কক্সবাজার পৌরসভা এলাকার একটি সুখী পরিবারে হানা দিয়েছে পরকীয়ার কালো ছায়া। স্বামী দীর্ঘদিন ধরে অন্য নারীর সঙ্গে পরকীয়ায় লিপ্ত থাকায় এক গৃহবধূর সাজানো সংসার এখন ভাঙনের মুখে। অভিযুক্ত স্বামীর অনৈতিক কর্মকাণ্ডে ভুক্তভোগী ওই নারীর জীবন এখন চরম দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।
ভুক্তভোগী ওই নারীর নাম রুমা আক্তার। তিনি কক্সবাজার পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের খাজা মঞ্জিল এলাকার মৃত বদিউর রহমানের মেয়ে। অন্যদিকে অভিযুক্ত স্বামী মামুন, একই ওয়ার্ডের পূর্ব ঘোনার পাড়া এলাকার মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মামুন ও রুমা আক্তারের দীর্ঘদিনের বৈবাহিক জীবনে একসময় সুখের কোনো কমতি ছিল না। পারস্পরিক ভালোবাসা আর বোঝাপড়ার মাধ্যমে গড়ে উঠেছিল তাদের সুখের সংসার। কিন্তু বিপত্তি ঘটে তখন, যখন স্বামী মামুন পরকীয়ায় আসক্ত হয়ে পড়েন। অভিযোগ উঠেছে, দীর্ঘদিন ধরে মামুন অন্য এক নারীর সাথে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে আছেন।
এই দিকে, স্বামীর এই অনৈতিক সম্পর্কের বিষয়টি জানার পর তিনি বহুবার তাকে বোঝানোর চেষ্টা করেছেন। সংসার টিকিয়ে রাখতে তিনি অনেক মানসিক কষ্ট মুখ বুজে সহ্য করেছেন। কিন্তু মামুন তার ভুল স্বীকার করা তো দূরের কথা, উল্টো পরকীয়ার প্রতিবাদ করায় রুমার ওপর মানসিক নির্যাতন আরও বাড়িয়ে দিয়েছেন।
, স্বামীর এই অনৈতিক আচরণের কারণে তাদের দীর্ঘদিনের সুখী সংসারটি এখন বিষাদময় হয়ে উঠেছে। বর্তমানে তিনি তীব্র মানসিক কষ্ট ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।লোকলজ্জা আর সামাজিক মর্যাদার কথা চিন্তা করে এতদিন চুপ থাকলেও, পিঠ দেয়ালে ঠেকে যাওয়ায় এখন তিনি এই দুর্বিষহ জীবন থেকে মুক্তি এবং এর সুষ্ঠু বিচার চান।
এই বিষয়ে অভিযুক্ত মামুনের বক্তব্য জানার জন্য যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তিনি নিজেই স্বীকার করেন পরিকিয়ার কথা।
এদিকে একটি সুখী পরিবার পরকীয়ার জেরে এভাবে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছানোয় স্থানীয় প্রতিবেশীদের মধ্যেও ক্ষোভ ও সহানুভূতির সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগী গৃহবধূ রুমা আক্তার এই বিষয়ে সমাজ ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন মহলের হস্তক্ষেপ এবং ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেছেন।