ঢাকা ০৮:০৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রামুতে পিএফজি ও ওয়াইপিএজি’র সভায় বক্তারা:শান্তি, সম্প্রীতি ও সামাজিক স্থিতিশীলতা জোরদারের দাবী  জুলাই শহীদদের স্মরণে কুবিতে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের দোয়া ও ইসলাহী ইজতেমা ভারতের নতুন শিক্ষামন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশি সরকার পতনের ডাক দিলেন রাহুল গান্ধী মাদারীপুরে স্ত্রীর পরকীয়ার জেরে কীটনাশক পানে যুবকের মৃত্যু বিদেশে উচ্চশিক্ষার স্বপ্নপূরণে জাবিতে ‘হায়ার স্টাডি ৩৬০°’ শীর্ষক দিনব্যাপী সেমিনার আয়োজন নবীন বিতার্কিক তৈরির লক্ষ্যে কুবি ডিবেটিং সোসাইটির কর্মশালা মানবিক শওকত হোসেনের উদ্যোগে বাঁশখালীর বন্যাদুর্গত ১৫ পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ সহায়তা ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা)-এর উদ্যোগে চকরিয়ায় বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ প্রজ্ঞাপনে পদ নেই সনদে সাল পরিবর্তন:ইসলামপুর মহলগিরী উচ্চ বিদ্যালয়ে তোলপাড়

র‍্যাব-১৫-এর বিশেষ অভিযানে ধরা পড়ল দীর্ঘদিনের পলাতক পরোয়ানাভুক্ত আসামি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:০৪:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬ ৭৭ বার পড়া হয়েছে
নিউজ ভিশনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

মো:জাবেদুল আনোয়ারঃ

কক্সবাজারের টেকনাফে বিশেষ অভিযান চালিয়ে দীর্ঘ চার বছর ধরে পলাতক থাকা একটি মাদক মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)-১৫।

শনিবার (৪ জুলাই) র‍্যাব-১৫-এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সহকারী পুলিশ সুপার আ. ম. ফারুক স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত শুক্রবার (৩ জুলাই) রাত আনুমানিক ১১টা ৩০ মিনিটে র‍্যাব-১৫-এর সিপিসি-১, টেকনাফ ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের মহেশখালীয়াপাড়া এলাকায় শামীমা ফিলিং স্টেশনের সামনে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় দীর্ঘ চার বছর ধরে পলাতক থাকা এক পরোয়ানাভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার হওয়া আসামি টেকনাফ সদর ইউনিয়নের পশ্চিম গোদারবিল (৬ নম্বর ওয়ার্ড) এলাকার সৈয়দ হোছন (ওরফে সৈয়দ আহম্মদ)-এর ছেলে মো. জামাল হোছন (৩০)।

র‍্যাব জানায়, গ্রেপ্তারকৃত জামাল হোছনের বিরুদ্ধে ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানায় ২০২০ সালে দায়ের করা একটি মাদক মামলা রয়েছে। ওই মামলায় আদালত থেকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপনে ছিলেন। বারবার অবস্থান পরিবর্তন করে গ্রেপ্তার এড়ানোর চেষ্টা করলেও র‍্যাব-১৫-এর গোয়েন্দা নজরদারি ও তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর অভিযানের মাধ্যমে শেষ পর্যন্ত তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়।

গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

র‍্যাব-১৫ জানিয়েছে, সন্ত্রাস, মাদক ও অন্যান্য অপরাধ দমনে তাদের গোয়েন্দা তৎপরতা এবং বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

র‍্যাব-১৫-এর বিশেষ অভিযানে ধরা পড়ল দীর্ঘদিনের পলাতক পরোয়ানাভুক্ত আসামি

আপডেট সময় : ০৫:০৪:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

মো:জাবেদুল আনোয়ারঃ

কক্সবাজারের টেকনাফে বিশেষ অভিযান চালিয়ে দীর্ঘ চার বছর ধরে পলাতক থাকা একটি মাদক মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)-১৫।

শনিবার (৪ জুলাই) র‍্যাব-১৫-এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সহকারী পুলিশ সুপার আ. ম. ফারুক স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত শুক্রবার (৩ জুলাই) রাত আনুমানিক ১১টা ৩০ মিনিটে র‍্যাব-১৫-এর সিপিসি-১, টেকনাফ ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের মহেশখালীয়াপাড়া এলাকায় শামীমা ফিলিং স্টেশনের সামনে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় দীর্ঘ চার বছর ধরে পলাতক থাকা এক পরোয়ানাভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার হওয়া আসামি টেকনাফ সদর ইউনিয়নের পশ্চিম গোদারবিল (৬ নম্বর ওয়ার্ড) এলাকার সৈয়দ হোছন (ওরফে সৈয়দ আহম্মদ)-এর ছেলে মো. জামাল হোছন (৩০)।

র‍্যাব জানায়, গ্রেপ্তারকৃত জামাল হোছনের বিরুদ্ধে ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানায় ২০২০ সালে দায়ের করা একটি মাদক মামলা রয়েছে। ওই মামলায় আদালত থেকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপনে ছিলেন। বারবার অবস্থান পরিবর্তন করে গ্রেপ্তার এড়ানোর চেষ্টা করলেও র‍্যাব-১৫-এর গোয়েন্দা নজরদারি ও তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর অভিযানের মাধ্যমে শেষ পর্যন্ত তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়।

গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

র‍্যাব-১৫ জানিয়েছে, সন্ত্রাস, মাদক ও অন্যান্য অপরাধ দমনে তাদের গোয়েন্দা তৎপরতা এবং বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।