ঢাকাবুধবার , ১১ মার্চ ২০২৬
  1. সর্বশেষ
  2. আন্তর্জাতিক

এবার ১ টনের মিসাইল ছুড়ছে ইরান, বদলে যাচ্ছে যুদ্ধক্ষেত্র

প্রতিবেদক
News Desk
১১ মার্চ ২০২৬, ৫:২০ পূর্বাহ্ণ

Link Copied!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের ১১তম দিনে রণকৌশলে বড় ধরনের পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে তেহরান। গত রবিবার ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) অ্যারোস্পেস ফোর্সের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাজিদ মুসাভি জানিয়েছেন, এখন থেকে ইরান শুধু সেসব মিসাইল ব্যবহার করবে, যেগুলোর পেলোড বা গোলাবারুদ বহন ক্ষমতা ১ হাজার কেজি বা তার বেশি।

এই ঘোষণা যুদ্ধের ময়দানে সংখ্যা কমানোর পরিবর্তে ‘বিধ্বংসী ক্ষমতা’ বাড়ানোর কৌশল হিসেবে দেখছেন সামরিক পর্যবেক্ষকরা।

যুদ্ধের শুরুতে ইরানের কৌশল ছিল শাহেদ-১৩৬ ড্রোনের মতো সাশ্রয়ী প্রযুক্তি ব্যবহার করে শত্রুশিবিরের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে ব্যস্ত রাখা। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল ‘স্যাচুরেশন অ্যাটাক’ বা একসঙ্গে প্রচুর ড্রোন ও মিসাইল ছুড়ে ইসরায়েল ও আমেরিকার দামি ইন্টারসেপ্টর মিসাইল খরচ করিয়ে ফেলা। তবে এখন ইরান সরাসরি খোররামশাহর-৪ বা খাইবারের মতো ভারী ব্যালিস্টিক মিসাইলের ওপর জোর দিচ্ছে, যা ড্রোনের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি ধ্বংসযজ্ঞ চালাতে সক্ষম।

জেনারেল মুসাভি জানান, এই মিসাইলগুলো ম্যাক-৮-এর বেশি গতিতে চলতে পারে এবং এর গতিপথ পরিবর্তনের সক্ষমতা রয়েছে, যা ইসরায়েলের ‘অ্যারো-৩’-এর মতো উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে ফাঁকি দিতে পারবে। একটি এক টনের মিসাইল যদি লক্ষ্যভেদে সফল হয়, তবে তা একটি বিমানঘাঁটি বা ভূগর্ভস্থ কমান্ড সেন্টার অচল করে দেওয়ার মতো সক্ষমতা রাখে।

লেবানিজ সংবাদমাধ্যম ‘আল মায়াদিন’-এর বরাতে জানা গেছে, দুবাই বিমানবন্দর এবং সৌদি আরবের রাস তানুরাজ তৈল শোধনাগারের মতো আঞ্চলিক অবকাঠামো এখন ইরানের প্রধান লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় রয়েছে।

বর্তমানে ইরানের অস্ত্রাগারে ১ হাজার ৮০০ কেজি বিস্ফোরক বহনে সক্ষম খোররামশাহর মিসাইল রয়েছে, যা ২ হাজার কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে। এছাড়া সলিড ফুয়েলচালিত মাঝারি পাল্লার সেজিল মিসাইল এবং ৩ হাজার কিলোমিটার পাল্লার সুমার ক্রুজ মিসাইলও ইরানের হাতে রয়েছে। সুমার মিসাইল পারমাণবিক অস্ত্র বহনেও সক্ষম বলে ধারণা করা হয়।

প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক শানাকা আনসেলম পেরেরার মতে, ইরান এখন যুদ্ধের ‘ইন্টারসেপ্ট ম্যাথ’ বা গাণিতিক সমীকরণ বদলে দিচ্ছে। আগে একটি ড্রোন ধ্বংস করতে ৪ মিলিয়ন ডলারের প্যাট্রিয়েট মিসাইল ব্যয় করাটা ছিল অর্থনৈতিক চাপ, কিন্তু এখন ভারী মিসাইল ঠেকাতে ইন্টারসেপ্টর মিসাইল মিস হলে তার পরিণতি হবে ভয়াবহ।

এতে আকাশ প্রতিরক্ষাকারীদের দ্রুত ইন্টারসেপ্টর মজুত শূন্য হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আমেরিকার ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’র জবাবে তেহরানের এই ‘হেভি পেলোড’ নীতি মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের তীব্রতা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন

‎শান্তিগঞ্জে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস ও দুর্যোগ বিষয়ক মহড়া অনুষ্ঠিত

কক্সবাজার শহরে মহিলা জামায়াতের ঐতিহাসিক বদর দিবস ও আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযান

বৃহত্তর নোয়াখালী যুব সমিতির আত্মপ্রকাশ উপলক্ষে ইফতার আয়োজন

রমজানের চেতনায় ঐক্যের বার্তা: বিশিষ্টজন ও সাংবাদিকদের সম্মানে আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল

দোলনায় খেলতে গিয়ে ওড়না পেঁচিয়ে ১০ বছরের শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু

পেকুয়ায় জুলাই শহীদ ওয়াসিম আকরামের পরিবারকে ঈদ উপহার দিল জামায়াত

চকরিয়ায় জামায়াতের উদ্যোগে রমজানের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

কক্সবাজারে এলজিইডির উন্নয়ন কার্যক্রম: সড়ক, সেতু ও সামাজিক অবকাঠামো নির্মাণে অগ্রগতি

ফেনী পরশুরাম সরকারি কলেজে তালা দিলেন অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা

ওসমান হাদি হত্যা মামলায় ভারতে গ্রেফতার দুই আসামিকে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

চকরিয়ায় মাতামুহুরি নদীতে গোসল করতে নেমে দুই মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু

জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত