ঢাকা ০৬:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে আইনি কাঠামো ও আধুনিক চ্যালেঞ্জ নিয়ে বাইউস্টে সেমিনার অনুষ্ঠিত ‎শান্তিগঞ্জের রাজনীতিতে একজন সক্রিয় মুখ নজরুল ইসলামের উন্নয়ন প্রত্যয় ‎ ইবিতে শিবিরের বিক্ষোভ মিছিলে বহিরাগতদের উপস্থিতি ইবিতে শিক্ষকের স্ত্রীকে নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক: ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি গঠন শান্তিগঞ্জের রাজনীতিতে একজন সক্রিয় মুখ নজরুল ইসলামের উন্নয়ন প্রত্যয় চট্টগ্রাম ওয়াসার বিলিং সিস্টেম উন্নয়ন বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত কক্সবাজারের প্রবীণ সাংবাদিক আতাহার ইকবালের ইন্তেকালে গ্র্যাজুয়েট প্রেসক্লাব কক্সবাজারের শোক আগামী বছরের শুরুতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন-মির্জা ফখরুল কুবি উচ্চ শিক্ষা সেলের নতুন তত্ত্বাবধায়ক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার গাজী নজরুল এমপির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে জামায়াত

অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ, সহকারী জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদুল ইসলামকে ঘিরে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৬:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬ ৪৭ বার পড়া হয়েছে
নিউজ ভিশনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

নুরুল ইসলাম সুমন, পেকুয়া (কক্সবাজার) থেকে ফিরে

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার পেকুয়া সাব-জোনাল পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের সহকারী জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদুল ইসলামের বিরুদ্ধে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ, নষ্ট মিটার এবং সংযোগ নিয়মিতকরণে অনিয়ম ও অর্থ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পেকুয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের জালিয়াখালী গ্রামের এক গ্রাহকের মিটার অফিসে আনার পর একাধিক অবৈধ সংযোগের বিষয় সামনে আসে। অভিযোগ রয়েছে, সরকারি বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে অর্থের বিনিময়ে কিছু সংযোগ নিয়মিতকরণ বা সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, জালিয়ারপাড়া এলাকার এক গ্রাহকের কাছে সাব-লাইন স্থাপনের কথা বলে টাকা দাবি করা হয়। এ-সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে বলেও তারা দাবি করেন।

এ ছাড়া, স্থানীয়দের অভিযোগ, নষ্ট মিটার পরিবর্তন, অবৈধ সংযোগ, পুনঃসংযোগ ও নতুন সংযোগ দেওয়ার ক্ষেত্রেও অনিয়ম এবং অর্থ লেনদেনের ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগে আরও বলা হয়, এসব কার্যক্রমে অফিসের সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীর যোগসাজশ থাকতে পারে।

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে সহকারী জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রথমে বলেন, “সাব-লাইন বিষয়ে আমি কিছু জানি না।” এরপর তিনি ফোন কেটে দেন। পরবর্তীতে পুনরায় যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে কক্সবাজার পল্লী বিদ্যুতের এজিএম (প্রশাসন) মোছা. কানিজ ফাতিমার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, এ ধরনের অভিযোগ লিখিতভাবে পেলে অথবা সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয়রা জানান, সহকারী জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদুল ইসলামের সঙ্গে এক ওয়ারিং ইনস্পেক্টরের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। তাদের অভিযোগ, অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ, মিটার-সংক্রান্ত অনিয়ম এবং বন বিভাগের জমিতে বিদ্যুৎ লাইন দেওয়ার মতো বিভিন্ন কাজে তাদের সম্পৃক্ততা রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ, সহকারী জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদুল ইসলামকে ঘিরে

আপডেট সময় : ০৪:৩৬:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

নুরুল ইসলাম সুমন, পেকুয়া (কক্সবাজার) থেকে ফিরে

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার পেকুয়া সাব-জোনাল পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের সহকারী জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদুল ইসলামের বিরুদ্ধে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ, নষ্ট মিটার এবং সংযোগ নিয়মিতকরণে অনিয়ম ও অর্থ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পেকুয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের জালিয়াখালী গ্রামের এক গ্রাহকের মিটার অফিসে আনার পর একাধিক অবৈধ সংযোগের বিষয় সামনে আসে। অভিযোগ রয়েছে, সরকারি বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে অর্থের বিনিময়ে কিছু সংযোগ নিয়মিতকরণ বা সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, জালিয়ারপাড়া এলাকার এক গ্রাহকের কাছে সাব-লাইন স্থাপনের কথা বলে টাকা দাবি করা হয়। এ-সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে বলেও তারা দাবি করেন।

এ ছাড়া, স্থানীয়দের অভিযোগ, নষ্ট মিটার পরিবর্তন, অবৈধ সংযোগ, পুনঃসংযোগ ও নতুন সংযোগ দেওয়ার ক্ষেত্রেও অনিয়ম এবং অর্থ লেনদেনের ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগে আরও বলা হয়, এসব কার্যক্রমে অফিসের সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীর যোগসাজশ থাকতে পারে।

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে সহকারী জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রথমে বলেন, “সাব-লাইন বিষয়ে আমি কিছু জানি না।” এরপর তিনি ফোন কেটে দেন। পরবর্তীতে পুনরায় যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে কক্সবাজার পল্লী বিদ্যুতের এজিএম (প্রশাসন) মোছা. কানিজ ফাতিমার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, এ ধরনের অভিযোগ লিখিতভাবে পেলে অথবা সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয়রা জানান, সহকারী জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদুল ইসলামের সঙ্গে এক ওয়ারিং ইনস্পেক্টরের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। তাদের অভিযোগ, অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ, মিটার-সংক্রান্ত অনিয়ম এবং বন বিভাগের জমিতে বিদ্যুৎ লাইন দেওয়ার মতো বিভিন্ন কাজে তাদের সম্পৃক্ততা রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।