ঢাকা ০৯:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পটিয়ার চাপড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক ও কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা যেকোনো সময় ভারত সফরে যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রী আগামী মন্ত্রিসভার বৈঠকে উঠছে নবম জাতীয় পে স্কেল ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সাংবাদিককে হুমকি দিয়ে সংবাদ সরিয়ে নেওয়ার অপচেষ্টায় গ্র্যাজুয়েট প্রেস ক্লাবের নিন্দা ও প্রতিবাদ ঘুমধুম সীমান্তে ২ লক্ষ ৪৬ হাজার ইয়াবাসহ বিদেশী পিস্তল ও গুলি উদ্ধার বদরখালী কলোনিজেশন উচ্চ বিদ্যালয়ের সাদিয়া আফরিন কনকের গোল্ডেন A+ অর্জন বদরখালী ইউনিয়ন ছাত্রদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা রাষ্ট্রপতি পদে অলি আহমদের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ১১ দলীয় ঐক্যের

অধিনায়কের পরিকল্পনায় সীমান্তে চোরাচালানবিরোধী অভিযানে সাফল্যের ধারাবাহিকতা

নাইক্ষ্যংছড়িতে ১১ বিজিবির পৃথক অভিযানে ৬ বার্মিজ গরু ও ৭৫০ কেজি ইউরিয়া সার জব্দ

মো:জাবেদুল আনোয়ার, কক্সবাজার
  • আপডেট সময় : ১১:৫৯:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬ ৭৭ বার পড়া হয়েছে
নিউজ ভিশনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে ধারাবাহিক সফলতা অব্যাহত রেখেছে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)। ব্যাটালিয়নের অধিনায়কের প্রত্যক্ষ পরিকল্পনা, দিকনির্দেশনা এবং গোয়েন্দা তৎপরতার ভিত্তিতে পরিচালিত পৃথক দুটি অভিযানে মালিকবিহীন ৬টি বার্মিজ গরু ও ৭৫০ কেজি ইউরিয়া সার জব্দ করা হয়েছে। জব্দকৃত মালামালের মোট আনুমানিক মূল্য ১২ লাখ ২২ হাজার ৫০০ টাকা।

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, রবিবার (১৯ জুলাই ২০২৬) রাত আনুমানিক ১২টা ৩০ মিনিটে ব্যাটালিয়ন সদরের বিশেষ টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সিদ্দিকের ঘোনা খামারবাড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে মালিকবিহীন ৬টি বার্মিজ গরু জব্দ করে। যার আনুমানিক বাজারমূল্য ১২ লাখ টাকা।

একই দিন সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টা ৩০ মিনিটে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নের অধিনায়কের প্রত্যক্ষ পরিকল্পনা ও দিকনির্দেশনায় ব্যাটালিয়ন সদরের টহলদল চলমান বৈরী আবহাওয়ার সুযোগে সীমান্ত দিয়ে সার পাচার ঠেকাতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় দায়িত্বপূর্ণ এলাকার দোছড়ি এলাকা থেকে মালিকবিহীন ৭৫০ কেজি (১৫ বস্তা) ইউরিয়া সার জব্দ করা হয়। জব্দকৃত সারের আনুমানিক মূল্য ২২ হাজার ৫০০ টাকা।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে চোরাচালান, মাদক, অবৈধ পণ্য ও সীমান্ত অপরাধ দমনে ১১ বিজিবির অভিযানে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জিত হয়েছে। বিশেষ করে অধিনায়কের নেতৃত্বে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার, নিয়মিত টহল বৃদ্ধি এবং ঝুঁকিপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনার ফলে পাচারকারীদের তৎপরতা অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে এসেছে।

বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় সম্পদ সুরক্ষা, চোরাচালান ও অবৈধ পণ্য পাচার প্রতিরোধে তাদের অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে। সীমান্ত এলাকায় যেকোনো ধরনের অপরাধ দমনে গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল কার্যক্রম ভবিষ্যতেও কঠোরভাবে অব্যাহত থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

অধিনায়কের পরিকল্পনায় সীমান্তে চোরাচালানবিরোধী অভিযানে সাফল্যের ধারাবাহিকতা

নাইক্ষ্যংছড়িতে ১১ বিজিবির পৃথক অভিযানে ৬ বার্মিজ গরু ও ৭৫০ কেজি ইউরিয়া সার জব্দ

আপডেট সময় : ১১:৫৯:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে ধারাবাহিক সফলতা অব্যাহত রেখেছে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)। ব্যাটালিয়নের অধিনায়কের প্রত্যক্ষ পরিকল্পনা, দিকনির্দেশনা এবং গোয়েন্দা তৎপরতার ভিত্তিতে পরিচালিত পৃথক দুটি অভিযানে মালিকবিহীন ৬টি বার্মিজ গরু ও ৭৫০ কেজি ইউরিয়া সার জব্দ করা হয়েছে। জব্দকৃত মালামালের মোট আনুমানিক মূল্য ১২ লাখ ২২ হাজার ৫০০ টাকা।

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, রবিবার (১৯ জুলাই ২০২৬) রাত আনুমানিক ১২টা ৩০ মিনিটে ব্যাটালিয়ন সদরের বিশেষ টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সিদ্দিকের ঘোনা খামারবাড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে মালিকবিহীন ৬টি বার্মিজ গরু জব্দ করে। যার আনুমানিক বাজারমূল্য ১২ লাখ টাকা।

একই দিন সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টা ৩০ মিনিটে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নের অধিনায়কের প্রত্যক্ষ পরিকল্পনা ও দিকনির্দেশনায় ব্যাটালিয়ন সদরের টহলদল চলমান বৈরী আবহাওয়ার সুযোগে সীমান্ত দিয়ে সার পাচার ঠেকাতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় দায়িত্বপূর্ণ এলাকার দোছড়ি এলাকা থেকে মালিকবিহীন ৭৫০ কেজি (১৫ বস্তা) ইউরিয়া সার জব্দ করা হয়। জব্দকৃত সারের আনুমানিক মূল্য ২২ হাজার ৫০০ টাকা।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে চোরাচালান, মাদক, অবৈধ পণ্য ও সীমান্ত অপরাধ দমনে ১১ বিজিবির অভিযানে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জিত হয়েছে। বিশেষ করে অধিনায়কের নেতৃত্বে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার, নিয়মিত টহল বৃদ্ধি এবং ঝুঁকিপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনার ফলে পাচারকারীদের তৎপরতা অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে এসেছে।

বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় সম্পদ সুরক্ষা, চোরাচালান ও অবৈধ পণ্য পাচার প্রতিরোধে তাদের অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে। সীমান্ত এলাকায় যেকোনো ধরনের অপরাধ দমনে গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল কার্যক্রম ভবিষ্যতেও কঠোরভাবে অব্যাহত থাকবে।