“বিচ্ছেদ বিষাদ”
ঝরিয়া পড়িয়াছিলো শিউলি আলোঝরা পূর্ণিমা রাতে,
জানিতো কি সে শরত-কুয়াশায় ভিজিবে আগমনী শুভ-প্রাতে?
কতো শিউলি তো ছিলো তাহার সনে একই গাছে, একই ডালে,
ভাব ছিলো তার কতকের সাথে, হইতো কথা সুখ-দুঃখের, মনো আশা আর দিলে ব্যথে,
ঝরিয়া কি সকলে পড়িয়াছিলো, তাহার বিয়োগে, তাহার ই সাথে সাথে?
উঠিলো সূর্য, আসিলো প্রভাত, শিউলি এইবার খোঁজে,
তাহার সকল সঙ্গী কি-বা ঝরিয়াছে তাহার সনে?
বান্ধব তাহার সকলেই গাছে, বড্ড ব্যথা লাগিলো তাহার মনে!
এ জহতে হায়! দুঃখের সাথী হইবার নিমিত্তে কে বা ঝরিয়া পড়ে প্রাণের বান্ধবের সনে?
প্রাণের সঙ্গী হারাইয়াও বাঁচিয়া আছে পক্ষী একেলা, বৃহৎ সে নিকুঞ্জ বনে!
প্রাণের থেকে সখা দামী কিছু নহে, প্রাণে বাঁচিবার নিমিত্তেই মোরা ভালোবাসি,
জোড় ছাড়া হয়না ঘর, তাই ঘর বাঁধিবার নিমিত্তেই মোরা কাছে আসি,
তাইতো সখা হারাইয়া গেলে দুখের পাথারে মোরা ভাসি,
স্বার্থের দুনিয়ায় স্বার্থ ছাড়া কাছে আসা নিতান্তই মিছামিছি!!