আবুল কাসেম,মহেশখালীঃ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেলে ও ককসবাজার-০২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ড.এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ সাংবাদিকের সাথে মতবিনিময় কালে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন হ্যাঁ জয় যুক্ত হলে সংবিধান সংস্কারের মাধ্যমে আল্লাহর প্রতি অবিচল বিশ্বাস ফিরে আনা যাবে।
নির্বাচন সুষ্ঠু করার লক্ষ্যে সাংবাদিকদের সক্রিয় ভুমিকা রাখতে হবে,বিশেষ করে প্রশাসনের সক্রিয় ভুমিকা একান্ত জরুরী।
তিনি বলেন নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘন নিয়মিত হয়েই যাচ্ছে যেমন পোষ্টারে কারো ছবি ব্যবহার,রাত ৮টার পর সাউন্ড বাজানো, ফ্যামেলি কার্ড বিতরণ ইত্যাতি
ফ্যামেলি কার্ড বিতরণ আ:লীগের ১০টায় চাউল বিতরণে ন্যায় একটি ফাঁদ কিনা সন্দেহ হচ্ছে।
অন্যন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ককসবাজার জেলা কর্মপরিষদ সদস্য জনাব জাকের হোসাইন,মহেশখালী উপজেলা দক্ষিণ আমির মাষ্টার শামীম ইকবাল ও সেক্রেটারি হাপেজ আব্দু রহিম, এড.কবির আহমদ,সাবেক ছাত্রনেতা ইমরানুল হকসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন,আমিরে জামায়াতের জামায়াতের আগমন মুলতঃ কমিনিউকেশন দূর্গম হওয়া, গুরুত্বপূর্ণ এরিয়াসহ ওনার আগ্রহের কারণে ২তারিখের আগমন নির্ধারণ সম্ভব হয়েছে।
পেইজবুকে ভাইরাল হওয়া এক বক্তব্যে তিনি মরা লাশ বলেছেন,বিষয়টি ক্লিয়ার করে বলেন,আমি জনগণকে মরালাশ বলার প্রশ্নই আসে না,কয়েক বার সমাবেশ করেছি,উপদেষ্টাকে ফোন করে জানিয়েছি এরূপ একটা বিষয় নিয়ে কেউ কেউ ঢাকায় গিয়ে ক্রেডিট নেওয়া প্রকৃত অর্থে মরা লাশ, এটা দ্বারা জনগণকে মরালাশ বলার কিছু নেই।
সর্বশেষ তিনি নির্বাচিত হলে স্বচ্ছতা,জবাবদিহিতা আমরা প্রতিষ্ঠা করব এটা নাই বলেই বিগত সরকারের আমলে দেশ উন্নত হয়নি এবং জনগণও তাদের ন্যায্য অধিকার ফিরে পায়নি।
মহেশখালীকে সিঙ্গাপুরের আদলে গড়ে তুলা হবে এটি আমি যখন সংসদ সদস্য ছিলাম তখনও আমার নির্বাচনী ইশতেহারে ছিল,কারণ সিঙ্গাপুর নিয়ে আমার স্টাডি আছে, আমি ওখনে গিয়েছি তাই ঐ দেশ যেভাবে উন্নতি সাধিত হয়েছে সেভাবেই আমার মহেশখালীকে গড়ে তুলা হবে।