অমরত্ব হাদি
আরিফ হোসাইন
হাদি, হাদি, হাদি –
আমি তোমাদের প্রিয় হাদি,
জুলাই বিপ্লবের সেই অতন্দ্র প্রহরী।
মৃত্যুর পরে জেনেছে দেশ,জেনেছে বিশ্ববাসী।
আমি লড়েছি স্বৈরশাসকের বিরুদ্ধে,
আমি লড়েছি আধিপত্য বাদের বিরুদ্ধে।
চেয়েছি দেশটাকে মুক্ত করতে
ভারতীয় ছায়ার দীর্ঘ দাসত্ব থেকে ।
আমার মৃত্যুর পরে যেন না থামে এ লড়াই,
যেন কেয়ামত পর্যন্ত চলে
এই আধিপত্যবিরোধী সংগ্রাম লড়াই।
বলেছিলাম –
থামাতে পারবে না আমারে কোন বাধা-বিপত্তি,
থামাতে হলে রুক্ষতে হবে,নয়তো মাথায় গুলি।
আমি বলে যাচ্ছি, আমি বলে যাচ্ছি-
তোমাদের কিছু বাণী শুনে রেখো, মনে রেখো
দাসত্ব যেন না হয় তোমাদের সঙ্গী।
এ বাণী আজ না হোক কাল,
দেখবে তোমরা প্রতিটি দেওয়াল, গলি, ফটক
কিংবা রাস্তার মোড়ে মোড়ে
ধ্বনিত হবে বিপ্লবের স্লোগানে, গানে।
“দোহাই!
শুধু মস্তিষ্কটা খেয়ো না আমার,তা নাহলে শীগ্রই
আমি দাস হয়ে যাবো তোমার। ”
শুরু করলাম এ ইনসাফের রক্ত মাখা লড়াই,
যেখানে পরাজয়ের কোন কিছু নেই।
যেদিন পুরো শাহবাগ
শাপলা হত্যার বিচার চেয়ে ক্ষমা চাইবে,
সেদিন শুরু হবে ইনসাফের জয়োধ্বনি।
আমি হাদি, আমি হাদি-
আমি তোমাদেরই প্রিয় হাদি।
দেশের প্রতিটি স্তরে আজ ধ্বনিত হচ্ছে
আমারি ইনসাফের বানী –
“বেঁচে থাকলে গাজি হব, মরে গেলে শহীদ হয়ে আল্লাহর কাছে চলে যাব।
“দাসত্ব যে জমিনের নিত্য নিয়তি,
লড়াই -ই সেখানে উত্তম ইবাদত।”
“মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে লাভ নেই,
মৃত্যুকে আলিঙ্গন করে শাহাদাতের জন্যই
আমরা মায়ের উদর হতে জন্ম নিই।”
আমি হাদি, আমি হাদি-
আমি তোমাদের প্রিয় হাদি।
বলে যাচ্ছি, রেখে যাচ্ছি আমারি কিছু বাণী।
আমি তোমাদেরই হাদি।