ঢাকা ০৭:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ইবিতে জিপিএসভিত্তিক জিওস্পেশিয়াল প্রযুক্তি বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ জয়ে স্পেনের জাতীয় ফুটবল দলকে অভিনন্দন জানালেন এরদোয়ান সংসদ অভিমুখে তেলাপোকা জনতা পার্টি ; পুলিশের সাথে সংঘর্ষ জামায়াতের উত্থান দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি : প্রতিমন্ত্রী নুর প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী হলেন রাশেদ খাঁন যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি জাকির হোসেন নান্নু মারা গেছেন নাইক্ষ্যংছড়িতে ১১ বিজিবির পৃথক অভিযানে ৬ বার্মিজ গরু ও ৭৫০ কেজি ইউরিয়া সার জব্দ শহীদ শিল্পী আব্দুল্লাহ আল তাহির দুর্যোগে থেমে থাকেননি, বন্যার্ত মানুষের পাশে মানবিক শওকত হোসেন ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাস নিয়ে কুবি কুইজ সোসাইটির কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

অধিনায়কের পরিকল্পনায় সীমান্তে চোরাচালানবিরোধী অভিযানে সাফল্যের ধারাবাহিকতা

নাইক্ষ্যংছড়িতে ১১ বিজিবির পৃথক অভিযানে ৬ বার্মিজ গরু ও ৭৫০ কেজি ইউরিয়া সার জব্দ

মো:জাবেদুল আনোয়ার, কক্সবাজার
  • আপডেট সময় : ১১:৫৯:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬ ৩১ বার পড়া হয়েছে
নিউজ ভিশনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে ধারাবাহিক সফলতা অব্যাহত রেখেছে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)। ব্যাটালিয়নের অধিনায়কের প্রত্যক্ষ পরিকল্পনা, দিকনির্দেশনা এবং গোয়েন্দা তৎপরতার ভিত্তিতে পরিচালিত পৃথক দুটি অভিযানে মালিকবিহীন ৬টি বার্মিজ গরু ও ৭৫০ কেজি ইউরিয়া সার জব্দ করা হয়েছে। জব্দকৃত মালামালের মোট আনুমানিক মূল্য ১২ লাখ ২২ হাজার ৫০০ টাকা।

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, রবিবার (১৯ জুলাই ২০২৬) রাত আনুমানিক ১২টা ৩০ মিনিটে ব্যাটালিয়ন সদরের বিশেষ টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সিদ্দিকের ঘোনা খামারবাড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে মালিকবিহীন ৬টি বার্মিজ গরু জব্দ করে। যার আনুমানিক বাজারমূল্য ১২ লাখ টাকা।

একই দিন সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টা ৩০ মিনিটে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নের অধিনায়কের প্রত্যক্ষ পরিকল্পনা ও দিকনির্দেশনায় ব্যাটালিয়ন সদরের টহলদল চলমান বৈরী আবহাওয়ার সুযোগে সীমান্ত দিয়ে সার পাচার ঠেকাতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় দায়িত্বপূর্ণ এলাকার দোছড়ি এলাকা থেকে মালিকবিহীন ৭৫০ কেজি (১৫ বস্তা) ইউরিয়া সার জব্দ করা হয়। জব্দকৃত সারের আনুমানিক মূল্য ২২ হাজার ৫০০ টাকা।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে চোরাচালান, মাদক, অবৈধ পণ্য ও সীমান্ত অপরাধ দমনে ১১ বিজিবির অভিযানে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জিত হয়েছে। বিশেষ করে অধিনায়কের নেতৃত্বে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার, নিয়মিত টহল বৃদ্ধি এবং ঝুঁকিপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনার ফলে পাচারকারীদের তৎপরতা অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে এসেছে।

বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় সম্পদ সুরক্ষা, চোরাচালান ও অবৈধ পণ্য পাচার প্রতিরোধে তাদের অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে। সীমান্ত এলাকায় যেকোনো ধরনের অপরাধ দমনে গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল কার্যক্রম ভবিষ্যতেও কঠোরভাবে অব্যাহত থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

অধিনায়কের পরিকল্পনায় সীমান্তে চোরাচালানবিরোধী অভিযানে সাফল্যের ধারাবাহিকতা

নাইক্ষ্যংছড়িতে ১১ বিজিবির পৃথক অভিযানে ৬ বার্মিজ গরু ও ৭৫০ কেজি ইউরিয়া সার জব্দ

আপডেট সময় : ১১:৫৯:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে ধারাবাহিক সফলতা অব্যাহত রেখেছে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)। ব্যাটালিয়নের অধিনায়কের প্রত্যক্ষ পরিকল্পনা, দিকনির্দেশনা এবং গোয়েন্দা তৎপরতার ভিত্তিতে পরিচালিত পৃথক দুটি অভিযানে মালিকবিহীন ৬টি বার্মিজ গরু ও ৭৫০ কেজি ইউরিয়া সার জব্দ করা হয়েছে। জব্দকৃত মালামালের মোট আনুমানিক মূল্য ১২ লাখ ২২ হাজার ৫০০ টাকা।

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, রবিবার (১৯ জুলাই ২০২৬) রাত আনুমানিক ১২টা ৩০ মিনিটে ব্যাটালিয়ন সদরের বিশেষ টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সিদ্দিকের ঘোনা খামারবাড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে মালিকবিহীন ৬টি বার্মিজ গরু জব্দ করে। যার আনুমানিক বাজারমূল্য ১২ লাখ টাকা।

একই দিন সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টা ৩০ মিনিটে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নের অধিনায়কের প্রত্যক্ষ পরিকল্পনা ও দিকনির্দেশনায় ব্যাটালিয়ন সদরের টহলদল চলমান বৈরী আবহাওয়ার সুযোগে সীমান্ত দিয়ে সার পাচার ঠেকাতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় দায়িত্বপূর্ণ এলাকার দোছড়ি এলাকা থেকে মালিকবিহীন ৭৫০ কেজি (১৫ বস্তা) ইউরিয়া সার জব্দ করা হয়। জব্দকৃত সারের আনুমানিক মূল্য ২২ হাজার ৫০০ টাকা।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে চোরাচালান, মাদক, অবৈধ পণ্য ও সীমান্ত অপরাধ দমনে ১১ বিজিবির অভিযানে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জিত হয়েছে। বিশেষ করে অধিনায়কের নেতৃত্বে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার, নিয়মিত টহল বৃদ্ধি এবং ঝুঁকিপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনার ফলে পাচারকারীদের তৎপরতা অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে এসেছে।

বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় সম্পদ সুরক্ষা, চোরাচালান ও অবৈধ পণ্য পাচার প্রতিরোধে তাদের অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে। সীমান্ত এলাকায় যেকোনো ধরনের অপরাধ দমনে গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল কার্যক্রম ভবিষ্যতেও কঠোরভাবে অব্যাহত থাকবে।