নিজস্ব প্রতিবেদক: কক্সবাজারের চকরিয়া পৌরসভা এলাকায় দিনেদুপুরে এক যুবককে কুপিয়ে জখম করে নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার বিকেলে পৌরসভার বাটাখালী সেতুর পাশে এ ঘটনা ঘটে।
আহত যুবকের নাম আজিজুল হক। তিনি পৌরসভার বাটাখালী মাস্টারপাড়ার বাসিন্দা নূর মোহাম্মদের ছেলে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল-এ স্থানান্তর করা হয়।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সোমবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে আজিজুল হক তার মেজ বোন মিনা আক্তারের কাছ থেকে গরু বিক্রির ৬০ হাজার টাকা নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে বাটাখালী সেতুর পশ্চিম পাশে পৌঁছালে কয়েকজন দুর্বৃত্ত তার পথরোধ করে। তারা তার কাছ থেকে টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে তিনি বাধা দেন।
এ সময় দুর্বৃত্তরা ধারালো দা দিয়ে তার মাথায় আঘাত করে এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারধর করে গুরুতর জখম করে। পরে তার কাছে থাকা নগদ ৬০ হাজার টাকা ও একটি অপ্পো ব্র্যান্ডের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় সোমবার রাতে আজিজুল হক চকরিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মাস্টারপাড়া এলাকার সোলতান আহমদের ছেলে মোহাম্মদ টিপু, মোহাম্মদ নূরুর ছেলে মোহাম্মদ রিয়াদসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও দুই-তিনজনকে আসামি করা হয়েছে।
ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত আহত আজিজুলকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসক তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানোর পরামর্শ দেন।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, অভিযুক্ত টিপু ইতি পূর্বেও ডাকাতি মামলায় গ্রেফতার হয়ে জেল খেটে এসেছে, তার একটা সাঁতা আট জনের সংঘবদ্ধ দল আছে, তারা দিনের বেলা ইডেনপাক ক্লাবের সামনে,গাছের ঝোপের ভিতরে বিছানা পেতে জুয়া খেলে ও ইয়াবা সেবন করে সারাদিন, রাতের বেলায়, চুরি চিন্তাই সহ,বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়ে, এলাকাবাসী তাদের কারণে অতিষ্ট,প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করতছে। বাটাখালী ব্রিজ থেকে রুহুল কাদের চৌধুরী বাড়ি পর্যন্ত এলাকায় যত ডাকতি হয় সব গুলো তে টিপু ও তার দল জডিত থাকে।
এ বিষয়ে চকরিয়া থানার অপারেশন অফিসার উপপরিদর্শক (এসআই) ফরিদ উদ্দিন বলেন, “এক যুবককে পিটিয়ে টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনতাইয়ের ঘটনায় অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”