{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":[],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"transform":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}
মোসাঃতানজিলা, ঢাকাঃ ঢাকার সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের ন্যায্য ও যৌক্তিক দাবিকে সমর্থন জানিয়ে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ-এর সংহতি প্রকাশ করেছেন।
রবিবার(১৮ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্র আন্দোলন একটি বিবৃতি প্রকাশ করেন এ নিয়ে।
সেখানে তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে উপেক্ষা ও টালবাহানা করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, প্রশাসনিক অদক্ষতার মাধ্যমে সংকটকে আরও ঘনীভূত করা হয়েছে।
শিক্ষা ব্যবস্থার এই চরম অব্যবস্থাপনার দায় এড়ানোর কোনো সুযোগ নেই। সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলন কোনো হঠকারী বা অযৌক্তিক উদ্যোগ নয়; বরং এটি বছরের পর বছর ধরে পুঞ্জীভূত বৈষম্য, অবিচার ও অনিশ্চয়তার বিরুদ্ধে এক ন্যায়সঙ্গত প্রতিবাদ।
ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করছে-শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ছিনিমিনি খেলার অধিকার কারো নেই। একাডেমিক ক্যালেন্ডার ভেঙে পড়া, সেশনজট, পরীক্ষা ও ফলাফল প্রকাশে দীর্ঘসূত্রিতা, প্রশাসনিক স্বচ্ছতার অভাব এবং সিদ্ধান্তহীনতা শিক্ষার্থীদের জীবনকে চরম সংকটে ঠেলে দিয়েছে। এর একমাত্র বাস্তবসম্মত ও কার্যকর সমাধান হলো অবিলম্বে অধ্যাদেশ জারি করে সাত কলেজের প্রশাসনিক ও একাডেমিক কাঠামো পুনর্গঠন করা।
ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় সভাপতি মুনতাছির আহমাদ ও সেক্রেটারি জেনারেল সুলতান মাহমুদ গণমাধ্যমে প্রেরিত এই বিবৃতিতে বলেন, আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই-শিক্ষার্থীদের দাবিকে দমন-পীড়ন, ভয়ভীতি বা সময়ক্ষেপণের মাধ্যমে কৌশলে থামানোর চেষ্টা করলে তার দায় সম্পূর্ণভাবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকেই বহন করতে হবে। শিক্ষা কোনো দয়া নয়, এটি শিক্ষার্থীদের মৌলিক অধিকার। সেই অধিকার নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হলে আন্দোলন আরও বিস্তৃত ও তীব্রতর হওয়াটাই স্বাভাবিক।
নেতৃদ্বয় সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনের প্রতি পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করে অবিলম্বে অধ্যাদেশ জারি করে শিক্ষার্থীদের সংকটের স্থায়ী সমাধান করার আহ্বান জানান।