ঢাকা ০৯:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে ইবিতে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত আজ জামায়াতে ইসলামীর ৮৬ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী বিনা খরচে ১০ হাজার কর্মীকে মালয়েশিয়া পাঠাবে সরকার ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ৫ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি রুহিয়া উপজেলায় প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় বীজ ও সার বিতরণ নবগঠিত রুহিয়া উপজেলার মাসিক আইনশৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত মহানবী(সা.)এর আদর্শ অনুসরণ করে একটি ন্যায় ও কল্যাণমুখী সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব-প্রধানমন্ত্রী কলকাতায় বঙ্গসেনা’র মিছিল থেকে বাংলাদেশ ভাগ করার ডাক কুবিতে ‘ক্রাউন অব আর্গুমেন্টে’ গ্র্যান্ড ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন গণিত বিভাগ একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ

কক্সবাজারের ২৩ মামলার পলাতক দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী র‌্যাবের জালে

নুরুল ইসলাম সুমন, কক্সবাজার
  • আপডেট সময় : ১০:৪০:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬ ৮৫ বার পড়া হয়েছে
নিউজ ভিশনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

কক্সবাজার সদর থানাধীন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে অস্ত্র, ডাকাতি ও ধর্ষণসহ মোট ২৩টি মামলার পলাতক আসামি, সমিতিপাড়া এলাকার কুখ্যাত ডাকাত দলনেতা ও চরমপন্থী সন্ত্রাসী নুরুল কাদের প্রকাশ নুর কাদের (৩৭)-কে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-১৫)। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলায় আদালত কর্তৃক জারি করা পাঁচটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে।
র‌্যাব-১৫ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ব্যাটালিয়নের একটি আভিযানিক দল জানতে পারে যে, সমিতিপাড়া এলাকার ত্রাস হিসেবে পরিচিত এবং একাধিক মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি নুর কাদের কক্সবাজার সদর উপজেলার উত্তরণ এলাকায় অবস্থান করছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাত ১১টা ২০ মিনিটে সেখানে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযান চলাকালে র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে নুর কাদের পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে আভিযানিক দলের সদস্যরা তাকে ধাওয়া করে আটক করেন। পরে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।
গ্রেপ্তার নুরুল কাদের কক্সবাজার সদর উপজেলার পশ্চিম কুতুবদিয়া পাড়া ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি ডা. নুরুল ইসলাম ও ছকিনা বেগমের ছেলে।
র‌্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নুর কাদের দীর্ঘদিন ধরে কক্সবাজারের সমিতিপাড়া ও সংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় ডাকাতি, অস্ত্রবাজি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনার কথা উঠে এসেছে। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, দ্রুত বিচার আইন, ডাকাতি এবং দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় মোট ২৩টি মামলা ও সাধারণ ডায়েরি (জিডি) রয়েছে।
গ্রেপ্তার আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কক্সবাজার সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র‌্যাব-১৫ জানিয়েছে, অপরাধ দমন এবং এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তাদের এ ধরনের সাঁড়াশি ও জিরো-টলারেন্স অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

কক্সবাজারের ২৩ মামলার পলাতক দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী র‌্যাবের জালে

আপডেট সময় : ১০:৪০:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

কক্সবাজার সদর থানাধীন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে অস্ত্র, ডাকাতি ও ধর্ষণসহ মোট ২৩টি মামলার পলাতক আসামি, সমিতিপাড়া এলাকার কুখ্যাত ডাকাত দলনেতা ও চরমপন্থী সন্ত্রাসী নুরুল কাদের প্রকাশ নুর কাদের (৩৭)-কে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-১৫)। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলায় আদালত কর্তৃক জারি করা পাঁচটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে।
র‌্যাব-১৫ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ব্যাটালিয়নের একটি আভিযানিক দল জানতে পারে যে, সমিতিপাড়া এলাকার ত্রাস হিসেবে পরিচিত এবং একাধিক মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি নুর কাদের কক্সবাজার সদর উপজেলার উত্তরণ এলাকায় অবস্থান করছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাত ১১টা ২০ মিনিটে সেখানে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযান চলাকালে র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে নুর কাদের পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে আভিযানিক দলের সদস্যরা তাকে ধাওয়া করে আটক করেন। পরে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।
গ্রেপ্তার নুরুল কাদের কক্সবাজার সদর উপজেলার পশ্চিম কুতুবদিয়া পাড়া ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি ডা. নুরুল ইসলাম ও ছকিনা বেগমের ছেলে।
র‌্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নুর কাদের দীর্ঘদিন ধরে কক্সবাজারের সমিতিপাড়া ও সংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় ডাকাতি, অস্ত্রবাজি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনার কথা উঠে এসেছে। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, দ্রুত বিচার আইন, ডাকাতি এবং দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় মোট ২৩টি মামলা ও সাধারণ ডায়েরি (জিডি) রয়েছে।
গ্রেপ্তার আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কক্সবাজার সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র‌্যাব-১৫ জানিয়েছে, অপরাধ দমন এবং এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তাদের এ ধরনের সাঁড়াশি ও জিরো-টলারেন্স অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।