ইবিতে সাজিদ হত্যার এক বছর: ব্যতিক্রমী আয়োজনে স্মরণ শিক্ষার্থীদের
- আপডেট সময় : ১২:১০:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬ ৩৪ বার পড়া হয়েছে
ই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাজিদের হত্যাকান্ডের এক বছর পূর্ণ হওয়ায় স্মৃতিচারণ, দোয়া ও মাগফিরাত কামনায়
‘স্মরণে শহীদ সাজিদ আব্দুল্লাহ ‘আয়োজন করেছে শিক্ষার্থীরা। শুক্রবার (১৭ জুলাই) রাত ৮টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে জাস্টিস ফর সাজিদ আব্দুল্লাহ ব্যানারে এ আয়োজন করা হয়।
এসময় শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আনেয়ার পারভেজ, ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি ইসমাইল হোসেন রাহাত, শাখা ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক ফুয়াদ হাসান-সহ শিক্ষার্থীরা উপস্থিতি ছিলেন।
অনুষ্ঠানটি পবিত্র আল-কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হয়। পরে শহিদ সাজিদ আব্দুল্লাহকে স্মরণ করে কবিতা আবৃত্তি, তার প্রতিষ্ঠিত সংগঠন ‘মেহফিল’-এর পরিবেশনায় কাওয়ালি, তার জীবন ও কর্ম নিয়ে স্মৃতিচারণ, দ্রোহের কবিতা পাঠ এবং তাকে নিয়ে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র (ডকুমেন্টারি) প্রদর্শন করা হয়। সবশেষে তার রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের ইবি শাখার সভাপতি ইসমাইল হোসেন রাহাত বলেন, সাজিদ ক্যাম্পাসে আসার পর থেকেই আমাদের পরিচয়। আমরা একসাথে এই ক্যাম্পাসে শবে বরাতের অনুষ্ঠান, মহররমের অনুষ্ঠান, আশুরার অনুষ্ঠান এগুলো করতাম। সাজিদ কালচারাল ফ্যাসিস্টদের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো আমাদের সহযোদ্ধা। আমরা দাবি জানাচ্ছি, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন রাষ্ট্রীয় প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে সাজিদের হত্যাকারীদের শনাক্তের মাধ্যমে বিচারের আওতায় আনবেন।
শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার পারভেজ সাজিদের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলেন, ক্যাম্পাসে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ হলে সবসময় তাকে হাসিখুশি দেখতাম। সে ছিল একজন হাফেজ, আমার একটা ছোটভাই আছে সেও হাফেজ। আমার পিতা মাতা জানে একটা সন্তানকে হাফেজ বানাতে তাদের কি রকম কষ্ট করতে হয়েছে। তার পরিবারকে ক্ষতিপূরণসহ আমি বর্তমান প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি, যত দ্রুত সম্ভব সাজিদ হত্যার তদন্ত ও বিচার করতে হবে।
প্রসঙ্গত, গত বছরের ১৭ জুলাই বিকেলে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহ আজিজুর রহমান হলসংলগ্ন পুকুর থেকে সাজিদ আব্দুল্লাহর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ৩ আগস্ট প্রকাশিত ভিসেরা প্রতিবেদনে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।






















