ঢাকা ০৯:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাকসু ভবনে হামলা ঘিরে রাবিতে উত্তেজনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপ-উপাচার্য ড. এমতাজ হোসেন কলকাতায় রাতজুড়ে ধরপাকড়: ১৪ জন আটক, কড়া হুঁশিয়ারি শুভেন্দু অধিকারীর ‎সরকারি ৬২ লাখ টাকার বিল দখল নিয়ে উত্তপ্ত ধর্মপাশা: সংবাদ সম্মেলনে বিস্ফোরক অভিযোগ–পাল্টা অভিযোগ “জাবিতে ‘Decoding Time’ শিক্ষার্থীদের চোখ দিয়ে অতীত অনুসন্ধানের অনন্য প্রদর্শনী” চুপ্পুকে সেফ এক্সিট দিতে চায় বিএনপি: আখতার হোসেন কুবির বিজয়-২৪ হলে ‘শহীদ আব্দুল কাইয়ুম স্মৃতি মেডিকেল বক্স’ স্থাপন কুবি ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং ডিবেটিং এসোসিয়েশনের উদ্যোগে বিতর্ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রামুতে পিএফজি ও ওয়াইপিএজি’র সভায় বক্তারা:শান্তি, সম্প্রীতি ও সামাজিক স্থিতিশীলতা জোরদারের দাবী  জুলাই শহীদদের স্মরণে কুবিতে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের দোয়া ও ইসলাহী ইজতেমা

রাকসু ভবনে হামলা ঘিরে রাবিতে উত্তেজনা

রাবি প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৮:৪১:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬ ২২ বার পড়া হয়েছে
নিউজ ভিশনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (রাকসু) কার্যালয়ে রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারসহ এক নেতার ওপর সাবেক ছাত্রলীগ কর্মীর হামলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় সংঘর্ষ, হামলা ও বিক্ষোভের ঘটনা ঘটেছে। পরে অভিযুক্তকে পুলিশে সোপর্দ না করে প্রশাসনিক ব্যবস্থার আশ্বাস দেওয়াকে ঘিরেও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেল ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাকসু ভবন ও কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, নারীঘটিত এক ইস্যুতে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের এক কর্মী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবর রহমানের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। পরে তার মোবাইল ফোন তল্লাশি করে তাকে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের কর্মী হিসেবে শনাক্ত করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনার প্রতিবাদ করেন রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার ও তার সঙ্গে থাকা শিক্ষার্থীরা। উত্তপ্ত বাগ্‌বিতণ্ডার এক পর্যায়ে অভিযুক্ত ওই ব্যক্তিকে মারধর করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর দপ্তর সূত্রে জানা যায়, রোববার রাতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী ছাত্রদল কর্মী মহসিন আলমের বিরুদ্ধে প্রক্টর দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের বিষয়ে আলোচনা করতে প্রক্টর দপ্তরে আসেন সাবেক ছাত্রলীগ কর্মী ও বর্তমানে ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত আনাস।

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, এ সময় প্রক্টরের সঙ্গে আনাসের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে প্রক্টর তাকে দপ্তর থেকে বের হয়ে যেতে বলেন। আজ দুপুর ১২টার দিকে অভিযোগের বিষয়ে মহসিন আলমের বক্তব্য ও স্বীকারোক্তি নেওয়ার জন্য তাকে প্রক্টর দপ্তরে তলব করা হয়। এ সময়ও আনাস সেখানে উপস্থিত হন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি আবারও প্রক্টরের সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার তাকে মারধর করেন।

এরপর ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে আনাসকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ প্রক্টর দপ্তরে যায়। তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ডিসিপ্লিনারি কমিটির মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হলে প্রক্টর তাকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য পুলিশকে অনুরোধ জানান বলে জানা গেছে।

পরে আনাস প্রক্টর দপ্তর থেকে বের হয়ে কিছু সময় পর কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে রাকসু ভবনে অবস্থানরত নেতাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালান বলে অভিযোগ ওঠে। এতে রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার এবং সহ-বিজ্ঞান সম্পাদক নাজমুস সাকিব আহত হন।

হামলার পর উভয় পক্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের দিকে চলে যায়। সেখানে রাকসু নেতারা এবং আনাসের নেতৃত্বাধীন দলের মধ্যে মুখোমুখি অবস্থান তৈরি হয়। এক পর্যায়ে আনাস ও তার সঙ্গে থাকা ব্যক্তিরা গ্রন্থাগারের রিডিং রুমে আশ্রয় নিলে রাকসু ও শিবিরের নেতাকর্মীরা সেখানে প্রবেশ করে তাদের মারধর করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান এবং জনসংযোগ দপ্তরের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয় পক্ষকে শান্ত করার চেষ্টা করেন। পরে আহত এক সাবেক ছাত্রলীগ নেতাকে হাসপাতালে নেওয়ার সুযোগ করে দেন প্রক্টর। তবে অভিযোগ রয়েছে, হাসপাতালে নেওয়ার পথেও তার ওপর হামলা চালানো হয়। পরে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপে তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এ ঘটনার পর সাবেক ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের ‘সেইফ এক্সিট’ দেওয়ার অভিযোগ তুলে প্রতিবাদ এবং কয়েক ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন রাকসু ও হল সংসদের নেতারা।

পরে উপাচার্যের সঙ্গে শিবির, রাকসু ও হল সংসদের নেতাদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপাচার্য, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা), উপ-উপাচার্য (প্রশাসন), ছাত্র উপদেষ্টা, প্রক্টরসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় আহত রাকসুর তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক নাজমুস সাকিব এশিয়া পোস্টকে বলেন, আনাস প্রক্টর অফিস থেকে বের হয়ে ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মীসহ রাকসু ভবনে এসে জিয়া হলের জিএস আরিফকে খুঁজতে থাকে। আমি বলি, আরিফ জিয়া হলে থাকবে, রাকসু ভবনে কেন খুঁজতে আসছেন। এরপর আনাসসহ কয়েকজন রাকসু জিএসের কক্ষে গিয়ে তার সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়ায়।
তিনি আরও বলেন, এক পর্যায়ে আনাসের সঙ্গে থাকা ছাত্রদলের কয়েকজন মিলে আম্মারের ওপর হামলা করে রাকসু ভবন থেকে বেরিয়ে লাইব্রেরির দিকে চলে যায়। এরপর প্রক্টর স্যার ওদের সেইফ এক্সিট দিয়েছেন।
সভা শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফরিদুল ইসলাম এশিয়া পোস্টকে বলেন, আমরা খুব দ্রুত ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটির মাধ্যমে তথ্য যাচাই করে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব। পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। আজকের মধ্যেই আমরা পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে জানাব।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

রাকসু ভবনে হামলা ঘিরে রাবিতে উত্তেজনা

আপডেট সময় : ০৮:৪১:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (রাকসু) কার্যালয়ে রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারসহ এক নেতার ওপর সাবেক ছাত্রলীগ কর্মীর হামলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় সংঘর্ষ, হামলা ও বিক্ষোভের ঘটনা ঘটেছে। পরে অভিযুক্তকে পুলিশে সোপর্দ না করে প্রশাসনিক ব্যবস্থার আশ্বাস দেওয়াকে ঘিরেও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেল ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাকসু ভবন ও কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, নারীঘটিত এক ইস্যুতে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের এক কর্মী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবর রহমানের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। পরে তার মোবাইল ফোন তল্লাশি করে তাকে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের কর্মী হিসেবে শনাক্ত করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনার প্রতিবাদ করেন রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার ও তার সঙ্গে থাকা শিক্ষার্থীরা। উত্তপ্ত বাগ্‌বিতণ্ডার এক পর্যায়ে অভিযুক্ত ওই ব্যক্তিকে মারধর করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর দপ্তর সূত্রে জানা যায়, রোববার রাতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী ছাত্রদল কর্মী মহসিন আলমের বিরুদ্ধে প্রক্টর দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের বিষয়ে আলোচনা করতে প্রক্টর দপ্তরে আসেন সাবেক ছাত্রলীগ কর্মী ও বর্তমানে ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত আনাস।

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, এ সময় প্রক্টরের সঙ্গে আনাসের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে প্রক্টর তাকে দপ্তর থেকে বের হয়ে যেতে বলেন। আজ দুপুর ১২টার দিকে অভিযোগের বিষয়ে মহসিন আলমের বক্তব্য ও স্বীকারোক্তি নেওয়ার জন্য তাকে প্রক্টর দপ্তরে তলব করা হয়। এ সময়ও আনাস সেখানে উপস্থিত হন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি আবারও প্রক্টরের সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার তাকে মারধর করেন।

এরপর ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে আনাসকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ প্রক্টর দপ্তরে যায়। তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ডিসিপ্লিনারি কমিটির মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হলে প্রক্টর তাকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য পুলিশকে অনুরোধ জানান বলে জানা গেছে।

পরে আনাস প্রক্টর দপ্তর থেকে বের হয়ে কিছু সময় পর কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে রাকসু ভবনে অবস্থানরত নেতাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালান বলে অভিযোগ ওঠে। এতে রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার এবং সহ-বিজ্ঞান সম্পাদক নাজমুস সাকিব আহত হন।

হামলার পর উভয় পক্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের দিকে চলে যায়। সেখানে রাকসু নেতারা এবং আনাসের নেতৃত্বাধীন দলের মধ্যে মুখোমুখি অবস্থান তৈরি হয়। এক পর্যায়ে আনাস ও তার সঙ্গে থাকা ব্যক্তিরা গ্রন্থাগারের রিডিং রুমে আশ্রয় নিলে রাকসু ও শিবিরের নেতাকর্মীরা সেখানে প্রবেশ করে তাদের মারধর করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান এবং জনসংযোগ দপ্তরের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয় পক্ষকে শান্ত করার চেষ্টা করেন। পরে আহত এক সাবেক ছাত্রলীগ নেতাকে হাসপাতালে নেওয়ার সুযোগ করে দেন প্রক্টর। তবে অভিযোগ রয়েছে, হাসপাতালে নেওয়ার পথেও তার ওপর হামলা চালানো হয়। পরে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপে তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এ ঘটনার পর সাবেক ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের ‘সেইফ এক্সিট’ দেওয়ার অভিযোগ তুলে প্রতিবাদ এবং কয়েক ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন রাকসু ও হল সংসদের নেতারা।

পরে উপাচার্যের সঙ্গে শিবির, রাকসু ও হল সংসদের নেতাদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপাচার্য, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা), উপ-উপাচার্য (প্রশাসন), ছাত্র উপদেষ্টা, প্রক্টরসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় আহত রাকসুর তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক নাজমুস সাকিব এশিয়া পোস্টকে বলেন, আনাস প্রক্টর অফিস থেকে বের হয়ে ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মীসহ রাকসু ভবনে এসে জিয়া হলের জিএস আরিফকে খুঁজতে থাকে। আমি বলি, আরিফ জিয়া হলে থাকবে, রাকসু ভবনে কেন খুঁজতে আসছেন। এরপর আনাসসহ কয়েকজন রাকসু জিএসের কক্ষে গিয়ে তার সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়ায়।
তিনি আরও বলেন, এক পর্যায়ে আনাসের সঙ্গে থাকা ছাত্রদলের কয়েকজন মিলে আম্মারের ওপর হামলা করে রাকসু ভবন থেকে বেরিয়ে লাইব্রেরির দিকে চলে যায়। এরপর প্রক্টর স্যার ওদের সেইফ এক্সিট দিয়েছেন।
সভা শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফরিদুল ইসলাম এশিয়া পোস্টকে বলেন, আমরা খুব দ্রুত ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটির মাধ্যমে তথ্য যাচাই করে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব। পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। আজকের মধ্যেই আমরা পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে জানাব।