ঢাকা ০৩:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কে গাছ কেটে অবরোধ : রহস্যের গন্ধ ইবিতে নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক, তথ্য দিতে গড়িমসি বিভাগীয় সভাপতির মিয়ানমারের মর্টারশেলের বিকট শব্দে কাঁপছে সীমান্তের বাড়িঘর গোল্ডেন বুট জয়ের দৌড়ে সবার ওপরে এমবাপ্পে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দায়িত্ব পালন করবে ১০ জন আনসার সদস্য জেলের জালে মিলল ৫কোটি ১০লাখ টাকা মূল্যের ইয়াবা মাতামুহুরীর রামপুরে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সুবিধাবঞ্চিত পথশিশুদের নিয়ে ইবিতে সিআরসির ফল উৎসব স্টারলিংক সুবিধাসহ ১২ দফা দাবিতে কুবি উপাচার্যের কাছে জাতীয় ছাত্রশক্তির স্মারকলিপি ম্যাক্সের ‘বালু সাম্রাজ্য’ ঘিরে বিতর্ক: পরিবেশ অধিদপ্তরের ৩ কোটি টাকার দণ্ড

ফকিরহাটে বালতির পানিতে চুবিয়ে ৭ বছরের শিশু হত্যার অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৩৮:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬ ১৭ বার পড়া হয়েছে
নিউজ ভিশনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন
ফকিরহাট  প্রতিনিধি:-বাগেরহাটের ফকিরহাটে বালতির পানিতে চুবিয়ে আবু তালহা নামে ৭ বছরের এক শিশুকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি উপজেলার লখপুর এলাকায় ঘটেছে।

নিহত শিশু উপজেলার টাউন-নওয়াপাড়া এলাকার সৈকত শেখের ছেলে।
নিহতের সৎ মা রুকাইয়া শিকদারকে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে থানায় নিয়ে গেছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শণ শেষে মরদেহের সুরোতহাল প্রতিবেদন তৈরী করেন। শনিবার (২৩ মে) সন্ধ্যায় ময়না তদন্তের মরদেহ উদ্ধার করে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে মর্গে পাঠিয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, নিহত আবু তালহার নিজের মা মনিরা বেগম এক বছর আগে স্বামীকে ছেড়ে দিয়ে অন্য একজনকে বিবাহ করে সংসার ত্যাগ করেন। মা অন্যত্র চলে গেলে বাবাও দ্বিতীয় বিবাহ করে স্ত্রীকে নিয়ে লখপুর ভাড়া বাড়িতে বসবাস করেন।
বাবা-মায়ের ছাড়াছাড়ির পর আবু তালহা তার দাদা সিরাজুল ইসলামের কাছে থাকে। গত ৪ দিন আগে আবু তালহার তার বাবা এবং সৎ মায়ের কাছে বেড়াতে যায়।

শনিবার (২৩ মে) সকাল ১০টার দিকে সাড়ে তিন ফুট উচ্চতার ওই শিশুকে এক ফুট একটি বালতির পানির ভেতর উল্টো করে পড়ে থাকতে দেখেন পরিবারের লোকজন। এসময় তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত বলে ঘোষনা করেন।

খবর পেয়ে বাগেরহাট জেলা পুলিশ সুপার হাসান মোহম্মদ নাছের রিকাবদার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো: মাইদুর রহমান, সহকারী পুলিশ সুপার (সার্কেল) মো: রাসেদুল ইসলাম রানা এবং ওসি (তদন্ত)  মো: আলমগীর হোসেনসহ থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেন।

নিহত শিশুর নিজের মা মনিরা বেগম জানান, তিনি সকালে ফোনের মাধ্যমে জানতে পারেন তার ছেলে অসুস্থ্য। খবর পেয়ে এসে দেখেন তার ছেলে মৃত অবস্থায় পড়ে আছে। তার ছেলেকে বালতির পানিতে চুবিয়ে হত্যা করা হতে পারে জানান।

শিশুটির সৎ মা রুকাইয়া শিকদার জানান, সকালে তিনি একটা কাজে বাইরে গিয়েছিলেন। বাড়িতে এসে দেখেন ওই শিশু বালতির ভেতর উপুড় হয়ে পড়ে আছে। তাৎক্ষনিক তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষনা করেন।

শিশুটির বাবা সৈকত শেখ জানান, তিনি বাইরে কাজে ছিলেন। খবর পেয়ে বাসায় এসে দেখেন তার ছেলে আর বেঁেচ নেই। ছেলেকে কেউ মেরে ফেলতে পারে বলে তিনি দাবী করেন।

 বাগেরহাট  জেলা পুলিশ সুপার হাসান মোহম্মদ নাছের রিকাবদার বলেন, শিশুটির মৃত্যু অস্বাভাবিক বলে মনে হয়েছে। ময়না তদন্তের জন্য মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শিশুটির সৎ মা কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পরবর্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ফকিরহাটে বালতির পানিতে চুবিয়ে ৭ বছরের শিশু হত্যার অভিযোগ

আপডেট সময় : ১২:৩৮:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন
ফকিরহাট  প্রতিনিধি:-বাগেরহাটের ফকিরহাটে বালতির পানিতে চুবিয়ে আবু তালহা নামে ৭ বছরের এক শিশুকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি উপজেলার লখপুর এলাকায় ঘটেছে।

নিহত শিশু উপজেলার টাউন-নওয়াপাড়া এলাকার সৈকত শেখের ছেলে।
নিহতের সৎ মা রুকাইয়া শিকদারকে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে থানায় নিয়ে গেছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শণ শেষে মরদেহের সুরোতহাল প্রতিবেদন তৈরী করেন। শনিবার (২৩ মে) সন্ধ্যায় ময়না তদন্তের মরদেহ উদ্ধার করে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে মর্গে পাঠিয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, নিহত আবু তালহার নিজের মা মনিরা বেগম এক বছর আগে স্বামীকে ছেড়ে দিয়ে অন্য একজনকে বিবাহ করে সংসার ত্যাগ করেন। মা অন্যত্র চলে গেলে বাবাও দ্বিতীয় বিবাহ করে স্ত্রীকে নিয়ে লখপুর ভাড়া বাড়িতে বসবাস করেন।
বাবা-মায়ের ছাড়াছাড়ির পর আবু তালহা তার দাদা সিরাজুল ইসলামের কাছে থাকে। গত ৪ দিন আগে আবু তালহার তার বাবা এবং সৎ মায়ের কাছে বেড়াতে যায়।

শনিবার (২৩ মে) সকাল ১০টার দিকে সাড়ে তিন ফুট উচ্চতার ওই শিশুকে এক ফুট একটি বালতির পানির ভেতর উল্টো করে পড়ে থাকতে দেখেন পরিবারের লোকজন। এসময় তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত বলে ঘোষনা করেন।

খবর পেয়ে বাগেরহাট জেলা পুলিশ সুপার হাসান মোহম্মদ নাছের রিকাবদার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো: মাইদুর রহমান, সহকারী পুলিশ সুপার (সার্কেল) মো: রাসেদুল ইসলাম রানা এবং ওসি (তদন্ত)  মো: আলমগীর হোসেনসহ থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেন।

নিহত শিশুর নিজের মা মনিরা বেগম জানান, তিনি সকালে ফোনের মাধ্যমে জানতে পারেন তার ছেলে অসুস্থ্য। খবর পেয়ে এসে দেখেন তার ছেলে মৃত অবস্থায় পড়ে আছে। তার ছেলেকে বালতির পানিতে চুবিয়ে হত্যা করা হতে পারে জানান।

শিশুটির সৎ মা রুকাইয়া শিকদার জানান, সকালে তিনি একটা কাজে বাইরে গিয়েছিলেন। বাড়িতে এসে দেখেন ওই শিশু বালতির ভেতর উপুড় হয়ে পড়ে আছে। তাৎক্ষনিক তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষনা করেন।

শিশুটির বাবা সৈকত শেখ জানান, তিনি বাইরে কাজে ছিলেন। খবর পেয়ে বাসায় এসে দেখেন তার ছেলে আর বেঁেচ নেই। ছেলেকে কেউ মেরে ফেলতে পারে বলে তিনি দাবী করেন।

 বাগেরহাট  জেলা পুলিশ সুপার হাসান মোহম্মদ নাছের রিকাবদার বলেন, শিশুটির মৃত্যু অস্বাভাবিক বলে মনে হয়েছে। ময়না তদন্তের জন্য মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শিশুটির সৎ মা কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পরবর্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।