ঢাকা ০৮:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যেকোনো সময় ভারত সফরে যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রী আগামী মন্ত্রিসভার বৈঠকে উঠছে নবম জাতীয় পে স্কেল ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সাংবাদিককে হুমকি দিয়ে সংবাদ সরিয়ে নেওয়ার অপচেষ্টায় গ্র্যাজুয়েট প্রেস ক্লাবের নিন্দা ও প্রতিবাদ ঘুমধুম সীমান্তে ২ লক্ষ ৪৬ হাজার ইয়াবাসহ বিদেশী পিস্তল ও গুলি উদ্ধার বদরখালী কলোনিজেশন উচ্চ বিদ্যালয়ের সাদিয়া আফরিন কনকের গোল্ডেন A+ অর্জন বদরখালী ইউনিয়ন ছাত্রদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা রাষ্ট্রপতি পদে অলি আহমদের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ১১ দলীয় ঐক্যের ‎শান্তিগঞ্জে অভিভাবকশূন্য প্রশাসন, ‎বিলাসিতায় কার্যক্রম-ভোগান্তিতে জনগণ ‎

টানা দ্বিতীয় দিনের মতো ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলা

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৬:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬ ১৪৮ বার পড়া হয়েছে
নিউজ ভিশনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

টানা দ্বিতীয় দিনের মতো ইরানে বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।  একটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার জবাব দিতেই এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ওয়াশিংটন। 

শনিবারের (২৭ জুন) এই নতুন হামলার ফলে গত ১৭ জুন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হওয়া যুদ্ধবিরতি সমঝোতা ভেঙে যেতে পারে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। 

এক বিবৃতিতে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান পরিচালনাকারী সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, প্রেসিডেন্টের নির্দেশেই এই হামলা চালানো হয়েছে।

সেন্টকম বলেছে, ‘বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের বিরুদ্ধে ইরানের ধারাবাহিক আগ্রাসনের জবাবে আজ যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী হামলা চালিয়েছে।’

তাদের দাবি, হামলায় ইরানের সামরিক নজরদারি অবকাঠামো, যোগাযোগ ব্যবস্থা, আকাশ প্রতিরক্ষা স্থাপনা, ড্রোন সংরক্ষণাগার এবং সমুদ্রে মাইন পাতা সক্ষমতাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের সিরিক বন্দরের কাছে তাহরুই গ্রামে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবারও এই এলাকাতেই যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালিয়েছিল। এ ছাড়া কেশম দ্বীপেও হামলার খবর পাওয়া গেছে।
হামলা শুরুর দুই ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, ইরান যদি ওয়াশিংটনের প্রত্যাশা অনুযায়ী আচরণ না করে, তাহলে আরও কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ইরান বারবার যুদ্ধবিরতির সমঝোতা লঙ্ঘন করছে। তবে একই অভিযোগ ইরানও যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে করে আসছে।
ট্রাম্প বলেন, ‘তাদের শিক্ষা হবে কি না, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এমন সময় আসতে পারে, যখন আমাদের আর সংযত থাকার সুযোগ থাকবে না। তখন আমরা যে সামরিক অভিযান সফলভাবে শুরু করেছি, সেটি সম্পূর্ণ করতে বাধ্য হব। যদি এমনটা ঘটে, তাহলে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের আর অস্তিত্ব থাকবে না।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

টানা দ্বিতীয় দিনের মতো ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলা

আপডেট সময় : ০৮:৪৬:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

টানা দ্বিতীয় দিনের মতো ইরানে বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।  একটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার জবাব দিতেই এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ওয়াশিংটন। 

শনিবারের (২৭ জুন) এই নতুন হামলার ফলে গত ১৭ জুন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হওয়া যুদ্ধবিরতি সমঝোতা ভেঙে যেতে পারে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। 

এক বিবৃতিতে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান পরিচালনাকারী সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, প্রেসিডেন্টের নির্দেশেই এই হামলা চালানো হয়েছে।

সেন্টকম বলেছে, ‘বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের বিরুদ্ধে ইরানের ধারাবাহিক আগ্রাসনের জবাবে আজ যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী হামলা চালিয়েছে।’

তাদের দাবি, হামলায় ইরানের সামরিক নজরদারি অবকাঠামো, যোগাযোগ ব্যবস্থা, আকাশ প্রতিরক্ষা স্থাপনা, ড্রোন সংরক্ষণাগার এবং সমুদ্রে মাইন পাতা সক্ষমতাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের সিরিক বন্দরের কাছে তাহরুই গ্রামে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবারও এই এলাকাতেই যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালিয়েছিল। এ ছাড়া কেশম দ্বীপেও হামলার খবর পাওয়া গেছে।
হামলা শুরুর দুই ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, ইরান যদি ওয়াশিংটনের প্রত্যাশা অনুযায়ী আচরণ না করে, তাহলে আরও কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ইরান বারবার যুদ্ধবিরতির সমঝোতা লঙ্ঘন করছে। তবে একই অভিযোগ ইরানও যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে করে আসছে।
ট্রাম্প বলেন, ‘তাদের শিক্ষা হবে কি না, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এমন সময় আসতে পারে, যখন আমাদের আর সংযত থাকার সুযোগ থাকবে না। তখন আমরা যে সামরিক অভিযান সফলভাবে শুরু করেছি, সেটি সম্পূর্ণ করতে বাধ্য হব। যদি এমনটা ঘটে, তাহলে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের আর অস্তিত্ব থাকবে না।’