আন্তর্জাতিক ডেক্স:
বিশ্ব রাজনিতির ইতিহাসে এক চরম উত্তে জনাকার মহুর্ত। হরমুজ প্রনালিতে মাকিন নো বাহিনির একটি জুদ্ধ জাহাজের সরাসরি মিসাইল হামলা চালিয়েছে ইরান।পারস্য উপসাগরের কৌশলগত জলসীমায় যখন ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে মার্কিন বাহিনী ইরান ঘোষিত ব্লকেড ভাংগার চেষ্টা করছিল ঠিক সে সময় গর্জে উঠলো ইরানের মিসাইল। একের পর এক দুটি মিসাইল মার্কিন রনণতরীতে আঘাত হেনেছে বলে খবর পাওউয়া যাচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্ছে কি তবে এবার সরাসরি মহা যুদ্ধ শুরু হয়ে গেল? কি ঘটে ছিলো সোমাবারের সেই উত্তাল সমুদ্রে? ইরানের বার্তা ফাস্ট নিউজের রিপোর্ট অনুযায়ী সোমবার ইরানের জাস্ক বন্দরের কাছে একট মার্কিন যুদ্ধ জাহাজ আর্ন্তজাতিক আইন লঙ্ঘন করে হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করে চেষ্টা করছিল। ইরানের নৌ বাহিনী সে জাহাজটিকে বারবার সতর্কবার্তা পাঠালেও তারা তা অগ্রাহ্য করে।
এর পরপরই ইরানের বাহিনি দুটি মিজাইল ছুড়ে জাহাজটিকে নিশানা করি। রিপোর্টে দাবি কর হয়েছে এই হামলায় মার্কিন জাহাজটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং নিজের গতিপথ বদলে ঐ অলেলাকা থেকে পিছিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছেতবে এখনো পর্যন্ত হতাহতের সং্খ্যা জানা যায়নি।
কিন্তু হটাৎ কেনো এই পরিস্তিতি! ঘটনার শুত্রপাত মার্কিন প্রসিডেন ডোনাল ট্রাম্পের একটি ঘোষনা থেকে। তিনি দাবি করে ছিলেন সোমবার সকাল থেকে। অ্যামেরিকা প্রজেক্ট প্রিডম শুরু করবে। যার লক্ষ্য হল ইরানের দেওয়া ব্লকেড ভেংগে হরমুজ প্রণালীতে আটকে পড়া জাহাজগুলোকে মুক্ত করা।
Trump এই ঘোষনার কয়ক ঘন্টার মধে সেন্টকম জানাই তারা বানিজ্যিক জাহাজ গুলোকে পাহারা দিয়ে নিয়ে যাবে। কিন্তু ইরানের জেনারেল আলী আব্দুল্লাহি হুশিয়ারি দিয়েছিলেন অনুমতি ছাড়া হরমুজ প্রণালীতে ডুকলে হামলা চালানো হবে আর সে সেটাই ঘটল।
এই উত্তেজনার শুরু গত ২৮ ফেব্রারি থেকে যখন অ্যামেরিকা ও ইজ্রাইল ইরানের উপর অতকিত হামলা চালায়। যে হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা ও ইরানের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা শাহাদাৎ বরণ করেন। এরপরই ইরান পালটা প্রতিশোধ হিসেবে একশটি ওয়েভে কয়েক হাজার মিসাইল ও ড্রোন হামলা চালায়। সেই সাথে ইরান কৌশলগত হরমুজ প্রণালী শত্রু দেশগুলোর জন্য বন্ধ করে দেই।
এখন এমেরিকা যখন শক্তি প্রদর্শন করে সেই জলপাত খোলার চেষ্টা করছে তখনি এই সরাসরি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটল। ইরানি বাহিনি এক বিবৃতিতে একটি নতুন স্মার্ট কন্ট্রোল জোন ঘোষণা করেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরা থেকে ইরানের মোবারক পর্বত পর্যন্ত এই এলাকাটি এখন সম্পূর্ণ ইরানের নিয়ন্ত্রণে।
ইরান স্পস্ট জানিয়ে দিয়েছে এই জলপথ দিয়ে কোন জাহাজ যেতে চাইলে তাদের কাছ থাকে অফিশিযাল অনুমতি নিতে হবে। ট্রাম্পের জেদ আর ইরানের হার্টলাইন এখন বিশ্বের অর্থনীতি ও বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের বাজারে চরম অস্থিরতা তৈরি করছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে এক্ব সামুদ্রিক দস্যুতা ও উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ড হিসেবে অবহিত করেছে
পেন্টাগনের সুত্র অনুযায়ী মার্কিন নৌ বাহিনী এখন তাদের পঞ্চম নৌ বহর কে উচ্চ সতর্ক অবস্থায় রেখেছে এবং যে কনো সময় বড় ধরনের রিটালিট স্ট্রাইক বা পালটা আক্রমণের প্রস্তুতি নিচ্ছে। অন্যদিকে গত ২৮ ফেব্রুয়ারী থেকে চলা এই সংঘাতে ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব হারানোই তেহরান ও ডু আর ডাই বা বাঁচা মরার লড়াইয়ে নেমেছে।
আন্তরজাতিক কুটনিতিবিদরা আশংকা করছেন যে, দুই দেশের এই জেদ যদি প্রশমিতো না হয় তবে পারস্য উপসাগরিয় এই উত্তেজনা অতি দ্রুত পারমানবিক বা একটি পূর্নাঙ্গ আঞ্চলিক যুদ্ধে রুপ নিতে পারে যা সামলানোর ক্ষমতা বর্তমান বিশ্বের নেই। গোয়েন্দা রিপোর্ট অনুযায়ী ইরান এই এলাকায় অত্যন্ত শক্তিশালী। ইলেকট্রনিক ওয়ার ফেয়ার সিস্টেম মোতায়েন করেছে যা মার্কিন যুদ্ধ জাহাজের জিপিএস এবং রাডার ব্যবস্থাকে বিভ্রান্ত করত্ব সক্ষম।
সোমবারের হামলা সময় দেখা গেছে মার্কিন রণতরীটি ইরানের নৌবাহিনির বার বার দেয়া সতর্কবার্তা উপেক্ষা করার পেছনে একটি বড় কারণ হতে পারে তাদের যোগাযোগ ব্যবস্থায় গোলযোগ। মেজর জেনারেল আলী আব্দুল্লাহির হুশিয়ারি যেকোনো বিদেশি জাহাজ বানিজ্যিক হোক বা সামরিক হোক। যদি ইরানের এই ডিজিটাল বা ফিজিক্যাল সীমানা অনুমোদনহীনভাবে অতিক্রম করে তবে তাদেকে কেবল মিসাইল নই ইরানের অদৃশ্য ইলেকট্রনিক হামলার শিকার হতে হবে।
এই পরিস্থিতি পেন্টাগন কে নতুন করে ভাবিয় তুলছে কারণ প্রথাগত যুদ্ধের ছে এই ডিজিটাল বাধা অতিক্রম করা অনেক বেশি জটিল। মার্কিন জাহাজে এই হামলা কি দুই দেশের মধ্যে সরাসরি যুদ্ধের আবারও সূচনা নাকি বিশ্ব নেতারা আবার আলোচনার টেবিলে ফিরবেন।পরিস্থিতি যেদিকে যাক না কেন মধ্যপ্রাচ্যের এই আগ্নেয়গিরি এখন যেকোন সময় বিষ্পোরিতে হতে পারে। আপনাদের কি মনে হয় ট্রাম্প কি পালটা আক্রমণ করবেন