ঢাকা ০৮:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যেকোনো সময় ভারত সফরে যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রী আগামী মন্ত্রিসভার বৈঠকে উঠছে নবম জাতীয় পে স্কেল ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সাংবাদিককে হুমকি দিয়ে সংবাদ সরিয়ে নেওয়ার অপচেষ্টায় গ্র্যাজুয়েট প্রেস ক্লাবের নিন্দা ও প্রতিবাদ ঘুমধুম সীমান্তে ২ লক্ষ ৪৬ হাজার ইয়াবাসহ বিদেশী পিস্তল ও গুলি উদ্ধার বদরখালী কলোনিজেশন উচ্চ বিদ্যালয়ের সাদিয়া আফরিন কনকের গোল্ডেন A+ অর্জন বদরখালী ইউনিয়ন ছাত্রদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা রাষ্ট্রপতি পদে অলি আহমদের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ১১ দলীয় ঐক্যের ‎শান্তিগঞ্জে অভিভাবকশূন্য প্রশাসন, ‎বিলাসিতায় কার্যক্রম-ভোগান্তিতে জনগণ ‎

সংসদ অভিমুখে তেলাপোকা জনতা পার্টি ; পুলিশের সাথে সংঘর্ষ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:২২:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬ ১০০ বার পড়া হয়েছে
নিউজ ভিশনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

ভারতের সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশন শুরু হচ্ছে সোমবার থেকে। পুলিশের অনুমতি না থাকা সত্ত্বেও অধিবেশনের প্রথম দিনে ‘তেলাপোকা জনতা পার্টি’র (সিজেপি) হাজারো সমর্থক দিল্লিতে ‘চলো সংসদ’ কর্মসূচিতে অংশ নিতে জড়ো হন।

মেডিক্যাল কলেজে ভর্তির জাতীয় পরীক্ষায় কথিত অনিয়মের প্রতিবাদ এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে তারা জন্তর মন্তর থেকে সংসদের দিকে পদযাত্রার প্রস্তুতি নেন। তবে বিক্ষোভকারীদের মিছিল ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। এ সময় পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের ধস্তাধস্তি ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে মধ্য দিল্লির কিছু এলাকায় মোবাইল ইন্টারনেট সেবাও বন্ধ রাখা হয়েছে।

বিক্ষোভকারীদের বেশির ভাগই ছিলেন তরুণ-তরুণী। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষাগুলোতে কথিত অনিয়মের প্রতিবাদে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। বিক্ষোভকারীরা এসব ঘটনার জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করছেন।

তবে দিল্লি পুলিশ এই মিছিলের অনুমতি দেয়নি এবং রাস্তা ব্যারিকেড করা ও দাঙ্গা-নিয়ন্ত্রণকারী যানবাহন মোতায়েন করাসহ মধ্য দিল্লিজুড়ে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

দিল্লির জন্তর মন্তরে সোমবার ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) ও তাদের সমর্থকেরা ‘চলো সংসদে’ কর্মসূচি শুরু করতে জড়ো হলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা বাড়তে থাকলে তাদের সঙ্গে দিল্লি পুলিশের সংঘর্ষ হয়।

এর আগে, রবিবার দিল্লি পুলিশ এই কর্মসূচির অনুমতি দেয়নি এবং এলাকায় বড় ধরনের সমাবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল। নিরাপত্তার স্বার্থে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত দিল্লির পাঁচটি মেট্রো স্টেশন, রাজীব চক, জনপথ, প্যাটেল চক, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট এবং সেবা তীর্থ বন্ধ রাখা হয়। এর ফলে রাজধানীর বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনে যাত্রীদের ভোগান্তি ও বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়।

স্টেশনগুলো বন্ধ থাকায় শত শত যাত্রী আটকা পড়েন। অনেককে গন্তব্যে পৌঁছাতে বিকল্প ও দীর্ঘ পথ ব্যবহার করতে হয়। দিল্লির অন্যতম ব্যস্ত ইন্টারচেঞ্জ স্টেশন রাজীব চকে বন্ধ প্রবেশ ও বের হওয়ার গেটের সামনে যাত্রীদের দীর্ঘ সারি ও ভিড় দেখা যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সংসদ অভিমুখে তেলাপোকা জনতা পার্টি ; পুলিশের সাথে সংঘর্ষ

আপডেট সময় : ০১:২২:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

ভারতের সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশন শুরু হচ্ছে সোমবার থেকে। পুলিশের অনুমতি না থাকা সত্ত্বেও অধিবেশনের প্রথম দিনে ‘তেলাপোকা জনতা পার্টি’র (সিজেপি) হাজারো সমর্থক দিল্লিতে ‘চলো সংসদ’ কর্মসূচিতে অংশ নিতে জড়ো হন।

মেডিক্যাল কলেজে ভর্তির জাতীয় পরীক্ষায় কথিত অনিয়মের প্রতিবাদ এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে তারা জন্তর মন্তর থেকে সংসদের দিকে পদযাত্রার প্রস্তুতি নেন। তবে বিক্ষোভকারীদের মিছিল ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। এ সময় পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের ধস্তাধস্তি ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে মধ্য দিল্লির কিছু এলাকায় মোবাইল ইন্টারনেট সেবাও বন্ধ রাখা হয়েছে।

বিক্ষোভকারীদের বেশির ভাগই ছিলেন তরুণ-তরুণী। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষাগুলোতে কথিত অনিয়মের প্রতিবাদে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। বিক্ষোভকারীরা এসব ঘটনার জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করছেন।

তবে দিল্লি পুলিশ এই মিছিলের অনুমতি দেয়নি এবং রাস্তা ব্যারিকেড করা ও দাঙ্গা-নিয়ন্ত্রণকারী যানবাহন মোতায়েন করাসহ মধ্য দিল্লিজুড়ে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

দিল্লির জন্তর মন্তরে সোমবার ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) ও তাদের সমর্থকেরা ‘চলো সংসদে’ কর্মসূচি শুরু করতে জড়ো হলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা বাড়তে থাকলে তাদের সঙ্গে দিল্লি পুলিশের সংঘর্ষ হয়।

এর আগে, রবিবার দিল্লি পুলিশ এই কর্মসূচির অনুমতি দেয়নি এবং এলাকায় বড় ধরনের সমাবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল। নিরাপত্তার স্বার্থে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত দিল্লির পাঁচটি মেট্রো স্টেশন, রাজীব চক, জনপথ, প্যাটেল চক, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট এবং সেবা তীর্থ বন্ধ রাখা হয়। এর ফলে রাজধানীর বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনে যাত্রীদের ভোগান্তি ও বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়।

স্টেশনগুলো বন্ধ থাকায় শত শত যাত্রী আটকা পড়েন। অনেককে গন্তব্যে পৌঁছাতে বিকল্প ও দীর্ঘ পথ ব্যবহার করতে হয়। দিল্লির অন্যতম ব্যস্ত ইন্টারচেঞ্জ স্টেশন রাজীব চকে বন্ধ প্রবেশ ও বের হওয়ার গেটের সামনে যাত্রীদের দীর্ঘ সারি ও ভিড় দেখা যায়।