ঢাকা ০৪:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রুপালি মৎস্যের স্বনির্ভর দেশ’—চকরিয়ায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ শুরু মসজিদ রক্ষায় এক পায়ে লড়া, সেই সাহসী নেপালি যুবককে পুরস্কৃত করল সৌদি আওয়ামীপন্থী শিক্ষক-কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ইবি ছাত্রদলের কঠোর অবস্থান এখানকার সরকার আমি, কোন চাঁদাবাজি আমার আসনে চলবে না-আমির হামজা এমপি ৩ শর্তে ভারত সফরে যাবেন তারেক রহমান আমরা প্রধানমন্ত্রীর চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করলাম: হাসনাত আবদুল্লাহ এমপি যমুনায় জাল চুরি সন্দেহে ধাওয়া পিটিয়ে ১ জনকে হত্যা আহত ২ বাংলাদেশের জেন-জি: দক্ষিণ এশিয়ার নতুন রাজনৈতিক জাগরণ? প্যারিসে এফবিজেএর ‘জুলাই ডায়লগ স্মৃতি থেকে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের প্রত্যাশা। ফেনীর চার অপহরণ মামলার পলাতক আসামি টেকনাফে র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার

ইবিতে ছেয়ে গেছে বিষাক্ত পার্থেনিয়াম, ক্যান্সারসহ নানা রোগের আশঙ্কা

ইবি প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৪:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬ ৮১ বার পড়া হয়েছে
নিউজ ভিশনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) ক্যাম্পাস ছেয়ে গেছে বিষাক্ত ও অত্যন্ত ক্ষতিকারক আগাছা পার্থেনিয়াম। এতে ক্যানসার, শ্বাসকষ্ট ও চর্মরোগ-সহ নানা স্বাস্থ্যঝুঁকিতে আছে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। তবে বিষাক্ত এ গাছ ক্যাম্পাস থেকে অবিলম্বে নির্মূলে সংশ্লিষ্টের কোনো পদক্ষেপ নেই বলে অভিযোগ রয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্র-নজরুল কলাভবন, মীর মশাররফ হোসেন ভবন, ব্যবসায় প্রশাসন ভবন, বিজ্ঞান ভবন, কেন্দ্রীয় মসজিদ, মীর মুগ্ধ সরোবর ও আইআইইআর-সহ বিভিন্ন আবাসিক হলের আশপাশের ফাঁকা জায়গায় অবাধে জন্মেছে পার্থেনিয়াম।

উদ্ভিদবিজ্ঞানীদের তথ্যমতে, পার্থেনিয়ামে থাকা ‘পার্থেনিন’ ও ‘সেস্কুটার্পিন ল্যাকটোন’ নামক বিষ মানবস্বাস্থ্য, গবাদিপশু ও কৃষির জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এর ফুলের রেণু বাতাসে ভেসে মানুষের সংস্পর্শে এলে ত্বকে অ্যালার্জি, ডার্মাটাইটিস (চামড়ায় ফুসকুড়ি) ও একজিমা হতে পারে। রেণু নিঃশ্বাসের সঙ্গে ফুসফুসে ঢুকলে হাঁপানি ও তীব্র শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়। শুধু মানুষ নয়, গবাদিপশু এই ঘাস খেলে তাদের মুখে ও পৌষ্টিকতন্ত্রে ঘা হয়। অতিরিক্ত মাত্রায় খেলে পশুর মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। এছাড়া কৃষিজমিতে পার্থেনিয়ামের উপস্থিতির কারণে ফসলের ফলন প্রায় ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে।

শিক্ষার্থীরা জানান, প্রতিদিন এসব এলাকা দিয়ে শত শত শিক্ষার্থী চলাচল করেন। বিষাক্ত এই আগাছার এত কাছাকাছি অবস্থান তাঁদের প্রতিনিয়ত স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ফেলছে। দ্রুত ক্যাম্পাস থেকে এই আগাছা পরিষ্কার করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

বিষাক্ত এ আগাছা নির্মূলের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট অফিসের প্রধান মোহাম্মদ আলাউদ্দিন বলেন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের দীর্ঘদিন বেতন না দেওয়ার কারণে তারা কাজ করছেন না। এ গাছ জন্মালেও এখন আমাদের কিছু করার নেই।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ইবিতে ছেয়ে গেছে বিষাক্ত পার্থেনিয়াম, ক্যান্সারসহ নানা রোগের আশঙ্কা

আপডেট সময় : ০৪:৫৪:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) ক্যাম্পাস ছেয়ে গেছে বিষাক্ত ও অত্যন্ত ক্ষতিকারক আগাছা পার্থেনিয়াম। এতে ক্যানসার, শ্বাসকষ্ট ও চর্মরোগ-সহ নানা স্বাস্থ্যঝুঁকিতে আছে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। তবে বিষাক্ত এ গাছ ক্যাম্পাস থেকে অবিলম্বে নির্মূলে সংশ্লিষ্টের কোনো পদক্ষেপ নেই বলে অভিযোগ রয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্র-নজরুল কলাভবন, মীর মশাররফ হোসেন ভবন, ব্যবসায় প্রশাসন ভবন, বিজ্ঞান ভবন, কেন্দ্রীয় মসজিদ, মীর মুগ্ধ সরোবর ও আইআইইআর-সহ বিভিন্ন আবাসিক হলের আশপাশের ফাঁকা জায়গায় অবাধে জন্মেছে পার্থেনিয়াম।

উদ্ভিদবিজ্ঞানীদের তথ্যমতে, পার্থেনিয়ামে থাকা ‘পার্থেনিন’ ও ‘সেস্কুটার্পিন ল্যাকটোন’ নামক বিষ মানবস্বাস্থ্য, গবাদিপশু ও কৃষির জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এর ফুলের রেণু বাতাসে ভেসে মানুষের সংস্পর্শে এলে ত্বকে অ্যালার্জি, ডার্মাটাইটিস (চামড়ায় ফুসকুড়ি) ও একজিমা হতে পারে। রেণু নিঃশ্বাসের সঙ্গে ফুসফুসে ঢুকলে হাঁপানি ও তীব্র শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়। শুধু মানুষ নয়, গবাদিপশু এই ঘাস খেলে তাদের মুখে ও পৌষ্টিকতন্ত্রে ঘা হয়। অতিরিক্ত মাত্রায় খেলে পশুর মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। এছাড়া কৃষিজমিতে পার্থেনিয়ামের উপস্থিতির কারণে ফসলের ফলন প্রায় ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে।

শিক্ষার্থীরা জানান, প্রতিদিন এসব এলাকা দিয়ে শত শত শিক্ষার্থী চলাচল করেন। বিষাক্ত এই আগাছার এত কাছাকাছি অবস্থান তাঁদের প্রতিনিয়ত স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ফেলছে। দ্রুত ক্যাম্পাস থেকে এই আগাছা পরিষ্কার করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

বিষাক্ত এ আগাছা নির্মূলের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট অফিসের প্রধান মোহাম্মদ আলাউদ্দিন বলেন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের দীর্ঘদিন বেতন না দেওয়ার কারণে তারা কাজ করছেন না। এ গাছ জন্মালেও এখন আমাদের কিছু করার নেই।