ঢাকা ০৮:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কুবি উচ্চ শিক্ষা সেলের নতুন তত্ত্বাবধায়ক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার গাজী নজরুল এমপির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে জামায়াত চকরিয়া পৌরসভার তরছঘাট সড়কের বেহাল দশা! এক সপ্তাহেই শেষ আট মাসের পরিশ্রম, বন্যায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতিতে কৃষক ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেনের অভিযোগে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা বরখাস্ত সমিতিপাড়ায় কিশোর সুকান্ত হত্যা মামলার পলাতক আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তার ভিক্ষুকদের আত্মনির্ভরশীল করতে সমাজসেবা অফিসের উদ্যোগ চট্টগ্রাম জব ফেয়ার ২০২৬-এ ‘বেস্ট ক্লাব পার্টনার অ্যাওয়ার্ড’ পেল ইয়ুথ এন্ডিং হাঙ্গার চট্টগ্রাম ইবিতে জিপিএসভিত্তিক জিওস্পেশিয়াল প্রযুক্তি বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ জয়ে স্পেনের জাতীয় ফুটবল দলকে অভিনন্দন জানালেন এরদোয়ান

আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারে অনন্য ভুমিকা পালনে পুরস্কৃত ইন্সপেক্টর মো. মাসুদ

নুরুল ইসলাম সুমন, কক্সবাজার
  • আপডেট সময় : ১১:৫৬:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬ ১২৪ বার পড়া হয়েছে
নিউজ ভিশনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

কক্সবাজারের চকরিয়ায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কৃতিত্বপূর্ণ ও প্রশংসনীয় কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ আলোচিত বসতবাড়িতে ডাকাতি ও মা-মেয়েকে গণধর্ষণ মামলার রহস্য উদঘাটন এবং আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারে অনন্য ভুমিকা পালনে মাতামুহুরী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মো. মাসুদ এর তাঁর সঙ্গীয় চার পুলিশ সদস্যকে পুরস্কৃত করেছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

শনিবার (২০ জুন) দুপুরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে চার পুলিশ সদস্যের পক্ষে ইন্সপেক্টর মোঃ মাসুদ এর হাতে পুরস্কার তুলে দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১০ জুন রাতে কক্সবাজারের চকরিয়া থানা এলাকার আওতাধীন পুর্ববড় ভেওলা ইউনিয়নের একটি বসতবাড়ির গ্রিল কেটে সংঘবদ্ধ ডাকাত দল নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার লুট করে। একই সঙ্গে বাড়িতে অবস্থানরত মা ও মেয়ের ওপর পাশবিক নির্যাতন চালিয়ে গণধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধ সংঘটিত হয়।

ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে এবং দ্রুত অপরাধীদের গ্রেপ্তারের দাবি ওঠে।

ঘটনার পরপরই চকরিয়া উপজেলার মাতামুহুরী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (আইসি) পুলিশ পরিদর্শক মো. মাসুদের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টিম তদন্ত শুরু করে। ভুক্তভোগীদের উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয় এবং বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে অল্প সময়ের মধ্যেই ঘটনায় জড়িত ৭ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ২ জন আসামি ইতোমধ্যে ফৌজদারি কার্যবিধি ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে অপরাধের দায় স্বীকারও করেছেন।

তড়িৎ গতিতে আলোচিত মামলাটির তদন্তে দক্ষতা, পেশাদারিত্ব ও দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য মাতামুহুরী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (আইসি) ইন্সপেক্টর মো. মাসুদ, অভিযান পরিচালনাকারী সঙ্গীয় পুলিশের এএসআই সজীব দাস, কনস্টেবল মাহফুজুর রহমান এবং কনস্টেবল হেফাজত হোসেনকে পুরস্কৃত করেছেন চকরিয়া পেকুয়া (কক্সবাজার-১) আসনের সংসদ সদস্য ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কক্সবাজারের জেলা পুলিশ সুপার এএনএম সাজেদুর রহমান বলেন, পুলিশ সদস্যদের এ সাফল্য অপরাধ দমনে কার্যকর ভূমিকা এবং ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

পাশাপাশি দ্রুত সময়ে জড়িত ডাকাত দলের ৭ সদস্যকে গ্রেফতার করে মামলার তদন্তের অগ্রগতি সাধন এবং অপরাধ নির্মুলে সাহসিকতার পরিচয় দিয়ে সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যরা চকরিয়াবাসির কাছে প্রশংসিত হয়েছেন।

তাঁর আগে গত ১২ জুন তারিখে পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি (উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক) মো. মনিরুজ্জামান কতৃক ডাকাতি ও মা-মেয়েকে পাশবিক নির্যাতনের ঘটনায় জড়িত ডাকাতদের ধরতে ভুমিকা রাখায় ইন্সপেক্টর মোঃ মাসুদকে একইভাবে পুরস্কৃত করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারে অনন্য ভুমিকা পালনে পুরস্কৃত ইন্সপেক্টর মো. মাসুদ

আপডেট সময় : ১১:৫৬:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

কক্সবাজারের চকরিয়ায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কৃতিত্বপূর্ণ ও প্রশংসনীয় কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ আলোচিত বসতবাড়িতে ডাকাতি ও মা-মেয়েকে গণধর্ষণ মামলার রহস্য উদঘাটন এবং আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারে অনন্য ভুমিকা পালনে মাতামুহুরী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মো. মাসুদ এর তাঁর সঙ্গীয় চার পুলিশ সদস্যকে পুরস্কৃত করেছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

শনিবার (২০ জুন) দুপুরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে চার পুলিশ সদস্যের পক্ষে ইন্সপেক্টর মোঃ মাসুদ এর হাতে পুরস্কার তুলে দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১০ জুন রাতে কক্সবাজারের চকরিয়া থানা এলাকার আওতাধীন পুর্ববড় ভেওলা ইউনিয়নের একটি বসতবাড়ির গ্রিল কেটে সংঘবদ্ধ ডাকাত দল নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার লুট করে। একই সঙ্গে বাড়িতে অবস্থানরত মা ও মেয়ের ওপর পাশবিক নির্যাতন চালিয়ে গণধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধ সংঘটিত হয়।

ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে এবং দ্রুত অপরাধীদের গ্রেপ্তারের দাবি ওঠে।

ঘটনার পরপরই চকরিয়া উপজেলার মাতামুহুরী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (আইসি) পুলিশ পরিদর্শক মো. মাসুদের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টিম তদন্ত শুরু করে। ভুক্তভোগীদের উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয় এবং বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে অল্প সময়ের মধ্যেই ঘটনায় জড়িত ৭ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ২ জন আসামি ইতোমধ্যে ফৌজদারি কার্যবিধি ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে অপরাধের দায় স্বীকারও করেছেন।

তড়িৎ গতিতে আলোচিত মামলাটির তদন্তে দক্ষতা, পেশাদারিত্ব ও দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য মাতামুহুরী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (আইসি) ইন্সপেক্টর মো. মাসুদ, অভিযান পরিচালনাকারী সঙ্গীয় পুলিশের এএসআই সজীব দাস, কনস্টেবল মাহফুজুর রহমান এবং কনস্টেবল হেফাজত হোসেনকে পুরস্কৃত করেছেন চকরিয়া পেকুয়া (কক্সবাজার-১) আসনের সংসদ সদস্য ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কক্সবাজারের জেলা পুলিশ সুপার এএনএম সাজেদুর রহমান বলেন, পুলিশ সদস্যদের এ সাফল্য অপরাধ দমনে কার্যকর ভূমিকা এবং ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

পাশাপাশি দ্রুত সময়ে জড়িত ডাকাত দলের ৭ সদস্যকে গ্রেফতার করে মামলার তদন্তের অগ্রগতি সাধন এবং অপরাধ নির্মুলে সাহসিকতার পরিচয় দিয়ে সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যরা চকরিয়াবাসির কাছে প্রশংসিত হয়েছেন।

তাঁর আগে গত ১২ জুন তারিখে পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি (উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক) মো. মনিরুজ্জামান কতৃক ডাকাতি ও মা-মেয়েকে পাশবিক নির্যাতনের ঘটনায় জড়িত ডাকাতদের ধরতে ভুমিকা রাখায় ইন্সপেক্টর মোঃ মাসুদকে একইভাবে পুরস্কৃত করা হয়।