ঢাকা ০৫:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নাইক্ষ্যংছড়ির গহীন পাহাড় থেকে মানুষের কঙ্কাল উদ্ধার  নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে ইয়াবার বড় চালান আটক, প্রশংসায় ১১ বিজিবি বেনাপোল বন্দরের উন্নয়ন ও শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিতকরণে মতবিনিময় সভা মোঃ ফিরোজ খানের কবিতা : প্রিয়তমা আবু হেনা মোস্তফা কামালের জীবন ও সাহিত্যকর্ম নিয়ে জবিতে সেমিনার অনুষ্ঠিত কাপাসিয়ায় শিবিরের উদ্যোগে মৌসুমী ফল উৎসব অনুষ্ঠিত কুবিতে স্পোর্টস ক্লাবের উদ্যোগে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলের প্রীতি ম্যাচ অনুষ্ঠিত  সংসদে জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবী তুললেন বিএনপির এমপি রফিকুল ইসলাম বিরোধীদলীয় নেতার রহস্যময় ‘১০ কেজির সারপ্রাইজ’ প্যাকেট নিয়ে সোস্যাল মিডিয়া সরগরম চকরিয়ায় নিউরোসার্জন ডা. শামসুল ইসলাম খান, ২২ জুন রোগী দেখবেন জমজম হাসপাতালে

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে ইয়াবার বড় চালান আটক, প্রশংসায় ১১ বিজিবি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৫১:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬ ১৭ বার পড়া হয়েছে
নিউজ ভিশনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মো. জাবেদুল আনোয়ারঃ

সীমান্তে মাদকবিরোধী অভিযানে আবারও উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)। অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবিরের সার্বিক দিকনির্দেশনায় পরিচালিত বিশেষ অভিযানে ১ লাখ ৭৯০ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক সিজার মূল্য ৩ কোটি ২ লাখ ৩৭ হাজার টাকা।

সোমবার (২২ জুন) সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে জারুলিয়াছড়ি বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্তবর্তী কাজুবাদাম বাগান এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিজিবির একটি আভিযানিক দল জানতে পারে, মিয়ানমার থেকে ইয়াবার একটি বড় চালান বাংলাদেশে প্রবেশ করছে।

খবর পেয়ে বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে অবস্থান নিলে পাচারকারীরা তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে ইয়াবার চালান ফেলে দ্রুত জঙ্গলের ভেতরে পালিয়ে যায়। পরে বিজিবির সদস্যরা ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে ১০টি কার্টনে রাখা মোট ১ লাখ ৭৯০ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করেন।

উদ্ধারকৃত ইয়াবার মধ্যে খয়েরি রঙের ৯৯ হাজার ৭৯২ পিস এবং সবুজ রঙের ৯৯৮ পিস ইয়াবা রয়েছে বলে বিজিবি সূত্রে জানা গেছে।

বিজিবি জানায়, সীমান্ত এলাকায় মাদক পাচার প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি ও আভিযানিক তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় একের পর এক সফল অভিযান পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে।

এ বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে বিজিবির জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত রয়েছে। সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান প্রতিরোধ এবং মাদক নির্মূলে বিজিবি সর্বদা কঠোর অবস্থানে রয়েছে। সীমান্ত এলাকায় নজরদারি আরও বৃদ্ধি করা হয়েছে।”

স্থানীয় সচেতন মহল এ অভিযানের প্রশংসা করে বলেন, সীমান্ত এলাকায় মাদক পাচার রোধে ১১ বিজিবির ধারাবাহিক সফলতা আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও সমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে সুরক্ষিত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তারা মাদকমুক্ত সীমান্ত গড়তে বিজিবির এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে ইয়াবার বড় চালান আটক, প্রশংসায় ১১ বিজিবি

আপডেট সময় : ০১:৫১:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

মো. জাবেদুল আনোয়ারঃ

সীমান্তে মাদকবিরোধী অভিযানে আবারও উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)। অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবিরের সার্বিক দিকনির্দেশনায় পরিচালিত বিশেষ অভিযানে ১ লাখ ৭৯০ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক সিজার মূল্য ৩ কোটি ২ লাখ ৩৭ হাজার টাকা।

সোমবার (২২ জুন) সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে জারুলিয়াছড়ি বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্তবর্তী কাজুবাদাম বাগান এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিজিবির একটি আভিযানিক দল জানতে পারে, মিয়ানমার থেকে ইয়াবার একটি বড় চালান বাংলাদেশে প্রবেশ করছে।

খবর পেয়ে বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে অবস্থান নিলে পাচারকারীরা তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে ইয়াবার চালান ফেলে দ্রুত জঙ্গলের ভেতরে পালিয়ে যায়। পরে বিজিবির সদস্যরা ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে ১০টি কার্টনে রাখা মোট ১ লাখ ৭৯০ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করেন।

উদ্ধারকৃত ইয়াবার মধ্যে খয়েরি রঙের ৯৯ হাজার ৭৯২ পিস এবং সবুজ রঙের ৯৯৮ পিস ইয়াবা রয়েছে বলে বিজিবি সূত্রে জানা গেছে।

বিজিবি জানায়, সীমান্ত এলাকায় মাদক পাচার প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি ও আভিযানিক তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় একের পর এক সফল অভিযান পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে।

এ বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে বিজিবির জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত রয়েছে। সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান প্রতিরোধ এবং মাদক নির্মূলে বিজিবি সর্বদা কঠোর অবস্থানে রয়েছে। সীমান্ত এলাকায় নজরদারি আরও বৃদ্ধি করা হয়েছে।”

স্থানীয় সচেতন মহল এ অভিযানের প্রশংসা করে বলেন, সীমান্ত এলাকায় মাদক পাচার রোধে ১১ বিজিবির ধারাবাহিক সফলতা আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও সমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে সুরক্ষিত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তারা মাদকমুক্ত সীমান্ত গড়তে বিজিবির এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।