নিজস্ব প্রতিবেদক
সংরক্ষিত নারী আসনে প্রার্থীতা ঘিরে আলোচনায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক নেত্রী, সাবেক কাউন্সিলার ও মহিলা দলের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাবেক সাধারণ সম্পাদিকা শামসুন্নাহার ভুঁইয়া।
জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন পেতে বিএনপিতে মহিলা দলের পাশাপাশি সাবেক ছাত্রদল করা নেত্রীরা বেশ এগিয়ে আছেন।
জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন ৫০টি। প্রতি ছয়জন সাধারণ সদস্যের বিপরীতে একটি সংরক্ষিত নারী আসন বণ্টন হবে।
১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপি এককভাবে ২০৯টি আসনে জয় পায়। আসন অনুপাতে সংরক্ষিত ৫০টি নারী আসনের মধ্যে দলটি পাবে ৩৫টি।
বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এবার সংরক্ষিত নারী আসনগুলো হবে নবীন-প্রবীণের মিশ্রণে।
নেত্রীদের মধ্যে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাবেক সাধারণ সম্পাদিকা শামসুন্নাহার ভুঁইয়া বর্তমানে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য। তিনি সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসেবে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে।
১৯৮৩-৮৪ সালের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (তৎকালীন কলেজ) ছাত্রদলের ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার আগে থেকে সক্রিয় সদস্য হিসেবে আন্দোলন সংগ্রামে অংশ নেন শামসুন্নাহার ভুঁইয়া। ১৯৯০ সালের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন। থানা পর্যায়ের বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালনের পরে, ২০০৩-৭ সাল পর্যন্ত বৃহত্তর লালবাগ থানা মহিলা দলের আহ্বায়ক ও পরে ২০১৫- ২০ সাল পর্যন্ত ঢাকা মহানগর দক্ষিণ মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদিকার দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
জনপ্রতিনিধি হিসেবে জনপ্রিয় কাউন্সিলার শামসুন্নাহার ভুঁইয়া ২০১৫ ও ২০১৯ সালের ব্যাপক কারচুপির মধ্যেও বিএনপির থেকে নির্বাচন করে বিপুল ভোটে আওয়ামী লীগের প্রার্থীকে পরাজিত করেন।
তিনি ২০০১ সালে অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের পুরান ঢাকার ২৭,২৮ ও ৩০ নং ওয়ার্ড প্রথমবার ও পরে আবারও ঢাকাকে দুই ভাগে ভাগ করলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ২৭,২৮ ও ৩০ নং ওয়ার্ড থেকে ২০১৫ সালে ও ২০১৯ সালের নির্বাচনে জয় পান। অর্থাৎ টানা তিনবারের সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলার ছিলেন তিনি।
পারিবারিকভাবে স্বামী সিরাজুল ইসলাম জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (তৎকালীন জগন্নাথ কলেজ) ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাকালীন সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।