ঢাকা ০৬:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যেকোনো সময় ভারত সফরে যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রী আগামী মন্ত্রিসভার বৈঠকে উঠছে নবম জাতীয় পে স্কেল ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সাংবাদিককে হুমকি দিয়ে সংবাদ সরিয়ে নেওয়ার অপচেষ্টায় গ্র্যাজুয়েট প্রেস ক্লাবের নিন্দা ও প্রতিবাদ ঘুমধুম সীমান্তে ২ লক্ষ ৪৬ হাজার ইয়াবাসহ বিদেশী পিস্তল ও গুলি উদ্ধার বদরখালী কলোনিজেশন উচ্চ বিদ্যালয়ের সাদিয়া আফরিন কনকের গোল্ডেন A+ অর্জন বদরখালী ইউনিয়ন ছাত্রদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা রাষ্ট্রপতি পদে অলি আহমদের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ১১ দলীয় ঐক্যের ‎শান্তিগঞ্জে অভিভাবকশূন্য প্রশাসন, ‎বিলাসিতায় কার্যক্রম-ভোগান্তিতে জনগণ ‎

সবজির বাজারে কিছুটা স্বস্তি, বাড়ল চালের দাম

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৫৬:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬ ৪৬ বার পড়া হয়েছে
নিউজ ভিশনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

পবিত্র ঈদুল আজহা শেষে বাজারে মাছ ও সবজির প্রতি আগ্রহ বেড়েছে মানুষের। কাঁচাবাজারে দোকানগুলোতে থরে থরে সাজানো নানা জাতের সবজি। দামে কিছুটা স্বস্তি রয়েছে। কমেনি মাছের দাম। আগের চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে ছোট-বড় সব মাছ। তবে অস্বস্তির বার্তা হলো বাজারে বেড়েছে চালের দাম।

আজ শুক্রবার রাজধানীর কয়েকটি বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, আগের তুলনায় বেশিরভাগ সবজির দাম কমেছে। প্রতি কেজি পটোল বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়, বেগুন ৬০ টাকা, শসা ৬০ টাকা, কাঁকরোল ৫০ টাকা, পেঁপে ৪০ টাকা এবং মিষ্টি কুমড়া ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে  করলা ৮০ টাকা, ঢেঁড়শ ৬০ টাকা, কচুর চারা ৬০ টাকা, লতি ৬০ টাকা, ঝিঙে ৬০ টাকা, লম্বা বেগুন ৮০ টাকা, গোল বেগুন ৬০ টাকা। এ ছাড়া লেবু প্রতি হালি বিক্রি হচ্ছে ১০ টাকায়।

এদিকে চালের দাম ভোক্তাদের নতুন করে চিন্তায় ফেলেছে। ৫০ কেজির বস্তায়ও ১০০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়েছে। বাজারে প্রতি কেজি আটাশ চাল ৫০ থেকে ৫২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগে ছিল ৪৮ থেকে ৫০ টাকা। মিনিকেট চাল বিক্রি হচ্ছে ৬৮ থেকে ৭২ টাকায়, আগে ছিল ৬৬ থেকে ৬৭ টাকা। নাজিরশাইল বিক্রি হচ্ছে ৭২ থেকে ৮০ টাকায়, আগে ছিল ৬৫ থেকে ৭৮ টাকা।

চাল ব্যবসায়ীরা জানান, ভারতীয় চাল আসা কমে গেছে, এলসিও বন্ধের মতো পরিস্থিতি হয়েছে। ফলে বাজারে সরবরাহ কমে গেছে। সে কারণেই দাম বেড়েছে।

তবে মাছের বাজারেও স্বস্তি নেই। বাজারে চাষের রুই মাছ প্রতি কেজি ৩৫০ টাকা, পাঙ্গাস ২২০ টাকা এবং চাষের শিং মাছ ৩৮০ টাকা, পাবদা ৪০০ টাকা, চিংড়ি ৮০০-১৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতাদের দাবি, মাছের উৎপাদন ও পরিবহন ব্যয় বেশি থাকায় দাম কমার সুযোগ কম।

গরুর মাংসের দাম আগের মতই ৮০০-৮৫০ টাকা, খাসির মাংসের দাম ১১০০ থেকে ১২০০ টাকা। তবে বিক্রেতারা বলছেন কোরবানির পরে মাংসের বেচাকেনা কম।

তবে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে মুরগি ও ডিমের বাজারে। ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা কমে এখন ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সোনালি মুরগির দামও ৬০ থেকে ৮০ টাকা কমে ৩০০ থেকে ৩২০ টাকায় নেমে এসেছে।

ডিমের বাজারেও দেখা দিয়েছে কিছুটা স্বস্তি। বর্তমানে প্রতি ডজন লাল ডিম ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগের তুলনায় প্রায় ১০ টাকা কম। ডিম বিক্রেতা সোলায়মান বলেন, সরবরাহ স্বাভাবিক হয়েছে। তাই দাম কিছুটা কমেছে। পাইকারি বাজারেও এখন তেমন চাপ নেই।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সবজির বাজারে কিছুটা স্বস্তি, বাড়ল চালের দাম

আপডেট সময় : ০২:৫৬:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

পবিত্র ঈদুল আজহা শেষে বাজারে মাছ ও সবজির প্রতি আগ্রহ বেড়েছে মানুষের। কাঁচাবাজারে দোকানগুলোতে থরে থরে সাজানো নানা জাতের সবজি। দামে কিছুটা স্বস্তি রয়েছে। কমেনি মাছের দাম। আগের চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে ছোট-বড় সব মাছ। তবে অস্বস্তির বার্তা হলো বাজারে বেড়েছে চালের দাম।

আজ শুক্রবার রাজধানীর কয়েকটি বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, আগের তুলনায় বেশিরভাগ সবজির দাম কমেছে। প্রতি কেজি পটোল বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়, বেগুন ৬০ টাকা, শসা ৬০ টাকা, কাঁকরোল ৫০ টাকা, পেঁপে ৪০ টাকা এবং মিষ্টি কুমড়া ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে  করলা ৮০ টাকা, ঢেঁড়শ ৬০ টাকা, কচুর চারা ৬০ টাকা, লতি ৬০ টাকা, ঝিঙে ৬০ টাকা, লম্বা বেগুন ৮০ টাকা, গোল বেগুন ৬০ টাকা। এ ছাড়া লেবু প্রতি হালি বিক্রি হচ্ছে ১০ টাকায়।

এদিকে চালের দাম ভোক্তাদের নতুন করে চিন্তায় ফেলেছে। ৫০ কেজির বস্তায়ও ১০০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়েছে। বাজারে প্রতি কেজি আটাশ চাল ৫০ থেকে ৫২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগে ছিল ৪৮ থেকে ৫০ টাকা। মিনিকেট চাল বিক্রি হচ্ছে ৬৮ থেকে ৭২ টাকায়, আগে ছিল ৬৬ থেকে ৬৭ টাকা। নাজিরশাইল বিক্রি হচ্ছে ৭২ থেকে ৮০ টাকায়, আগে ছিল ৬৫ থেকে ৭৮ টাকা।

চাল ব্যবসায়ীরা জানান, ভারতীয় চাল আসা কমে গেছে, এলসিও বন্ধের মতো পরিস্থিতি হয়েছে। ফলে বাজারে সরবরাহ কমে গেছে। সে কারণেই দাম বেড়েছে।

তবে মাছের বাজারেও স্বস্তি নেই। বাজারে চাষের রুই মাছ প্রতি কেজি ৩৫০ টাকা, পাঙ্গাস ২২০ টাকা এবং চাষের শিং মাছ ৩৮০ টাকা, পাবদা ৪০০ টাকা, চিংড়ি ৮০০-১৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতাদের দাবি, মাছের উৎপাদন ও পরিবহন ব্যয় বেশি থাকায় দাম কমার সুযোগ কম।

গরুর মাংসের দাম আগের মতই ৮০০-৮৫০ টাকা, খাসির মাংসের দাম ১১০০ থেকে ১২০০ টাকা। তবে বিক্রেতারা বলছেন কোরবানির পরে মাংসের বেচাকেনা কম।

তবে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে মুরগি ও ডিমের বাজারে। ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা কমে এখন ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সোনালি মুরগির দামও ৬০ থেকে ৮০ টাকা কমে ৩০০ থেকে ৩২০ টাকায় নেমে এসেছে।

ডিমের বাজারেও দেখা দিয়েছে কিছুটা স্বস্তি। বর্তমানে প্রতি ডজন লাল ডিম ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগের তুলনায় প্রায় ১০ টাকা কম। ডিম বিক্রেতা সোলায়মান বলেন, সরবরাহ স্বাভাবিক হয়েছে। তাই দাম কিছুটা কমেছে। পাইকারি বাজারেও এখন তেমন চাপ নেই।