ঢাকা ০৫:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রুপালি মৎস্যের স্বনির্ভর দেশ’—চকরিয়ায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ শুরু মসজিদ রক্ষায় এক পায়ে লড়া, সেই সাহসী নেপালি যুবককে পুরস্কৃত করল সৌদি আওয়ামীপন্থী শিক্ষক-কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ইবি ছাত্রদলের কঠোর অবস্থান এখানকার সরকার আমি, কোন চাঁদাবাজি আমার আসনে চলবে না-আমির হামজা এমপি ৩ শর্তে ভারত সফরে যাবেন তারেক রহমান আমরা প্রধানমন্ত্রীর চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করলাম: হাসনাত আবদুল্লাহ এমপি যমুনায় জাল চুরি সন্দেহে ধাওয়া পিটিয়ে ১ জনকে হত্যা আহত ২ বাংলাদেশের জেন-জি: দক্ষিণ এশিয়ার নতুন রাজনৈতিক জাগরণ? প্যারিসে এফবিজেএর ‘জুলাই ডায়লগ স্মৃতি থেকে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের প্রত্যাশা। ফেনীর চার অপহরণ মামলার পলাতক আসামি টেকনাফে র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার

উপকূলীয় বদরখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫১০ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিল আইএসডিই বাংলাদেশ

মোঃ সাঈদী আকবর ফয়সাল
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৯:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬ ১২৫ বার পড়া হয়েছে
নিউজ ভিশনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

কক্সবাজারে সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত চকরিয়া, পেকুয়া ও নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলার ৫ হাজার পরিবারের মাঝে পর্যায়ক্রমে খাদ্য সহায়তা বিতরণ করছে আইএসডিই বাংলাদেশ। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকালে মাতামুহুরী উপজেলার উপকূলীয় বদরখালী ইউনিয়নের ৫১০টি বন্যাকবলিত পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

সৌদি আরবের কিং সালমান হিউম্যানিটারিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টার (KSrelief)-এর অর্থায়নে পরিচালিত এ মানবিক সহায়তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে আইএসডিই বাংলাদেশ। আয়োজকরা জানান, সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত নিম্নআয়ের ও অসহায় পরিবারগুলোর খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পর্যায়ক্রমে এ সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।

প্রতিটি পরিবারকে ১০ কেজি চাল, ৭ কেজি ডাল, ৩ লিটার সয়াবিন তেল, ৩ কেজি চিনি এবং ১ কেজি লবণ সমন্বয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ খাদ্য প্যাকেজ দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্টরা জানান, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর তাৎক্ষণিক খাদ্যসংকট মোকাবিলায় এ সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বদরখালী ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান সাদ্দাম হোসেন, ভার্চ্যু স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মহিউদ্দিন কাদের অদুল, প্রশাসনিক কর্মকর্তা দোলন পাল, সমাজসেবক মো. শহিদ, আবু নায়েম লিটন, মো. তোফায়েল, মো. হেলাল উদ্দিন, ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

আইএসডিই বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রকল্প সমন্বয়কারী জাহাঙ্গীর আলম এবং উপজেলা ব্যবস্থাপক জালাল উদ্দীন।

অনুষ্ঠানে প্যানেল চেয়ারম্যান সাদ্দাম হোসেন বলেন, “বন্যার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত অনেক পরিবার এখনো স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেনি। এ ধরনের মানবিক সহায়তা তাদের দুর্ভোগ লাঘবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। দুর্যোগকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আইএসডিই বাংলাদেশের এ উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়।”

আইএসডিই বাংলাদেশের প্রকল্প সমন্বয়কারী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা পর্যায়ক্রমে সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করছি। স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতায় প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর কাছে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। কর্মসূচির আওতায় নির্ধারিত ৫ হাজার পরিবারের সবাইকে সহায়তা প্রদান করা হবে।”

খাদ্য সহায়তা পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন সুবিধাভোগীরা। তারা জানান, বন্যায় ঘরবাড়ি ও জীবিকার ক্ষতি হওয়ায় পরিবার নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটছিল। এই খাদ্য সহায়তা তাদের দৈনন্দিন খাদ্য চাহিদা পূরণে সহায়ক হবে এবং কিছুদিনের জন্য হলেও দুশ্চিন্তা কমাবে।

আইএসডিই বাংলাদেশ জানায়, এর আগে হোস্ট কমিউনিটির বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চল, বন্যাকবলিত এলাকা এবং রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পসহ প্রায় ৫৯ হাজার সুবিধাভোগীর মাঝে খাদ্য সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে। দুর্যোগ ও মানবিক সংকটে থাকা মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংস্থাটির এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

উপকূলীয় বদরখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫১০ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিল আইএসডিই বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ০৭:৫৯:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

কক্সবাজারে সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত চকরিয়া, পেকুয়া ও নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলার ৫ হাজার পরিবারের মাঝে পর্যায়ক্রমে খাদ্য সহায়তা বিতরণ করছে আইএসডিই বাংলাদেশ। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকালে মাতামুহুরী উপজেলার উপকূলীয় বদরখালী ইউনিয়নের ৫১০টি বন্যাকবলিত পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

সৌদি আরবের কিং সালমান হিউম্যানিটারিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টার (KSrelief)-এর অর্থায়নে পরিচালিত এ মানবিক সহায়তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে আইএসডিই বাংলাদেশ। আয়োজকরা জানান, সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত নিম্নআয়ের ও অসহায় পরিবারগুলোর খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পর্যায়ক্রমে এ সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।

প্রতিটি পরিবারকে ১০ কেজি চাল, ৭ কেজি ডাল, ৩ লিটার সয়াবিন তেল, ৩ কেজি চিনি এবং ১ কেজি লবণ সমন্বয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ খাদ্য প্যাকেজ দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্টরা জানান, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর তাৎক্ষণিক খাদ্যসংকট মোকাবিলায় এ সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বদরখালী ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান সাদ্দাম হোসেন, ভার্চ্যু স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মহিউদ্দিন কাদের অদুল, প্রশাসনিক কর্মকর্তা দোলন পাল, সমাজসেবক মো. শহিদ, আবু নায়েম লিটন, মো. তোফায়েল, মো. হেলাল উদ্দিন, ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

আইএসডিই বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রকল্প সমন্বয়কারী জাহাঙ্গীর আলম এবং উপজেলা ব্যবস্থাপক জালাল উদ্দীন।

অনুষ্ঠানে প্যানেল চেয়ারম্যান সাদ্দাম হোসেন বলেন, “বন্যার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত অনেক পরিবার এখনো স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেনি। এ ধরনের মানবিক সহায়তা তাদের দুর্ভোগ লাঘবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। দুর্যোগকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আইএসডিই বাংলাদেশের এ উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়।”

আইএসডিই বাংলাদেশের প্রকল্প সমন্বয়কারী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা পর্যায়ক্রমে সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করছি। স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতায় প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর কাছে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। কর্মসূচির আওতায় নির্ধারিত ৫ হাজার পরিবারের সবাইকে সহায়তা প্রদান করা হবে।”

খাদ্য সহায়তা পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন সুবিধাভোগীরা। তারা জানান, বন্যায় ঘরবাড়ি ও জীবিকার ক্ষতি হওয়ায় পরিবার নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটছিল। এই খাদ্য সহায়তা তাদের দৈনন্দিন খাদ্য চাহিদা পূরণে সহায়ক হবে এবং কিছুদিনের জন্য হলেও দুশ্চিন্তা কমাবে।

আইএসডিই বাংলাদেশ জানায়, এর আগে হোস্ট কমিউনিটির বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চল, বন্যাকবলিত এলাকা এবং রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পসহ প্রায় ৫৯ হাজার সুবিধাভোগীর মাঝে খাদ্য সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে। দুর্যোগ ও মানবিক সংকটে থাকা মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংস্থাটির এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।