ঢাকা ০৯:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কক্সবাজারের প্রবীণ সাংবাদিক আতাহার ইকবালের ইন্তেকালে গ্র্যাজুয়েট প্রেসক্লাব কক্সবাজারের শোক আগামী বছরের শুরুতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন-মির্জা ফখরুল কুবি উচ্চ শিক্ষা সেলের নতুন তত্ত্বাবধায়ক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার গাজী নজরুল এমপির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে জামায়াত চকরিয়া পৌরসভার তরছঘাট সড়কের বেহাল দশা! এক সপ্তাহেই শেষ আট মাসের পরিশ্রম, বন্যায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতিতে কৃষক ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেনের অভিযোগে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা বরখাস্ত সমিতিপাড়ায় কিশোর সুকান্ত হত্যা মামলার পলাতক আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তার ভিক্ষুকদের আত্মনির্ভরশীল করতে সমাজসেবা অফিসের উদ্যোগ চট্টগ্রাম জব ফেয়ার ২০২৬-এ ‘বেস্ট ক্লাব পার্টনার অ্যাওয়ার্ড’ পেল ইয়ুথ এন্ডিং হাঙ্গার চট্টগ্রাম

চকরিয়ায় জলাবদ্ধতা নিরসন ও কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির নতুন আশা

মোঃ সাঈদী আকবর ফয়সাল
  • আপডেট সময় : ০৭:২৫:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬ ৭৩ বার পড়া হয়েছে
নিউজ ভিশনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

তুতুকখালী খাল পুনঃখননে গতি, সুফল পাবেন হাজারো কৃষক

নিজস্ব প্রতিবেদক:
কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার কৈয়ারবিল ইউনিয়নের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসন ও কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে তুতুকখালী খাল পুনঃখনন প্রকল্পে দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়েছে। বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) বাস্তবায়িত এ প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে নিয়মিত তদারকি করছেন বিএডিসি চকরিয়া কার্যালয়ের উপ-প্রকৌশলী মো. মোজাম্মেল।

স্থানীয়দের মতে, দীর্ঘদিন ধরে খালের তলদেশে পলি জমে পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় আশপাশের কৃষিজমিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছিল। এতে অনেক জমি অনাবাদি হয়ে পড়ার পাশাপাশি সেচ ব্যবস্থাও ব্যাহত হয়। খালটি পুনঃখনন সম্পন্ন হলে কৃষকদের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কমবে এবং কৃষিতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ২ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের তুতুকখালী খাল পুনঃখননের জন্য ১৮ লাখ ৯০ হাজার টাকা ব্যয়ে প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। সরদার এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. আশরাফুল ইসলাম ১৭ লাখ ৬৮ হাজার টাকায় প্রকল্পটির বাস্তবায়ন কাজ করছেন।

কৈয়ারবিল এলাকার বাসিন্দা ও কৃষক ওসমান বলেন, “খালের স্বাভাবিক পানি প্রবাহ ফিরিয়ে আনা গেলে এলাকার কয়েক হাজার কৃষক উপকৃত হবেন। একাধিক মৌসুমে চাষাবাদ করা সম্ভব হবে এবং ফসল উৎপাদন বাড়বে।”

এদিকে বিএডিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সরেজমিনে প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করে কাজের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করেছেন। তারা নির্ধারিত সময় ও পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজের মান বজায় রেখে সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেন।

বিএডিসির উপ-প্রকৌশলী মো. মোজাম্মেল বলেন, “খাল পুনঃখননের মূল লক্ষ্য হলো পানির স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করা, জলাবদ্ধতা কমানো এবং কৃষকদের জন্য টেকসই সেচ সুবিধা তৈরি করা। কৃষিবান্ধব এ উদ্যোগ সফল করতে আমরা সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছি।”

স্থানীয় কৃষক ও বাসিন্দারা আশা করছেন, প্রকল্পের কাজ শেষ হলে এলাকার কৃষিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে, ফসলের উৎপাদন বাড়বে এবং দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতার সমস্যা অনেকটাই দূর হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

চকরিয়ায় জলাবদ্ধতা নিরসন ও কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির নতুন আশা

আপডেট সময় : ০৭:২৫:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

তুতুকখালী খাল পুনঃখননে গতি, সুফল পাবেন হাজারো কৃষক

নিজস্ব প্রতিবেদক:
কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার কৈয়ারবিল ইউনিয়নের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসন ও কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে তুতুকখালী খাল পুনঃখনন প্রকল্পে দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়েছে। বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) বাস্তবায়িত এ প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে নিয়মিত তদারকি করছেন বিএডিসি চকরিয়া কার্যালয়ের উপ-প্রকৌশলী মো. মোজাম্মেল।

স্থানীয়দের মতে, দীর্ঘদিন ধরে খালের তলদেশে পলি জমে পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় আশপাশের কৃষিজমিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছিল। এতে অনেক জমি অনাবাদি হয়ে পড়ার পাশাপাশি সেচ ব্যবস্থাও ব্যাহত হয়। খালটি পুনঃখনন সম্পন্ন হলে কৃষকদের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কমবে এবং কৃষিতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ২ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের তুতুকখালী খাল পুনঃখননের জন্য ১৮ লাখ ৯০ হাজার টাকা ব্যয়ে প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। সরদার এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. আশরাফুল ইসলাম ১৭ লাখ ৬৮ হাজার টাকায় প্রকল্পটির বাস্তবায়ন কাজ করছেন।

কৈয়ারবিল এলাকার বাসিন্দা ও কৃষক ওসমান বলেন, “খালের স্বাভাবিক পানি প্রবাহ ফিরিয়ে আনা গেলে এলাকার কয়েক হাজার কৃষক উপকৃত হবেন। একাধিক মৌসুমে চাষাবাদ করা সম্ভব হবে এবং ফসল উৎপাদন বাড়বে।”

এদিকে বিএডিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সরেজমিনে প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করে কাজের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করেছেন। তারা নির্ধারিত সময় ও পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজের মান বজায় রেখে সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেন।

বিএডিসির উপ-প্রকৌশলী মো. মোজাম্মেল বলেন, “খাল পুনঃখননের মূল লক্ষ্য হলো পানির স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করা, জলাবদ্ধতা কমানো এবং কৃষকদের জন্য টেকসই সেচ সুবিধা তৈরি করা। কৃষিবান্ধব এ উদ্যোগ সফল করতে আমরা সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছি।”

স্থানীয় কৃষক ও বাসিন্দারা আশা করছেন, প্রকল্পের কাজ শেষ হলে এলাকার কৃষিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে, ফসলের উৎপাদন বাড়বে এবং দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতার সমস্যা অনেকটাই দূর হবে।