ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে ইবিতে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত
- আপডেট সময় : ০৪:৩৪:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে
মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম ও পৃথিবীতে আগমন উপলক্ষে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। দিনটি উপলক্ষে বুধবার (২৬ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ ভবনের সামনে থেকে একটি র্যালি বের হয়। র্যালিটি ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে কেন্দ্রীয় মসজিদে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে আলোচনা সভায় অংশগ্রহন করে তারা।
আলোচনা সভায় থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সেকান্দার আলীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী উপস্থিত ছিলেন।
কেন্দ্রীয় মসজিদের পেশ ইমাম ও খতিব আশরাফ উদ্দিনের সঞ্চালনায় আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন আল হাদীস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. আ খ ম ওয়ালীউল্লাহ, আল-কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. হাফেজ আবু নোমান মো. এরশাদ উল্লাহ এবং আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. কাউছার মো. বাকী বিল্লাহ। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ সহস্রাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনায় বক্তারা মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন, কর্ম ও আদর্শের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তারা বলেন, মহানবী (সা.) ছিলেন সমগ্র মানবজাতির জন্য সর্বোত্তম আদর্শ। তিনি এমন এক সময়ে পৃথিবীতে আগমন করেন, যখন সমাজ অজ্ঞতা ও নৈতিক অবক্ষয়ে নিমজ্জিত ছিল। তাঁর সত্যবাদিতা, ন্যায়বিচার ও মানবিকতার মাধ্যমে সমাজে শান্তি ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠিত হয়। জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত তাঁর প্রতিটি কথা, কাজ ও জীবনাচরণ আমাদের জন্য অনুসরণীয়। মিলাদুন্নবীর মূল শিক্ষা হলো মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসাকে শুধু আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে তাঁর আদর্শ ও সুন্নাহকে ব্যক্তিজীবনে বাস্তবায়ন করা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, “আমাদের প্রিয় নবী (সা.)-এর আগমনের মধ্য দিয়ে মানবজাতি একটি দিকনির্দেশনা পেয়েছে। তাঁর জীবন যদি আমরা চর্চা করি, স্টাডি করি, তাহলে দেখতে পাব একজন সাধারণ, সাবলীল মানুষ হিসেবে তিনি পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ মানবিক ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়েছেন। তিনি আল্লাহ তাআলার ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও পেয়ার হাবিব হিসেবে খেতাব পেয়েছেন। আমরা যেন তাঁর জীবনী চর্চার মধ্য দিয়ে নিজেদের জীবনকে গড়ে তুলতে পারি।”
আলোচনা সভা শেষে বাদ জোহর দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
























