ঢাকা ০১:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আইনি লড়াইয়ে বিজয়ী হলেন থালাপতি : তামিলনাড়ুতে গরু জবাই নিষেধাজ্ঞা স্থগিত একদলীয় শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার কোনো চেষ্টা নেই : সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী র‌্যাব-১৫-এর মানবিক উদ্যোগ: বন্যাদুর্গত ২৫০ পরিবারের পাশে সৌজন্য উপহার নিয়ে র‌্যাব নিহত নিরঞ্জন দাসের পরিবারের পাশে এমপি লুৎফুর রহমান কাজল। শিক্ষক: মানুষ গড়ার শ্রেষ্ঠ কারিগর উখিয়ায় র‌্যাবের অভিযানে ১০ হাজার ইয়াবা ও মোটরসাইকেল জব্দ পেকুয়ায় বন্যার্তদের পাশে ১১ বিজিবি, ৫১০ পরিবারে ত্রাণ বিতরণ টানা বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত ১৯০ পরিবারের পাশে ১১ বিজিবি দিনে ব্যাংকের কর্মী, রাতে চায়ের দোকান—ক্লান্তিকে হার মানিয়ে এগিয়ে চলা এক মানুষের গল্প ইবি প্রধান ফটকের জুলাই স্মৃতি মুছে ‘জুলাই ফলক’ তৈরির পরিকল্পনা

পেকুয়ায় বন্যার্তদের পাশে ১১ বিজিবি, ৫১০ পরিবারে ত্রাণ বিতরণ

মো:জাবেদুল আনোয়ার, কক্সবাজার
  • আপডেট সময় : ০৯:৪০:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬ ৩০ বার পড়া হয়েছে
নিউজ ভিশনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

টানা ভারী বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সীমান্ত সুরক্ষার দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে বন্যাকবলিত অসহায় মানুষের মাঝে ত্রাণ ও রান্না করা খাবার বিতরণ করছে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)।

সোমবার (১৩ জুলাই) নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ব্যাটালিয়নের প্রশাসনিক দায়িত্বপূর্ণ এলাকা কক্সবাজার জেলার পেকুয়া উপজেলার নবগঠিত পেকুয়া সদর ইউনিয়নের বলির পাড়া, আবাসন প্রকল্প ও মোরারপাড়া—এই তিনটি গ্রামে শুকনা খাদ্যসামগ্রী এবং রান্না করা খাবার বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

বিজিবি জানায়, তিনটি গ্রামের ৫০০ জনের জন্য রান্না করা খাবার এবং ৫১০টি পরিবারের মাঝে ৫১০ প্যাকেট শুকনা খাদ্যসামগ্রী বিতরণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি ত্রাণ প্যাকেটে চাল, আলু, ডাল, সয়াবিন তেল, চিড়া, পেঁয়াজ, গুড়, লবণসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী রয়েছে।

এছাড়া বন্যা-পরবর্তী সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে আধুনিক ড্রোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিজিবি। সংস্থাটি বলেছে, দেশের যেকোনো দুর্যোগ ও মানবিক সংকটে মানুষের পাশে দাঁড়ানো বিজিবির দায়িত্ব ও অঙ্গীকার। বন্যা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত উদ্ধার, ত্রাণ ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির বলেন, দেশের সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান ও মানবপাচার প্রতিরোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ নিয়ন্ত্রণ এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক ও মানবিক দায়িত্ব। ভবিষ্যতেও যেকোনো দুর্যোগ ও সংকটময় পরিস্থিতিতে বিজিবির এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

পেকুয়ায় বন্যার্তদের পাশে ১১ বিজিবি, ৫১০ পরিবারে ত্রাণ বিতরণ

আপডেট সময় : ০৯:৪০:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

টানা ভারী বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সীমান্ত সুরক্ষার দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে বন্যাকবলিত অসহায় মানুষের মাঝে ত্রাণ ও রান্না করা খাবার বিতরণ করছে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)।

সোমবার (১৩ জুলাই) নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ব্যাটালিয়নের প্রশাসনিক দায়িত্বপূর্ণ এলাকা কক্সবাজার জেলার পেকুয়া উপজেলার নবগঠিত পেকুয়া সদর ইউনিয়নের বলির পাড়া, আবাসন প্রকল্প ও মোরারপাড়া—এই তিনটি গ্রামে শুকনা খাদ্যসামগ্রী এবং রান্না করা খাবার বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

বিজিবি জানায়, তিনটি গ্রামের ৫০০ জনের জন্য রান্না করা খাবার এবং ৫১০টি পরিবারের মাঝে ৫১০ প্যাকেট শুকনা খাদ্যসামগ্রী বিতরণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি ত্রাণ প্যাকেটে চাল, আলু, ডাল, সয়াবিন তেল, চিড়া, পেঁয়াজ, গুড়, লবণসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী রয়েছে।

এছাড়া বন্যা-পরবর্তী সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে আধুনিক ড্রোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিজিবি। সংস্থাটি বলেছে, দেশের যেকোনো দুর্যোগ ও মানবিক সংকটে মানুষের পাশে দাঁড়ানো বিজিবির দায়িত্ব ও অঙ্গীকার। বন্যা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত উদ্ধার, ত্রাণ ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির বলেন, দেশের সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান ও মানবপাচার প্রতিরোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ নিয়ন্ত্রণ এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক ও মানবিক দায়িত্ব। ভবিষ্যতেও যেকোনো দুর্যোগ ও সংকটময় পরিস্থিতিতে বিজিবির এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।