ঢাকা ১২:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারে অনন্য ভুমিকা পালনে পুরস্কৃত ইন্সপেক্টর মো. মাসুদ মাদারগঞ্জে বজ্রপাতে প্রাণ গেল এক কৃষকের দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়ায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী প্রথম সফর, প্রথম বার্তা: বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির নতুন অধ্যায়ের ইঙ্গিত বাবা দিবসে মঈনের গল্প: বাবার জন্য সন্তানের নিরন্তর লড়াই উত্তর ইসলামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সীমানা প্রাচীর ও গেট নির্মাণের জোর দাবি কক্সবাজার বিমানবন্দরে ইয়াবাসহ নারী আটক, সদর থানায় হস্তান্তর জামালপুরে ডিবির অভিযানে ভারতীয় মদ উদ্ধার আটক-২ জামালপুরে দরিদ্র মানুষদের মাঝে ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের মৌসুমী ফল বিতরণ কেন্দ্র ঘোষিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করল ছাত্রশিবির ময়নামতি থানা শাখা

অসহায় সাদ্দামের পাশে জবি ছাত্রদল নেতা শাহরিয়ার

জবি প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৮:২৪:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬ ৩৬ বার পড়া হয়েছে
নিউজ ভিশনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় গেটের পাশে ছোট্ট একটি পানের দোকান চালায় সাদ্দাম। বয়স আনুমানিক ১০ বছর। সংসারের হাল ধরতে এই বয়সেই জীবিকার তাগিদে রাস্তায় নেমেছে সে। চার ভাইবোন ও মায়ের দায়িত্ব অনেকটাই তার কাঁধে। পরিবারের খোঁজখবর নেন না বাবা। বড় ভাই জন্ম থেকেই প্রতিবন্ধী। অভাব-অনটনের মধ্যেই পরিবারের জন্য সংগ্রাম করে যাচ্ছে সাদ্দাম।

সম্প্রতি গণমাধ্যমে সাদ্দামের জীবনসংগ্রামের খবর প্রকাশিত হলে বিষয়টি নজরে আসে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের। এরপর অসহায় এই শিশুর পাশে দাঁড়ান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শাহরিয়ার হোসেন।

আজ রবিবার সাদ্দামের সঙ্গে দেখা করে তার খোঁজখবর নেন শাহরিয়ার হোসেন। এ সময় তিনি সাদ্দামের হাতে নগদ অর্থ তুলে দেন। পাশাপাশি ভবিষ্যতেও তার পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

শাহরিয়ার হোসেন বলেন, “সাদ্দামের গল্প শুনে খুব কষ্ট পেয়েছি। যে বয়সে তার স্কুলে থাকার কথা, সেই বয়সে তাকে পরিবারের দায়িত্ব নিতে হয়েছে। সমাজের বিত্তবান মানুষ ও দায়িত্বশীলদের এমন শিশুদের পাশে দাঁড়ানো উচিত। আমার সামর্থ্যের জায়গা থেকে তার জন্য কিছু করার চেষ্টা করেছি।”

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল বলেন, “সাদ্দামের মতো অসংখ্য শিশু দারিদ্র্যের কারণে শৈশব হারাচ্ছে। তাদের শিক্ষা ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে সমাজের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। ছাত্রদল সবসময় অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করে।”

ছাত্রদলের সদস্য সচিব শামসুল আরেফিন বলেন, “মানবিক দায়িত্ববোধ থেকেই ছাত্রদল পরিবার সাদ্দামের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি। আমরা চাই সমাজের অন্যান্য সংগঠন ও সামর্থ্যবান ব্যক্তিরাও এমন শিশুদের সহযোগিতায় এগিয়ে আসুক। সম্মিলিত উদ্যোগেই তাদের জন্য একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা সম্ভব।”

এদিকে সহায়তা পেয়ে আনন্দ প্রকাশ করেছে সাদ্দাম ও তার পরিবার বলেন, সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এভাবে এগিয়ে এলে আমাদের মতো পরিবারগুলোর কষ্ট অনেকটাই লাঘব হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

অসহায় সাদ্দামের পাশে জবি ছাত্রদল নেতা শাহরিয়ার

আপডেট সময় : ০৮:২৪:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় গেটের পাশে ছোট্ট একটি পানের দোকান চালায় সাদ্দাম। বয়স আনুমানিক ১০ বছর। সংসারের হাল ধরতে এই বয়সেই জীবিকার তাগিদে রাস্তায় নেমেছে সে। চার ভাইবোন ও মায়ের দায়িত্ব অনেকটাই তার কাঁধে। পরিবারের খোঁজখবর নেন না বাবা। বড় ভাই জন্ম থেকেই প্রতিবন্ধী। অভাব-অনটনের মধ্যেই পরিবারের জন্য সংগ্রাম করে যাচ্ছে সাদ্দাম।

সম্প্রতি গণমাধ্যমে সাদ্দামের জীবনসংগ্রামের খবর প্রকাশিত হলে বিষয়টি নজরে আসে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের। এরপর অসহায় এই শিশুর পাশে দাঁড়ান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শাহরিয়ার হোসেন।

আজ রবিবার সাদ্দামের সঙ্গে দেখা করে তার খোঁজখবর নেন শাহরিয়ার হোসেন। এ সময় তিনি সাদ্দামের হাতে নগদ অর্থ তুলে দেন। পাশাপাশি ভবিষ্যতেও তার পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

শাহরিয়ার হোসেন বলেন, “সাদ্দামের গল্প শুনে খুব কষ্ট পেয়েছি। যে বয়সে তার স্কুলে থাকার কথা, সেই বয়সে তাকে পরিবারের দায়িত্ব নিতে হয়েছে। সমাজের বিত্তবান মানুষ ও দায়িত্বশীলদের এমন শিশুদের পাশে দাঁড়ানো উচিত। আমার সামর্থ্যের জায়গা থেকে তার জন্য কিছু করার চেষ্টা করেছি।”

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল বলেন, “সাদ্দামের মতো অসংখ্য শিশু দারিদ্র্যের কারণে শৈশব হারাচ্ছে। তাদের শিক্ষা ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে সমাজের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। ছাত্রদল সবসময় অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করে।”

ছাত্রদলের সদস্য সচিব শামসুল আরেফিন বলেন, “মানবিক দায়িত্ববোধ থেকেই ছাত্রদল পরিবার সাদ্দামের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি। আমরা চাই সমাজের অন্যান্য সংগঠন ও সামর্থ্যবান ব্যক্তিরাও এমন শিশুদের সহযোগিতায় এগিয়ে আসুক। সম্মিলিত উদ্যোগেই তাদের জন্য একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা সম্ভব।”

এদিকে সহায়তা পেয়ে আনন্দ প্রকাশ করেছে সাদ্দাম ও তার পরিবার বলেন, সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এভাবে এগিয়ে এলে আমাদের মতো পরিবারগুলোর কষ্ট অনেকটাই লাঘব হবে।