ঢাকা ০৩:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আজ জামায়াতে ইসলামীর ৮৬ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী বিনা খরচে ১০ হাজার কর্মীকে মালয়েশিয়া পাঠাবে সরকার ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ৫ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি রুহিয়া উপজেলায় প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় বীজ ও সার বিতরণ নবগঠিত রুহিয়া উপজেলার মাসিক আইনশৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত মহানবী(সা.)এর আদর্শ অনুসরণ করে একটি ন্যায় ও কল্যাণমুখী সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব-প্রধানমন্ত্রী কলকাতায় বঙ্গসেনা’র মিছিল থেকে বাংলাদেশ ভাগ করার ডাক কুবিতে ‘ক্রাউন অব আর্গুমেন্টে’ গ্র্যান্ড ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন গণিত বিভাগ একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ ভারতে আবারো আন্দোলনের ডাক দিলো ককোরোচ জনতা পার্টি

যতদিন জামায়াত থাকবে ততদিন আ’লীগ থাকবে-ফরহাদ মাজহার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:১৫:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬ ৬১ বার পড়া হয়েছে
নিউজ ভিশনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

বাংলাদেশে যত দিন জামায়াতে ইসলামী নাম নিয়ে রাজনীতি থাকবে, তত দিন আওয়ামী লীগও থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন কবি, চিন্তক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ফরহাদ মজহার। একইসঙ্গে তিনি ১৯৭২ সালের সংবিধান বাতিল করে নতুন গঠনতন্ত্র প্রণয়নের দাবি জানিয়েছেন।

রোববার (০২ আগস্ট) রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘৩৬ জুলাইয়ের অবদান: বিতর্ক ও ব্যর্থতার দায় পর্যালোচনা’ শীর্ষক সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন। সংলাপের আয়োজন করে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি।

ফরহাদ মজহার বলেন, ‘আমি বারবার একটি কথা বলেছি, যদিও অনেকে এতে রাগ করেছেন। আমি বলেছি, যত দিন জামায়াতে ইসলামী থাকবে, তত দিন বাংলাদেশে আওয়ামী লীগও থাকবে। আমি জামায়াতে ইসলামী নাম নিয়ে রাজনীতি করার ঘোরবিরোধী। কারণ, ইসলাম আমাদের ধর্ম। এর নীতিগত ও নৈতিক শিক্ষা একটি নতুন রাষ্ট্র ও নতুন সমাজ গঠনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

বক্তব্যের শুরুতে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশ প্রথম একটি রাজনৈতিক জনগোষ্ঠী হিসেবে বিশ্ব ইতিহাসে আত্মপ্রকাশ করেছে। এই অর্জনের সঙ্গে কোনো ধরনের আপসের সুযোগ নেই।

১৯৭২ সালের সংবিধান প্রসঙ্গে ফরহাদ মজহার বলেন, জনগণের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য বর্তমান সংবিধানের পরিবর্তে নতুন গঠনতন্ত্র প্রণয়ন প্রয়োজন।

তিনি বলেন, সংবিধানের সপ্তম অনুচ্ছেদে একদিকে জনগণকে রাষ্ট্রক্ষমতার মালিক বলা হলেও অন্যদিকে সংবিধানকেই সর্বোচ্চ কর্তৃত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। তার মতে, এটি জনগণের সার্বভৌমত্বের ধারণার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

‘সংবিধান’ ও ‘গঠনতন্ত্র’-এর পার্থক্য তুলে ধরে ফরহাদ মজহার বলেন, জনগণ সংবিধানের অধীন নয়; জনগণ চাইলে নতুন গঠনতন্ত্র প্রণয়ন করতে পারে। তার ভাষ্য, গঠনতন্ত্রের মাধ্যমে জনগণ রাষ্ট্র, অর্থনীতি ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ খাত পরিচালনার মৌলিক কাঠামো নির্ধারণ করবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

যতদিন জামায়াত থাকবে ততদিন আ’লীগ থাকবে-ফরহাদ মাজহার

আপডেট সময় : ০৮:১৫:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

বাংলাদেশে যত দিন জামায়াতে ইসলামী নাম নিয়ে রাজনীতি থাকবে, তত দিন আওয়ামী লীগও থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন কবি, চিন্তক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ফরহাদ মজহার। একইসঙ্গে তিনি ১৯৭২ সালের সংবিধান বাতিল করে নতুন গঠনতন্ত্র প্রণয়নের দাবি জানিয়েছেন।

রোববার (০২ আগস্ট) রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘৩৬ জুলাইয়ের অবদান: বিতর্ক ও ব্যর্থতার দায় পর্যালোচনা’ শীর্ষক সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন। সংলাপের আয়োজন করে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি।

ফরহাদ মজহার বলেন, ‘আমি বারবার একটি কথা বলেছি, যদিও অনেকে এতে রাগ করেছেন। আমি বলেছি, যত দিন জামায়াতে ইসলামী থাকবে, তত দিন বাংলাদেশে আওয়ামী লীগও থাকবে। আমি জামায়াতে ইসলামী নাম নিয়ে রাজনীতি করার ঘোরবিরোধী। কারণ, ইসলাম আমাদের ধর্ম। এর নীতিগত ও নৈতিক শিক্ষা একটি নতুন রাষ্ট্র ও নতুন সমাজ গঠনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

বক্তব্যের শুরুতে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশ প্রথম একটি রাজনৈতিক জনগোষ্ঠী হিসেবে বিশ্ব ইতিহাসে আত্মপ্রকাশ করেছে। এই অর্জনের সঙ্গে কোনো ধরনের আপসের সুযোগ নেই।

১৯৭২ সালের সংবিধান প্রসঙ্গে ফরহাদ মজহার বলেন, জনগণের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য বর্তমান সংবিধানের পরিবর্তে নতুন গঠনতন্ত্র প্রণয়ন প্রয়োজন।

তিনি বলেন, সংবিধানের সপ্তম অনুচ্ছেদে একদিকে জনগণকে রাষ্ট্রক্ষমতার মালিক বলা হলেও অন্যদিকে সংবিধানকেই সর্বোচ্চ কর্তৃত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। তার মতে, এটি জনগণের সার্বভৌমত্বের ধারণার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

‘সংবিধান’ ও ‘গঠনতন্ত্র’-এর পার্থক্য তুলে ধরে ফরহাদ মজহার বলেন, জনগণ সংবিধানের অধীন নয়; জনগণ চাইলে নতুন গঠনতন্ত্র প্রণয়ন করতে পারে। তার ভাষ্য, গঠনতন্ত্রের মাধ্যমে জনগণ রাষ্ট্র, অর্থনীতি ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ খাত পরিচালনার মৌলিক কাঠামো নির্ধারণ করবে।