মোসাঃতানজিলা, ঢাকাঃ
সাত কলেজের সমন্বয়ে প্রস্তাবিত ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রণীত এবং হালনাগাদকৃত “ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি আইন-২০২৫” এর খসড়ার উপর অধ্যাদেশ জারির দাবিতে আগামী ১৯ জানুয়ারি( সোমবার) বেলা ১১:৩০ এ রাজধানীর সাইন্সল্যাব থেকে একটি ভ্রাম্যমাণ “অধ্যাদেশ মঞ্চ” উন্মোচন করা হবে। পাশাপাশি সাতটি ক্যাম্পাসে আরো পাঁচটি অধ্যাদেশ মঞ্চ স্থাপন করা হবে।
প্রেস রিলিজের মাধ্যমে একথা জানান সাত কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় রূপান্তর উইং।
বিবৃতিতে বলেন, প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা এই মঞ্চ থেকে দেশ বরেণ্য রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষাবিদ ও অন্যান্য সুধীজনদের আকৃষ্ট করবে, পাশাপাশি দেশবাসীকে দাবির যৌক্তিকতা বুঝাবে, কেনো এখনই অধ্যাদেশ দরকার। ভ্রাম্যমাণ অধ্যাদেশ মঞ্চটি আগামী ১৯ থেকে ২১ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রতিটি ক্যাম্পাসে পালাবদল করে ভ্রমণ করবে। আগামী ২২ জানুয়ারি সকাল ১১:৩০ টায় ভ্রাম্যমাণ অধ্যাদেশ মঞ্চ এবং সাত ক্যাম্পাসে স্থাপন করা অধ্যাদেশ মঞ্চ নিয়ে শিক্ষার্থীরা রাজধানীর সায়েন্সল্যাব মোড়ে এসে জমায়েত হবে।
সেখানে আরো জানানো হয়,২২ জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রি. বৃহস্পতিবার আসন্ন উপদেষ্টা পরিষদের সভায় অধ্যাদেশের চূড়ান্ত অনুমোদন ও বাংলাদেশ গেজেটে প্রকাশিত হলে সায়েন্স ল্যাবের গণজমায়েত থেকে রাষ্ট্র ও দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করা সাপেক্ষে বৃহৎ বিজয় মিছিল আয়োজন করা হবে, এর কোনরূপ ব্যত্যয় ঘটলে ওই গণজমায়েত থেকেই যমুনা কিংবা সচিবালয়ের উদ্দেশ্যে বৃহৎ পদযাত্রা করবে শিক্ষার্থীরা।
উল্লেখ্য যে, আজ ১৮ জানুয়ারি, রবিবার, সকাল ১১:০০ ঘটিকায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সচিবালয়ে সাত কলেজের ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও শিক্ষার্থীদের সাথে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে অধ্যাদেশের খসড়াটি চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য উপদেষ্টা পরিষদের আসন্ন সভায় উপস্থাপন করার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো হবে বলে জানানো হয়েছে। আজ খসড়াটি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নীতিগত অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে, সেখান থেকে আইন মন্ত্রণালয়ে যাবে লেজিসলেটিভ ভেটিংয়ের জন্য। বাকি কাজগুলো আগামী বুধবারের মধ্যে সম্পন্ন হবে বলে জানানো হয়েছে।
এর মাধ্যমে সাত কলেজের (প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি) সকল শিক্ষার্থীদের উপরোক্ত কর্মসূচির বিষয়ে অবগত করা হলো, পাশাপাশি কর্মসূচি সফল করার অভিপ্রায়ে, সবাইকে ব্যাপক প্রচার প্রচারণা চালানোর অনুরোধ ও ঐক্যবদ্ধ হওয়ার জন্য আহ্বান জানান তারা।
এছাড়া তারা জনদুর্ভোগের কথা উল্লেখ করে বলেন, কর্মসূচির কারণে সৃষ্টি হওয়া সাময়িক জনদুর্ভোগের জন্য রাজধানীবাসীর কাছে আমরা দুঃখ প্রকাশ করছি, পাশাপাশি তাদের কাছে আমরা আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী, শিক্ষার্থীদের অভিভাবকহীন শিক্ষাজীবন ও মানহীন শিক্ষার গ্লানি থেকে মুক্তির জন্য যে আন্দোলন চলছে সেটি পূরণ হওয়ার সাথে সাথেই শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যেতে বাধ্য।