ঢাকা ০৫:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কুবি উচ্চ শিক্ষা সেলের নতুন তত্ত্বাবধায়ক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার গাজী নজরুল এমপির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে জামায়াত চকরিয়া পৌরসভার তরছঘাট সড়কের বেহাল দশা! এক সপ্তাহেই শেষ আট মাসের পরিশ্রম, বন্যায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতিতে কৃষক ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেনের অভিযোগে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা বরখাস্ত সমিতিপাড়ায় কিশোর সুকান্ত হত্যা মামলার পলাতক আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তার ভিক্ষুকদের আত্মনির্ভরশীল করতে সমাজসেবা অফিসের উদ্যোগ চট্টগ্রাম জব ফেয়ার ২০২৬-এ ‘বেস্ট ক্লাব পার্টনার অ্যাওয়ার্ড’ পেল ইয়ুথ এন্ডিং হাঙ্গার চট্টগ্রাম ইবিতে জিপিএসভিত্তিক জিওস্পেশিয়াল প্রযুক্তি বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ জয়ে স্পেনের জাতীয় ফুটবল দলকে অভিনন্দন জানালেন এরদোয়ান

১১ জুলাইকে ‘কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিরোধ দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:২৮:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬ ৮০ বার পড়া হয়েছে
নিউজ ভিশনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

কুবি প্রতিনিধি :

২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সারাদেশে প্রথম পুলিশি হামলার শিকার হওয়া কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অবদানকে স্বীকৃতি দিয়ে ১১ জুলাইকে ‘কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিরোধ দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একইসঙ্গে দিনটিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্যালেন্ডারে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্তও গৃহীত হয়েছে।

সোমবার (২৯ জুন) অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১০তম সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ও সিন্ডিকেট সদস্য-সচিব মোহাম্মদ নূরুল করিম চৌধুরী।

তিনি বলেন, “কিছুদিন আগে শিক্ষার্থীরা ১১ জুলাইকে প্রতিরোধ দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছিল। সেই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১০তম সিন্ডিকেট সভায় ১১ জুলাইকে ‘কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিরোধ দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।”

২০২৪ সালের জুলাইয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ১১ জুলাই কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সারাদেশে প্রথম পুলিশি হামলার শিকার হন। ওইদিন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর রাবার বুলেট ও টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করা হলে অসংখ্য শিক্ষার্থী আহত হন। দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এ উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ জুলাই কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত ‘স্মৃতির মিনার’ অনুষ্ঠানে তৎকালীন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া প্রথমবারের মতো ১১ জুলাইকে ‘প্রতিরোধ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন। সর্বশেষ সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্তের মাধ্যমে দিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি লাভ করল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

১১ জুলাইকে ‘কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিরোধ দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি

আপডেট সময় : ০৬:২৮:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

কুবি প্রতিনিধি :

২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সারাদেশে প্রথম পুলিশি হামলার শিকার হওয়া কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অবদানকে স্বীকৃতি দিয়ে ১১ জুলাইকে ‘কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিরোধ দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একইসঙ্গে দিনটিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্যালেন্ডারে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্তও গৃহীত হয়েছে।

সোমবার (২৯ জুন) অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১০তম সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ও সিন্ডিকেট সদস্য-সচিব মোহাম্মদ নূরুল করিম চৌধুরী।

তিনি বলেন, “কিছুদিন আগে শিক্ষার্থীরা ১১ জুলাইকে প্রতিরোধ দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছিল। সেই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১০তম সিন্ডিকেট সভায় ১১ জুলাইকে ‘কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিরোধ দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।”

২০২৪ সালের জুলাইয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ১১ জুলাই কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সারাদেশে প্রথম পুলিশি হামলার শিকার হন। ওইদিন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর রাবার বুলেট ও টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করা হলে অসংখ্য শিক্ষার্থী আহত হন। দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এ উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ জুলাই কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত ‘স্মৃতির মিনার’ অনুষ্ঠানে তৎকালীন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া প্রথমবারের মতো ১১ জুলাইকে ‘প্রতিরোধ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন। সর্বশেষ সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্তের মাধ্যমে দিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি লাভ করল।