ঢাকা ১১:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পটিয়ার চাপড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক ও কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা যেকোনো সময় ভারত সফরে যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রী আগামী মন্ত্রিসভার বৈঠকে উঠছে নবম জাতীয় পে স্কেল ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সাংবাদিককে হুমকি দিয়ে সংবাদ সরিয়ে নেওয়ার অপচেষ্টায় গ্র্যাজুয়েট প্রেস ক্লাবের নিন্দা ও প্রতিবাদ ঘুমধুম সীমান্তে ২ লক্ষ ৪৬ হাজার ইয়াবাসহ বিদেশী পিস্তল ও গুলি উদ্ধার বদরখালী কলোনিজেশন উচ্চ বিদ্যালয়ের সাদিয়া আফরিন কনকের গোল্ডেন A+ অর্জন বদরখালী ইউনিয়ন ছাত্রদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা রাষ্ট্রপতি পদে অলি আহমদের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ১১ দলীয় ঐক্যের

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে ইয়াবার বড় চালান আটক, প্রশংসায় ১১ বিজিবি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৫১:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬ ১৩১ বার পড়া হয়েছে
নিউজ ভিশনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

মো. জাবেদুল আনোয়ারঃ

সীমান্তে মাদকবিরোধী অভিযানে আবারও উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)। অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবিরের সার্বিক দিকনির্দেশনায় পরিচালিত বিশেষ অভিযানে ১ লাখ ৭৯০ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক সিজার মূল্য ৩ কোটি ২ লাখ ৩৭ হাজার টাকা।

সোমবার (২২ জুন) সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে জারুলিয়াছড়ি বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্তবর্তী কাজুবাদাম বাগান এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিজিবির একটি আভিযানিক দল জানতে পারে, মিয়ানমার থেকে ইয়াবার একটি বড় চালান বাংলাদেশে প্রবেশ করছে।

খবর পেয়ে বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে অবস্থান নিলে পাচারকারীরা তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে ইয়াবার চালান ফেলে দ্রুত জঙ্গলের ভেতরে পালিয়ে যায়। পরে বিজিবির সদস্যরা ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে ১০টি কার্টনে রাখা মোট ১ লাখ ৭৯০ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করেন।

উদ্ধারকৃত ইয়াবার মধ্যে খয়েরি রঙের ৯৯ হাজার ৭৯২ পিস এবং সবুজ রঙের ৯৯৮ পিস ইয়াবা রয়েছে বলে বিজিবি সূত্রে জানা গেছে।

বিজিবি জানায়, সীমান্ত এলাকায় মাদক পাচার প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি ও আভিযানিক তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় একের পর এক সফল অভিযান পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে।

এ বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে বিজিবির জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত রয়েছে। সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান প্রতিরোধ এবং মাদক নির্মূলে বিজিবি সর্বদা কঠোর অবস্থানে রয়েছে। সীমান্ত এলাকায় নজরদারি আরও বৃদ্ধি করা হয়েছে।”

স্থানীয় সচেতন মহল এ অভিযানের প্রশংসা করে বলেন, সীমান্ত এলাকায় মাদক পাচার রোধে ১১ বিজিবির ধারাবাহিক সফলতা আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও সমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে সুরক্ষিত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তারা মাদকমুক্ত সীমান্ত গড়তে বিজিবির এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে ইয়াবার বড় চালান আটক, প্রশংসায় ১১ বিজিবি

আপডেট সময় : ০১:৫১:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

মো. জাবেদুল আনোয়ারঃ

সীমান্তে মাদকবিরোধী অভিযানে আবারও উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)। অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবিরের সার্বিক দিকনির্দেশনায় পরিচালিত বিশেষ অভিযানে ১ লাখ ৭৯০ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক সিজার মূল্য ৩ কোটি ২ লাখ ৩৭ হাজার টাকা।

সোমবার (২২ জুন) সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে জারুলিয়াছড়ি বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্তবর্তী কাজুবাদাম বাগান এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিজিবির একটি আভিযানিক দল জানতে পারে, মিয়ানমার থেকে ইয়াবার একটি বড় চালান বাংলাদেশে প্রবেশ করছে।

খবর পেয়ে বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে অবস্থান নিলে পাচারকারীরা তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে ইয়াবার চালান ফেলে দ্রুত জঙ্গলের ভেতরে পালিয়ে যায়। পরে বিজিবির সদস্যরা ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে ১০টি কার্টনে রাখা মোট ১ লাখ ৭৯০ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করেন।

উদ্ধারকৃত ইয়াবার মধ্যে খয়েরি রঙের ৯৯ হাজার ৭৯২ পিস এবং সবুজ রঙের ৯৯৮ পিস ইয়াবা রয়েছে বলে বিজিবি সূত্রে জানা গেছে।

বিজিবি জানায়, সীমান্ত এলাকায় মাদক পাচার প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি ও আভিযানিক তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় একের পর এক সফল অভিযান পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে।

এ বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে বিজিবির জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত রয়েছে। সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান প্রতিরোধ এবং মাদক নির্মূলে বিজিবি সর্বদা কঠোর অবস্থানে রয়েছে। সীমান্ত এলাকায় নজরদারি আরও বৃদ্ধি করা হয়েছে।”

স্থানীয় সচেতন মহল এ অভিযানের প্রশংসা করে বলেন, সীমান্ত এলাকায় মাদক পাচার রোধে ১১ বিজিবির ধারাবাহিক সফলতা আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও সমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে সুরক্ষিত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তারা মাদকমুক্ত সীমান্ত গড়তে বিজিবির এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।