ঢাকা ০৩:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিশ্বকাপে ইরান দলের ওপর আরোপ করা ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা শিথিল করলো যুক্তরাষ্ট্র নকল পেলে শিক্ষার্থী ও প্রতিষ্ঠান প্রধানকে আইনের আওতায় আনা হবে : শিক্ষামন্ত্রী পাহাড়ি ঢল ও টানা ভারী বর্ষণে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে বেইজিংয়ের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক সাংসদ কণ্ঠশিল্পী মমতাজ ফের গ্রেপ্তার কাপাসিয়ায় ঢাকা- কিশোরগঞ্জ সড়কে ভাঙ্গন : দুর্ঘটনার আশংকা রামুতে র‌্যাবের অভিযানে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক শীর্ষ মাদক কারবারি সোনা মিয়া গ্রেফতার। চকরিয়ায় মৎস্য চাষীদের মাঝে এরেটর ও মাছের খাদ্য বিতরণ কুবিতে সাহিত্যিক ও সম্পাদক মোহাম্মদ লুৎফর রহমানের স্মরণে সেমিনার  ইসলামপুরে উড়ো চিঠিতে সেচ্ছাসেবক দল নেতাকে হত্যার হুমকি

পাহাড়ি ঢল ও টানা ভারী বর্ষণে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:১১:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬ ২৬ বার পড়া হয়েছে
নিউজ ভিশনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভারতের গজলডোবা ব্যারাজের সব গেট খুলে দেওয়ায় উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা ভারী বর্ষণের কারণে উত্তর-পূর্বাঞ্চলসহ দেশের বেশকিছু এলাকায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। এরই মধ্যে ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার বিপৎসীমা অতিক্রম করায় পানি নিয়ন্ত্রণে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি তথা সব গেট খুলে দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।

এছাড়া কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, সিরাজগঞ্জ ও সুনামগঞ্জের মতো নদী-তীরবর্তী ও নিম্নাঞ্চলগুলোতে পানি বিপৎসীমা ছুঁইছুঁই করছে। পানির চাপ নিয়ন্ত্রণে তিস্তা ব্যারাজের সব গেট খুলে দেওয়ায় লালমনিরহাট, রংপুর, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধার চরাঞ্চলে পরিস্থিতি বেশ নাজুক। ক্রমেই প্লাবিত হচ্ছে নিম্নাঞ্চল।

গতকাল মঙ্গলবার পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের পূর্বাভাসে বলা হয়, দেশের সব প্রধান নদ-নদীসমূহ বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে তিস্তা নদী ডালিয়া (নীলফামারী) ও কাউনিয়া (রংপুর) স্টেশনে, সুরমা নদী ছাতক (সুনামগঞ্জ) স্টেশনে, কুশিয়ারা নদী ফেঞ্চুগঞ্জ (সিলেট) ও মারকুলি (সুনামগঞ্জ) স্টেশনে এবং সোমেশ্বরী নদী কলমাকান্দা (নেত্রকোনা) স্টেশনে সতর্কসীমায় প্রবাহিত হচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে গতকাল সন্ধ্যায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী পার্থ প্রতীম বড়ুয়া আমার দেশকে বলেন, ভারী বৃষ্টিপাতের প্রভাবে তিস্তা ও ধরলা নদীর পানি বেড়ে উত্তরের চার জেলায় সাময়িকভাবে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

ভারী বৃষ্টি এবং ভারতের গজলডোবা ব্যারাজের সব গেট খুলে দেওয়ায় তিস্তার পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। গতকাল বেলা তিনটায় তিস্তার পানি ডালিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার এক সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি পরিস্থিতি সামাল দিতে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট সার্বক্ষণিক খুলে দিয়ে পানি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

স্থানীয় পাউবো সূত্র জানিয়েছে, আগামী দুই-তিনদিন এই অঞ্চলে ভারী বর্ষণ ও উজানের ঢল অব্যাহত থাকতে পারে। এতে লালমনিরহাট, রংপুর, নীলফামারী, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

পাহাড়ি ঢল ও টানা ভারী বর্ষণে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে

আপডেট সময় : ০১:১১:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

ভারতের গজলডোবা ব্যারাজের সব গেট খুলে দেওয়ায় উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা ভারী বর্ষণের কারণে উত্তর-পূর্বাঞ্চলসহ দেশের বেশকিছু এলাকায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। এরই মধ্যে ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার বিপৎসীমা অতিক্রম করায় পানি নিয়ন্ত্রণে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি তথা সব গেট খুলে দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।

এছাড়া কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, সিরাজগঞ্জ ও সুনামগঞ্জের মতো নদী-তীরবর্তী ও নিম্নাঞ্চলগুলোতে পানি বিপৎসীমা ছুঁইছুঁই করছে। পানির চাপ নিয়ন্ত্রণে তিস্তা ব্যারাজের সব গেট খুলে দেওয়ায় লালমনিরহাট, রংপুর, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধার চরাঞ্চলে পরিস্থিতি বেশ নাজুক। ক্রমেই প্লাবিত হচ্ছে নিম্নাঞ্চল।

গতকাল মঙ্গলবার পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের পূর্বাভাসে বলা হয়, দেশের সব প্রধান নদ-নদীসমূহ বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে তিস্তা নদী ডালিয়া (নীলফামারী) ও কাউনিয়া (রংপুর) স্টেশনে, সুরমা নদী ছাতক (সুনামগঞ্জ) স্টেশনে, কুশিয়ারা নদী ফেঞ্চুগঞ্জ (সিলেট) ও মারকুলি (সুনামগঞ্জ) স্টেশনে এবং সোমেশ্বরী নদী কলমাকান্দা (নেত্রকোনা) স্টেশনে সতর্কসীমায় প্রবাহিত হচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে গতকাল সন্ধ্যায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী পার্থ প্রতীম বড়ুয়া আমার দেশকে বলেন, ভারী বৃষ্টিপাতের প্রভাবে তিস্তা ও ধরলা নদীর পানি বেড়ে উত্তরের চার জেলায় সাময়িকভাবে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

ভারী বৃষ্টি এবং ভারতের গজলডোবা ব্যারাজের সব গেট খুলে দেওয়ায় তিস্তার পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। গতকাল বেলা তিনটায় তিস্তার পানি ডালিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার এক সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি পরিস্থিতি সামাল দিতে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট সার্বক্ষণিক খুলে দিয়ে পানি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

স্থানীয় পাউবো সূত্র জানিয়েছে, আগামী দুই-তিনদিন এই অঞ্চলে ভারী বর্ষণ ও উজানের ঢল অব্যাহত থাকতে পারে। এতে লালমনিরহাট, রংপুর, নীলফামারী, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।