটের কাছে পঞ্চগড় জেলায় একটা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার দাবি করেন। ১০ দলীয় জোট ক্ষমতায় গেলে পঞ্চগড় জেলার চিনিকল আবার জেগে উঠবে। সুতরাং আপনাদের কাছে দাবি, পঞ্চগড়ের দুই আসনে শাপলা কলি ও দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন। ডা. শফিকুর রহমানের চুল ও দাড়ি সাদা দেখালেও তিনি আমাদের চেয়েও তরুণ।
জাগপার মুখপাত্র আরও বলেন, ‘আমাদের প্রথম ঈমানি দায়িত্ব গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটকে জয়যুক্ত করা। দ্বিতীয় ঈমানি দায়িত্ব হলো, শাপলাকলি ও দাঁড়িপাল্লাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করা। শফিকুর রহমান অন্য নেতাদের মতো দেশের ধনী অঞ্চল থেকে প্রচার শুরু করেননি। তিনি আমাদের দেশের পিছিয়ে পড়া উত্তরাঞ্চল থেকে প্রচার শুরু করেছেন। লন্ডন থেকে আসা ইমাম কী একটা কার্ড দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। পূর্বের ফ্যাসিবাদীকে দেখেছি, ১০ টাকার চাল খাওয়াবেন বলেছিলেন। নতুন লন্ডনি মুফতি আরেকটি কার্ড দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। দেশের জনগণ এসব কার্ড কার্ড খেলায় আর বিশ্বাস করে না। যে দেশে আসার পূর্বে দিল্লির কাছে দস্তখত দেয়, তাদের কাছে বাংলাদেশ নিরাপদ নয়। আল্লামা সাঈদী রাহিমাহুল্লাহ বলতেন—বেশি লাফালাফি কোরো না … মামাবাড়ি দিল্লি গিয়ে পড়বা। সেটাই *কিন্তু* প্রমাণিত হয়েছে