ঢাকা ০৫:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রুপালি মৎস্যের স্বনির্ভর দেশ’—চকরিয়ায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ শুরু মসজিদ রক্ষায় এক পায়ে লড়া, সেই সাহসী নেপালি যুবককে পুরস্কৃত করল সৌদি আওয়ামীপন্থী শিক্ষক-কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ইবি ছাত্রদলের কঠোর অবস্থান এখানকার সরকার আমি, কোন চাঁদাবাজি আমার আসনে চলবে না-আমির হামজা এমপি ৩ শর্তে ভারত সফরে যাবেন তারেক রহমান আমরা প্রধানমন্ত্রীর চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করলাম: হাসনাত আবদুল্লাহ এমপি যমুনায় জাল চুরি সন্দেহে ধাওয়া পিটিয়ে ১ জনকে হত্যা আহত ২ বাংলাদেশের জেন-জি: দক্ষিণ এশিয়ার নতুন রাজনৈতিক জাগরণ? প্যারিসে এফবিজেএর ‘জুলাই ডায়লগ স্মৃতি থেকে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের প্রত্যাশা। ফেনীর চার অপহরণ মামলার পলাতক আসামি টেকনাফে র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার

কক্সবাজারের ২৩ মামলার পলাতক দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী র‌্যাবের জালে

নুরুল ইসলাম সুমন, কক্সবাজার
  • আপডেট সময় : ১০:৪০:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬ ৭৪ বার পড়া হয়েছে
নিউজ ভিশনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

কক্সবাজার সদর থানাধীন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে অস্ত্র, ডাকাতি ও ধর্ষণসহ মোট ২৩টি মামলার পলাতক আসামি, সমিতিপাড়া এলাকার কুখ্যাত ডাকাত দলনেতা ও চরমপন্থী সন্ত্রাসী নুরুল কাদের প্রকাশ নুর কাদের (৩৭)-কে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-১৫)। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলায় আদালত কর্তৃক জারি করা পাঁচটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে।
র‌্যাব-১৫ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ব্যাটালিয়নের একটি আভিযানিক দল জানতে পারে যে, সমিতিপাড়া এলাকার ত্রাস হিসেবে পরিচিত এবং একাধিক মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি নুর কাদের কক্সবাজার সদর উপজেলার উত্তরণ এলাকায় অবস্থান করছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাত ১১টা ২০ মিনিটে সেখানে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযান চলাকালে র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে নুর কাদের পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে আভিযানিক দলের সদস্যরা তাকে ধাওয়া করে আটক করেন। পরে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।
গ্রেপ্তার নুরুল কাদের কক্সবাজার সদর উপজেলার পশ্চিম কুতুবদিয়া পাড়া ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি ডা. নুরুল ইসলাম ও ছকিনা বেগমের ছেলে।
র‌্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নুর কাদের দীর্ঘদিন ধরে কক্সবাজারের সমিতিপাড়া ও সংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় ডাকাতি, অস্ত্রবাজি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনার কথা উঠে এসেছে। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, দ্রুত বিচার আইন, ডাকাতি এবং দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় মোট ২৩টি মামলা ও সাধারণ ডায়েরি (জিডি) রয়েছে।
গ্রেপ্তার আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কক্সবাজার সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র‌্যাব-১৫ জানিয়েছে, অপরাধ দমন এবং এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তাদের এ ধরনের সাঁড়াশি ও জিরো-টলারেন্স অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

কক্সবাজারের ২৩ মামলার পলাতক দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী র‌্যাবের জালে

আপডেট সময় : ১০:৪০:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

কক্সবাজার সদর থানাধীন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে অস্ত্র, ডাকাতি ও ধর্ষণসহ মোট ২৩টি মামলার পলাতক আসামি, সমিতিপাড়া এলাকার কুখ্যাত ডাকাত দলনেতা ও চরমপন্থী সন্ত্রাসী নুরুল কাদের প্রকাশ নুর কাদের (৩৭)-কে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-১৫)। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলায় আদালত কর্তৃক জারি করা পাঁচটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে।
র‌্যাব-১৫ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ব্যাটালিয়নের একটি আভিযানিক দল জানতে পারে যে, সমিতিপাড়া এলাকার ত্রাস হিসেবে পরিচিত এবং একাধিক মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি নুর কাদের কক্সবাজার সদর উপজেলার উত্তরণ এলাকায় অবস্থান করছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাত ১১টা ২০ মিনিটে সেখানে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযান চলাকালে র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে নুর কাদের পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে আভিযানিক দলের সদস্যরা তাকে ধাওয়া করে আটক করেন। পরে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।
গ্রেপ্তার নুরুল কাদের কক্সবাজার সদর উপজেলার পশ্চিম কুতুবদিয়া পাড়া ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি ডা. নুরুল ইসলাম ও ছকিনা বেগমের ছেলে।
র‌্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নুর কাদের দীর্ঘদিন ধরে কক্সবাজারের সমিতিপাড়া ও সংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় ডাকাতি, অস্ত্রবাজি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনার কথা উঠে এসেছে। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, দ্রুত বিচার আইন, ডাকাতি এবং দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় মোট ২৩টি মামলা ও সাধারণ ডায়েরি (জিডি) রয়েছে।
গ্রেপ্তার আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কক্সবাজার সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র‌্যাব-১৫ জানিয়েছে, অপরাধ দমন এবং এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তাদের এ ধরনের সাঁড়াশি ও জিরো-টলারেন্স অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।