ঢাকা ০২:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কক্সবাজারের ২৩ মামলার পলাতক দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী র‌্যাবের জালে পদত্যাগ করছেন না ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান শান্তিগঞ্জে ফারুক আহমদের উদ্যোগে চক্ষু রোগীদের জন্য ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ‎ ‎শান্তিগঞ্জে ফারুক আহমদের উদ্যোগে চক্ষু রোগীদের জন্য ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ‎ বন্যাকবলিত ২০০ শিশুর পাশে ১১ বিজিবি দেশব্যাপী বিক্ষোভ অব্যাহত রেখে সরকারের সাথে আলোচনা ইন্টারনেট বন্ধ, রাতভর ধরপাকড়ের শঙ্কা, থমথমে দিল্লি কচ্ছপিয়া-গর্জনিয়ার মানুষ পুলিশবান্ধব: রামুর ওসি মুনিরুল শহীদ জিয়া ও বেগম জিয়ার মাজার জিয়ারতে ইবি ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটি নাইক্ষ্যংছড়িতে বন্যা-দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ৬০ পরিবারের পাশে ১১ বিজিবি

কক্সবাজারের ২৩ মামলার পলাতক দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী র‌্যাবের জালে

নুরুল ইসলাম সুমন, কক্সবাজার
  • আপডেট সময় : ১০:৪০:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬ ২৪ বার পড়া হয়েছে
নিউজ ভিশনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

কক্সবাজার সদর থানাধীন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে অস্ত্র, ডাকাতি ও ধর্ষণসহ মোট ২৩টি মামলার পলাতক আসামি, সমিতিপাড়া এলাকার কুখ্যাত ডাকাত দলনেতা ও চরমপন্থী সন্ত্রাসী নুরুল কাদের প্রকাশ নুর কাদের (৩৭)-কে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-১৫)। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলায় আদালত কর্তৃক জারি করা পাঁচটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে।
র‌্যাব-১৫ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ব্যাটালিয়নের একটি আভিযানিক দল জানতে পারে যে, সমিতিপাড়া এলাকার ত্রাস হিসেবে পরিচিত এবং একাধিক মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি নুর কাদের কক্সবাজার সদর উপজেলার উত্তরণ এলাকায় অবস্থান করছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাত ১১টা ২০ মিনিটে সেখানে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযান চলাকালে র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে নুর কাদের পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে আভিযানিক দলের সদস্যরা তাকে ধাওয়া করে আটক করেন। পরে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।
গ্রেপ্তার নুরুল কাদের কক্সবাজার সদর উপজেলার পশ্চিম কুতুবদিয়া পাড়া ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি ডা. নুরুল ইসলাম ও ছকিনা বেগমের ছেলে।
র‌্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নুর কাদের দীর্ঘদিন ধরে কক্সবাজারের সমিতিপাড়া ও সংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় ডাকাতি, অস্ত্রবাজি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনার কথা উঠে এসেছে। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, দ্রুত বিচার আইন, ডাকাতি এবং দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় মোট ২৩টি মামলা ও সাধারণ ডায়েরি (জিডি) রয়েছে।
গ্রেপ্তার আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কক্সবাজার সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র‌্যাব-১৫ জানিয়েছে, অপরাধ দমন এবং এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তাদের এ ধরনের সাঁড়াশি ও জিরো-টলারেন্স অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

কক্সবাজারের ২৩ মামলার পলাতক দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী র‌্যাবের জালে

আপডেট সময় : ১০:৪০:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

কক্সবাজার সদর থানাধীন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে অস্ত্র, ডাকাতি ও ধর্ষণসহ মোট ২৩টি মামলার পলাতক আসামি, সমিতিপাড়া এলাকার কুখ্যাত ডাকাত দলনেতা ও চরমপন্থী সন্ত্রাসী নুরুল কাদের প্রকাশ নুর কাদের (৩৭)-কে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-১৫)। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলায় আদালত কর্তৃক জারি করা পাঁচটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে।
র‌্যাব-১৫ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ব্যাটালিয়নের একটি আভিযানিক দল জানতে পারে যে, সমিতিপাড়া এলাকার ত্রাস হিসেবে পরিচিত এবং একাধিক মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি নুর কাদের কক্সবাজার সদর উপজেলার উত্তরণ এলাকায় অবস্থান করছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাত ১১টা ২০ মিনিটে সেখানে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযান চলাকালে র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে নুর কাদের পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে আভিযানিক দলের সদস্যরা তাকে ধাওয়া করে আটক করেন। পরে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।
গ্রেপ্তার নুরুল কাদের কক্সবাজার সদর উপজেলার পশ্চিম কুতুবদিয়া পাড়া ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি ডা. নুরুল ইসলাম ও ছকিনা বেগমের ছেলে।
র‌্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নুর কাদের দীর্ঘদিন ধরে কক্সবাজারের সমিতিপাড়া ও সংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় ডাকাতি, অস্ত্রবাজি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনার কথা উঠে এসেছে। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, দ্রুত বিচার আইন, ডাকাতি এবং দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় মোট ২৩টি মামলা ও সাধারণ ডায়েরি (জিডি) রয়েছে।
গ্রেপ্তার আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কক্সবাজার সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র‌্যাব-১৫ জানিয়েছে, অপরাধ দমন এবং এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তাদের এ ধরনের সাঁড়াশি ও জিরো-টলারেন্স অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।