আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
যুক্তরাষ্ট্রে পারমাণবিক অস্ত্রের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা বাড়ার মাঝে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘মৃত্যু, ভয়ানক বিপর্যয়’ হুঁশিয়ারির পর পরিস্থিতি আরও সংকুচিত হয়েছে।
মার্কিন সামরিক নথি অনুযায়ী, গত কয়েক দশকে অন্তত ছয়টি পারমাণবিক ওয়ারহেড হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। নিখোঁজ এসব অস্ত্র শত্রু দেশের হাতে পড়লে মুহূর্তেই শহর ধ্বংসের ক্ষমতা রাখে এবং কয়েক মিলিয়ন মানুষ প্রাণ হারাতে পারে।
মার্কিন সামরিক পরিভাষায় এ ধরনের দুর্ঘটনাকে ‘ব্রোকেন অ্যারো’ বলা হয়। ৩২টি নথিভুক্ত ঘটনার মধ্যে অন্তত ছয়টি পারমাণবিক বোমার এখনো কোনো হদিস পাওয়া যায়নি।
সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা ঘটে ১৯৫৮ সালে, যখন টাইবি দ্বীপের কাছে দুটি মার্কিন যুদ্ধবিমানের সংঘর্ষে একটি বি-৪৭ স্ট্রাটোজেট বিমান মার্ক-১৫ পারমাণবিক বোমা বহন করছিল। সংঘর্ষের পর পাইলট নিরাপত্তার কারণে জর্জিয়ার উপকূলের কাছে বোমাটি পানিতে ফেলে দেন।
প্রায় ৭,৬০০ পাউন্ড ওজনের এই হাইড্রোজেন বোমার বিস্ফোরণ ক্ষমতা ছিল নাগাসাকিতে ব্যবহৃত ফ্যাট ম্যানের চেয়ে প্রায় ১৯০ গুণ বেশি। বহুবার অনুসন্ধান চালানো হলেও আজও বোমাটি উদ্ধার হয়নি।
এই ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের হারানো পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে আন্তর্জাতিক উদ্বেগ নতুন মাত্রা পেয়েছে।