ঢাকা ০৮:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কুবি উচ্চ শিক্ষা সেলের নতুন তত্ত্বাবধায়ক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার গাজী নজরুল এমপির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে জামায়াত চকরিয়া পৌরসভার তরছঘাট সড়কের বেহাল দশা! এক সপ্তাহেই শেষ আট মাসের পরিশ্রম, বন্যায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতিতে কৃষক ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেনের অভিযোগে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা বরখাস্ত সমিতিপাড়ায় কিশোর সুকান্ত হত্যা মামলার পলাতক আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তার ভিক্ষুকদের আত্মনির্ভরশীল করতে সমাজসেবা অফিসের উদ্যোগ চট্টগ্রাম জব ফেয়ার ২০২৬-এ ‘বেস্ট ক্লাব পার্টনার অ্যাওয়ার্ড’ পেল ইয়ুথ এন্ডিং হাঙ্গার চট্টগ্রাম ইবিতে জিপিএসভিত্তিক জিওস্পেশিয়াল প্রযুক্তি বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ জয়ে স্পেনের জাতীয় ফুটবল দলকে অভিনন্দন জানালেন এরদোয়ান

উত্তর ইসলামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সীমানা প্রাচীর ও গেট নির্মাণের জোর দাবি

রোকনুজ্জামান সবুজ, জামালপুর প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৯:০৭:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬ ১৪২ বার পড়া হয়েছে
নিউজ ভিশনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

জামালপুরের ইসলামপুর পৌরশহরে উত্তর কিসামতজাল্লা (হরিসভা) প্রাণকেন্দ্র এলাকায় অবস্থিত উত্তর ইসলামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়নের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী,অভিভাবক ও সচেতন মহল।

শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা এবং শিক্ষার অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করতে বিদ্যালয়টিতে জরুরি ভিত্তিতে নতুন ভবন, সীমানা প্রাচীর,প্রধান গেট এবং উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থা নির্মাণের দাবি উঠেছে।

বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে ২০৫ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। তবে দীর্ঘদিন ধরে পর্যাপ্ত অবকাঠামোগত সুবিধার অভাবে শিক্ষার্থীরা নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। বিশেষ করে বিদ্যালয়ের চারপাশে সীমানা প্রাচীর ও প্রধান ফটক না থাকায় শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এছাড়া নারী শিক্ষিকাদের বিদ্যালয় মাঠে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা তদারকি করতে নানা অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়। বিদ্যালয়টি সড়কের পাশে অবস্থিত হওয়ায় শিশু শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে অভিভাবকদের উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে। এর ফলে পাঠদান কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের চলাচলেও চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খোরশেদ আলম বলেন, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং একটি সুন্দর, সুশৃঙ্খল ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে বর্তমানে বিদ্যমান সাতটি শিক্ষকের পদের পাশাপাশি আরও দুই থেকে তিনটি শিক্ষক পদ সৃষ্টির জোর দাবি জানাচ্ছি। একই সঙ্গে বিদ্যালয়ে দ্রুত সীমানা প্রাচীর ও প্রধান ফটক নির্মাণ করা অত্যন্ত জরুরি।

তিনি আরও বলেন,বিদ্যালয়ের একটি শ্রেণিকক্ষ বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পরিচালিত হচ্ছে, যা শিক্ষার্থীদের জন্য উদ্বেগের বিষয়। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে আমরা প্রত্যাশা করছি।

উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবির আহম্মেদ বিপুল বলেন,পৌর শহরের গুরুত্বপূর্ণ এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অবকাঠামোগত সমস্যায় ভুগছে। শিক্ষক,শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের স্বার্থে দ্রুত উন্নয়নমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাহানারা খাতুন জানান,বিদ্যালয়ের বিভিন্ন সমস্যার কথা জেনে আমরা মন্ত্রণালয়ে বিষয়টি অবহিত করেছেন। বিদ্যালয়টির জন্য একটি নতুন ভবন ও সীমানা প্রাচীর নির্মাণের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুল হুসাইন বলেন, বিদ্যালয়টির অবকাঠামোগত সমস্যার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হবে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এলাকাবাসীর দাবি,শিক্ষার্থীদের নিরাপদ ও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে দ্রুত সময়ের মধ্যে বিদ্যালয়ের নতুন ভবন,সীমানা প্রাচীর, প্রধান গেট ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হোক। তাদের মতে, এসব উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়িত হলে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি বিদ্যালয়ের সামগ্রিক শিক্ষা পরিবেশ ও কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

উত্তর ইসলামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সীমানা প্রাচীর ও গেট নির্মাণের জোর দাবি

আপডেট সময় : ০৯:০৭:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

জামালপুরের ইসলামপুর পৌরশহরে উত্তর কিসামতজাল্লা (হরিসভা) প্রাণকেন্দ্র এলাকায় অবস্থিত উত্তর ইসলামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়নের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী,অভিভাবক ও সচেতন মহল।

শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা এবং শিক্ষার অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করতে বিদ্যালয়টিতে জরুরি ভিত্তিতে নতুন ভবন, সীমানা প্রাচীর,প্রধান গেট এবং উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থা নির্মাণের দাবি উঠেছে।

বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে ২০৫ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। তবে দীর্ঘদিন ধরে পর্যাপ্ত অবকাঠামোগত সুবিধার অভাবে শিক্ষার্থীরা নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। বিশেষ করে বিদ্যালয়ের চারপাশে সীমানা প্রাচীর ও প্রধান ফটক না থাকায় শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এছাড়া নারী শিক্ষিকাদের বিদ্যালয় মাঠে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা তদারকি করতে নানা অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়। বিদ্যালয়টি সড়কের পাশে অবস্থিত হওয়ায় শিশু শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে অভিভাবকদের উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে। এর ফলে পাঠদান কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের চলাচলেও চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খোরশেদ আলম বলেন, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং একটি সুন্দর, সুশৃঙ্খল ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে বর্তমানে বিদ্যমান সাতটি শিক্ষকের পদের পাশাপাশি আরও দুই থেকে তিনটি শিক্ষক পদ সৃষ্টির জোর দাবি জানাচ্ছি। একই সঙ্গে বিদ্যালয়ে দ্রুত সীমানা প্রাচীর ও প্রধান ফটক নির্মাণ করা অত্যন্ত জরুরি।

তিনি আরও বলেন,বিদ্যালয়ের একটি শ্রেণিকক্ষ বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পরিচালিত হচ্ছে, যা শিক্ষার্থীদের জন্য উদ্বেগের বিষয়। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে আমরা প্রত্যাশা করছি।

উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবির আহম্মেদ বিপুল বলেন,পৌর শহরের গুরুত্বপূর্ণ এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অবকাঠামোগত সমস্যায় ভুগছে। শিক্ষক,শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের স্বার্থে দ্রুত উন্নয়নমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাহানারা খাতুন জানান,বিদ্যালয়ের বিভিন্ন সমস্যার কথা জেনে আমরা মন্ত্রণালয়ে বিষয়টি অবহিত করেছেন। বিদ্যালয়টির জন্য একটি নতুন ভবন ও সীমানা প্রাচীর নির্মাণের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুল হুসাইন বলেন, বিদ্যালয়টির অবকাঠামোগত সমস্যার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হবে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এলাকাবাসীর দাবি,শিক্ষার্থীদের নিরাপদ ও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে দ্রুত সময়ের মধ্যে বিদ্যালয়ের নতুন ভবন,সীমানা প্রাচীর, প্রধান গেট ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হোক। তাদের মতে, এসব উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়িত হলে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি বিদ্যালয়ের সামগ্রিক শিক্ষা পরিবেশ ও কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।