ঢাকা ০৫:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রুপালি মৎস্যের স্বনির্ভর দেশ’—চকরিয়ায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ শুরু মসজিদ রক্ষায় এক পায়ে লড়া, সেই সাহসী নেপালি যুবককে পুরস্কৃত করল সৌদি আওয়ামীপন্থী শিক্ষক-কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ইবি ছাত্রদলের কঠোর অবস্থান এখানকার সরকার আমি, কোন চাঁদাবাজি আমার আসনে চলবে না-আমির হামজা এমপি ৩ শর্তে ভারত সফরে যাবেন তারেক রহমান আমরা প্রধানমন্ত্রীর চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করলাম: হাসনাত আবদুল্লাহ এমপি যমুনায় জাল চুরি সন্দেহে ধাওয়া পিটিয়ে ১ জনকে হত্যা আহত ২ বাংলাদেশের জেন-জি: দক্ষিণ এশিয়ার নতুন রাজনৈতিক জাগরণ? প্যারিসে এফবিজেএর ‘জুলাই ডায়লগ স্মৃতি থেকে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের প্রত্যাশা। ফেনীর চার অপহরণ মামলার পলাতক আসামি টেকনাফে র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে আর্থিক সহায়তা, স্থায়ী বাঁধ নির্মাণে কার্যকর উদ্যোগের আশ্বাস

কচ্ছপিয়ার নদীভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শনে চেয়ারম্যান ইসমাইল

মো:জাবেদুল আনোয়ার, কক্সবাজার
  • আপডেট সময় : ০৭:৩০:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬ ১০৯ বার পড়া হয়েছে
নিউজ ভিশনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

কক্সবাজারের রামু উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যানপাড়া এলাকায় বাঁকখালী নদী এবং দোছড়ী এলাকায় দোছড়ী নদীর ভয়াবহ ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু মো. ইসমাইল নোমান।

পরিদর্শনকালে তিনি নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং তাদের দুর্ভোগের কথা শোনেন। এ সময় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ব্যক্তিগত উদ্যোগে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। পাশাপাশি জরুরি ভিত্তিতে নদীভাঙন প্রতিরোধে অস্থায়ী মেরামত কাজের জন্যও আর্থিক অনুদান দেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা চেয়ারম্যানকে জানান, চলতি বর্ষা মৌসুমে চেয়ারম্যানপাড়া এলাকায় বাঁকখালী নদী এবং দোছড়ী এলাকায় দোছড়ী নদীর ভাঙন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। প্রতিদিন বসতভিটা, আবাদি জমি, গ্রামীণ সড়ক ও বিভিন্ন স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে আরও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

এ সময় চেয়ারম্যান আবু মো. ইসমাইল নোমান বলেন, “নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কষ্ট আমি সরেজমিনে দেখেছি। তাদের এই দুর্দশা লাঘবে ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। বিষয়টি ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নজরে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে স্থায়ী প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণের জন্য আমি সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাব।”

তিনি আরও বলেন, নদীভাঙন একটি দীর্ঘদিনের সমস্যা। তাই সাময়িক নয়, স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের সমন্বয়ে একটি টেকসই প্রকল্প বাস্তবায়ন জরুরি।

পরিদর্শন শেষে চেয়ারম্যান ইউনিয়নের অন্যান্য ভাঙনকবলিত এলাকাও ঘুরে দেখেন এবং স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি ক্ষয়ক্ষতির তালিকা প্রস্তুত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন।

এলাকাবাসী চেয়ারম্যানের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ভাঙন প্রতিরোধে দ্রুত সরকারি প্রকল্প গ্রহণ এবং স্থায়ী বাঁধ নির্মাণই এখন সবচেয়ে জরুরি। তাদের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে আর্থিক সহায়তা, স্থায়ী বাঁধ নির্মাণে কার্যকর উদ্যোগের আশ্বাস

কচ্ছপিয়ার নদীভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শনে চেয়ারম্যান ইসমাইল

আপডেট সময় : ০৭:৩০:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

কক্সবাজারের রামু উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যানপাড়া এলাকায় বাঁকখালী নদী এবং দোছড়ী এলাকায় দোছড়ী নদীর ভয়াবহ ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু মো. ইসমাইল নোমান।

পরিদর্শনকালে তিনি নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং তাদের দুর্ভোগের কথা শোনেন। এ সময় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ব্যক্তিগত উদ্যোগে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। পাশাপাশি জরুরি ভিত্তিতে নদীভাঙন প্রতিরোধে অস্থায়ী মেরামত কাজের জন্যও আর্থিক অনুদান দেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা চেয়ারম্যানকে জানান, চলতি বর্ষা মৌসুমে চেয়ারম্যানপাড়া এলাকায় বাঁকখালী নদী এবং দোছড়ী এলাকায় দোছড়ী নদীর ভাঙন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। প্রতিদিন বসতভিটা, আবাদি জমি, গ্রামীণ সড়ক ও বিভিন্ন স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে আরও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

এ সময় চেয়ারম্যান আবু মো. ইসমাইল নোমান বলেন, “নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কষ্ট আমি সরেজমিনে দেখেছি। তাদের এই দুর্দশা লাঘবে ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। বিষয়টি ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নজরে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে স্থায়ী প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণের জন্য আমি সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাব।”

তিনি আরও বলেন, নদীভাঙন একটি দীর্ঘদিনের সমস্যা। তাই সাময়িক নয়, স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের সমন্বয়ে একটি টেকসই প্রকল্প বাস্তবায়ন জরুরি।

পরিদর্শন শেষে চেয়ারম্যান ইউনিয়নের অন্যান্য ভাঙনকবলিত এলাকাও ঘুরে দেখেন এবং স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি ক্ষয়ক্ষতির তালিকা প্রস্তুত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন।

এলাকাবাসী চেয়ারম্যানের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ভাঙন প্রতিরোধে দ্রুত সরকারি প্রকল্প গ্রহণ এবং স্থায়ী বাঁধ নির্মাণই এখন সবচেয়ে জরুরি। তাদের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।