ঢাকা ০৮:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মিথ্যা মামলা দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টার প্রতিবাদে জামালপুরে সংবাদ সম্মেলন মাদারগঞ্জে নিখোঁজ অটোরিকশা চালকের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার অননুমোদিত ভিডিও ধারণে বিচার দাবিতে ইইই বিভাগের শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপি অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার প্রতিবাদ, কুবি শিক্ষার্থীকে মারধর-হেনস্তার অভিযোগ জামালপুরে চাঞ্চল্যকর চাচা-ভাতিজা হত্যা- ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড-৭ জনের যাবজ্জীবন নব নির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে শুভেচ্ছা জানালেন প্রতিদ্বন্দ্বী ড. অলি আহমদ অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড়ধসে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ভ্রাম্যমাণ চিকিৎসাসেবা চকরিয়ায় সমাজসেবা অধিদপ্তরের উদ্যোগে ক্ষুদ্রঋণ ও ফ্যামিলি কিট বিতরণ মিয়ানমার আরকান আর্মির হাতে আটক২৪জেলেকে ফেরত আনলো বিজিবি উজানটিয়া ইউনিয়নে মাদক ও অনলাইন জুয়া বিরোধী র‍্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত

অননুমোদিত ভিডিও ধারণে বিচার দাবিতে ইইই বিভাগের শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপি

ইবি প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৬:৪১:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬ ২৩ বার পড়া হয়েছে
নিউজ ভিশনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারি বিভাগে বহিরাগত ব্যক্তির অননুমোদিত ভিডিও ধারণ ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগ তোলে বিচার দাবিতে উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছেন বিভাগের শিক্ষার্থীরা। বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মতিনুর রহমানের পক্ষে এ স্মারকলিপি গ্রহণ করেন কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. ইদ্রিস আলী।

স্মারকলিপিতে বলা হয় , গত ১৬ আগস্ট দুপুর আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটে ইইই বিভাগের শিক্ষক প্রফেসর ড. মাহবুবুর রহমানের কক্ষে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ঘটনা পরবর্তীতে বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. জালাল উদ্দিন ও প্রফেসর ড. শাহীনুজ্জামান উক্ত কক্ষে এসে বিষয়টি নিয়ে কথোপকথনের এক পর্যায়ে অপরিচিত এক ব্যক্তি বিনা অনুমতিতে মাহবুব স্যারের কক্ষে প্রবেশ করে মোবাইলে উক্ত কথোপকথনের ভিডিও ধারণ শুরু করেন। বিষয়টি টের পেয়ে উপস্থিত শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা ভিডিও ধারণ না করার জন্য তাকে অনুরোধ ও বিরত থাকার জন্য বললে উক্ত ব্যক্তি ভিডিও ধারণ অব্যাহত রাখেন। পুনরায় তাকে নিষেধ করলে সে শিক্ষার্থীদেরকে হুমকি-ধামকিসহ উদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করে। নিরাপত্তার স্বার্থে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা সেলের কর্মকর্তা এসে উক্ত ব্যক্তির মোবাইল ফোন নিরাপত্তা হেফাজতে নিয়ে নেয়।

স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, এ ঘটানাটিকে কেন্দ্র করে পরবর্তীতে বিভিন্ন মহলে বিভ্রান্তিকর ও গুজব নির্ভর তথ্য ছড়িয়ে পড়ায় ইইই বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ভাবমূর্তি ও স্বাভাবিক শিক্ষার পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। এতে উক্ত ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, প্রকৃত তথ্য যাচাই ও প্রকৃত কারণ উদঘাটন, বিভ্রান্তিকরণ তথ্য প্রচার বন্ধ, বিভাগে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে বহিরাগতদের বিভাগে প্রবেশ বন্ধ করার দাবি জানান শিক্ষার্থীরা।

এ বিষয়ে কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. ইদ্রিস আলী বলেন, ইতোমধ্যে প্রশাসন তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। বিষয়টি তদন্ত প্রক্রিয়াধীন।

প্রসঙ্গত, ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের আওয়ামীপন্থী একাধিক শিক্ষক-কর্মকর্তা গোপন কর্মকান্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠে। পরদিন দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের এসব অপতৎপরতার প্রতিবাদে অভিযান চালায় শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। এরই অংশ হিসেবে ইইই বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমানের ব্যক্তিগত কক্ষে গিয়ে অভিযান চালায় এক পক্ষ। এ বিষয়টি জানতে পেরে প্রক্টর ও ইইই বিভাগের প্রফেসর ড. শাহীনুজ্জামান ওই শিক্ষকের কক্ষে প্রবেশ করেন। এসময় আবরার নামে এক সাংবাদিক অনুমতিবিহীন ভিডিও ধারণ নিয়ে শিক্ষার্থীদের সাথে বাকবিতন্ডা ঘটে বলে অভিযোগ উঠেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

অননুমোদিত ভিডিও ধারণে বিচার দাবিতে ইইই বিভাগের শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপি

আপডেট সময় : ০৬:৪১:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারি বিভাগে বহিরাগত ব্যক্তির অননুমোদিত ভিডিও ধারণ ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগ তোলে বিচার দাবিতে উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছেন বিভাগের শিক্ষার্থীরা। বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মতিনুর রহমানের পক্ষে এ স্মারকলিপি গ্রহণ করেন কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. ইদ্রিস আলী।

স্মারকলিপিতে বলা হয় , গত ১৬ আগস্ট দুপুর আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটে ইইই বিভাগের শিক্ষক প্রফেসর ড. মাহবুবুর রহমানের কক্ষে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ঘটনা পরবর্তীতে বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. জালাল উদ্দিন ও প্রফেসর ড. শাহীনুজ্জামান উক্ত কক্ষে এসে বিষয়টি নিয়ে কথোপকথনের এক পর্যায়ে অপরিচিত এক ব্যক্তি বিনা অনুমতিতে মাহবুব স্যারের কক্ষে প্রবেশ করে মোবাইলে উক্ত কথোপকথনের ভিডিও ধারণ শুরু করেন। বিষয়টি টের পেয়ে উপস্থিত শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা ভিডিও ধারণ না করার জন্য তাকে অনুরোধ ও বিরত থাকার জন্য বললে উক্ত ব্যক্তি ভিডিও ধারণ অব্যাহত রাখেন। পুনরায় তাকে নিষেধ করলে সে শিক্ষার্থীদেরকে হুমকি-ধামকিসহ উদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করে। নিরাপত্তার স্বার্থে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা সেলের কর্মকর্তা এসে উক্ত ব্যক্তির মোবাইল ফোন নিরাপত্তা হেফাজতে নিয়ে নেয়।

স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, এ ঘটানাটিকে কেন্দ্র করে পরবর্তীতে বিভিন্ন মহলে বিভ্রান্তিকর ও গুজব নির্ভর তথ্য ছড়িয়ে পড়ায় ইইই বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ভাবমূর্তি ও স্বাভাবিক শিক্ষার পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। এতে উক্ত ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, প্রকৃত তথ্য যাচাই ও প্রকৃত কারণ উদঘাটন, বিভ্রান্তিকরণ তথ্য প্রচার বন্ধ, বিভাগে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে বহিরাগতদের বিভাগে প্রবেশ বন্ধ করার দাবি জানান শিক্ষার্থীরা।

এ বিষয়ে কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. ইদ্রিস আলী বলেন, ইতোমধ্যে প্রশাসন তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। বিষয়টি তদন্ত প্রক্রিয়াধীন।

প্রসঙ্গত, ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের আওয়ামীপন্থী একাধিক শিক্ষক-কর্মকর্তা গোপন কর্মকান্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠে। পরদিন দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের এসব অপতৎপরতার প্রতিবাদে অভিযান চালায় শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। এরই অংশ হিসেবে ইইই বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমানের ব্যক্তিগত কক্ষে গিয়ে অভিযান চালায় এক পক্ষ। এ বিষয়টি জানতে পেরে প্রক্টর ও ইইই বিভাগের প্রফেসর ড. শাহীনুজ্জামান ওই শিক্ষকের কক্ষে প্রবেশ করেন। এসময় আবরার নামে এক সাংবাদিক অনুমতিবিহীন ভিডিও ধারণ নিয়ে শিক্ষার্থীদের সাথে বাকবিতন্ডা ঘটে বলে অভিযোগ উঠেছে।