ঢাকা ০৭:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাকসু ভবনে হামলা ঘিরে রাবিতে উত্তেজনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপ-উপাচার্য ড. এমতাজ হোসেন কলকাতায় রাতজুড়ে ধরপাকড়: ১৪ জন আটক, কড়া হুঁশিয়ারি শুভেন্দু অধিকারীর ‎সরকারি ৬২ লাখ টাকার বিল দখল নিয়ে উত্তপ্ত ধর্মপাশা: সংবাদ সম্মেলনে বিস্ফোরক অভিযোগ–পাল্টা অভিযোগ “জাবিতে ‘Decoding Time’ শিক্ষার্থীদের চোখ দিয়ে অতীত অনুসন্ধানের অনন্য প্রদর্শনী” চুপ্পুকে সেফ এক্সিট দিতে চায় বিএনপি: আখতার হোসেন কুবির বিজয়-২৪ হলে ‘শহীদ আব্দুল কাইয়ুম স্মৃতি মেডিকেল বক্স’ স্থাপন কুবি ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং ডিবেটিং এসোসিয়েশনের উদ্যোগে বিতর্ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রামুতে পিএফজি ও ওয়াইপিএজি’র সভায় বক্তারা:শান্তি, সম্প্রীতি ও সামাজিক স্থিতিশীলতা জোরদারের দাবী  জুলাই শহীদদের স্মরণে কুবিতে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের দোয়া ও ইসলাহী ইজতেমা

সবজির বাজারে কিছুটা স্বস্তি, বাড়ল চালের দাম

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৫৬:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬ ২৯ বার পড়া হয়েছে
নিউজ ভিশনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

পবিত্র ঈদুল আজহা শেষে বাজারে মাছ ও সবজির প্রতি আগ্রহ বেড়েছে মানুষের। কাঁচাবাজারে দোকানগুলোতে থরে থরে সাজানো নানা জাতের সবজি। দামে কিছুটা স্বস্তি রয়েছে। কমেনি মাছের দাম। আগের চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে ছোট-বড় সব মাছ। তবে অস্বস্তির বার্তা হলো বাজারে বেড়েছে চালের দাম।

আজ শুক্রবার রাজধানীর কয়েকটি বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, আগের তুলনায় বেশিরভাগ সবজির দাম কমেছে। প্রতি কেজি পটোল বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়, বেগুন ৬০ টাকা, শসা ৬০ টাকা, কাঁকরোল ৫০ টাকা, পেঁপে ৪০ টাকা এবং মিষ্টি কুমড়া ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে  করলা ৮০ টাকা, ঢেঁড়শ ৬০ টাকা, কচুর চারা ৬০ টাকা, লতি ৬০ টাকা, ঝিঙে ৬০ টাকা, লম্বা বেগুন ৮০ টাকা, গোল বেগুন ৬০ টাকা। এ ছাড়া লেবু প্রতি হালি বিক্রি হচ্ছে ১০ টাকায়।

এদিকে চালের দাম ভোক্তাদের নতুন করে চিন্তায় ফেলেছে। ৫০ কেজির বস্তায়ও ১০০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়েছে। বাজারে প্রতি কেজি আটাশ চাল ৫০ থেকে ৫২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগে ছিল ৪৮ থেকে ৫০ টাকা। মিনিকেট চাল বিক্রি হচ্ছে ৬৮ থেকে ৭২ টাকায়, আগে ছিল ৬৬ থেকে ৬৭ টাকা। নাজিরশাইল বিক্রি হচ্ছে ৭২ থেকে ৮০ টাকায়, আগে ছিল ৬৫ থেকে ৭৮ টাকা।

চাল ব্যবসায়ীরা জানান, ভারতীয় চাল আসা কমে গেছে, এলসিও বন্ধের মতো পরিস্থিতি হয়েছে। ফলে বাজারে সরবরাহ কমে গেছে। সে কারণেই দাম বেড়েছে।

তবে মাছের বাজারেও স্বস্তি নেই। বাজারে চাষের রুই মাছ প্রতি কেজি ৩৫০ টাকা, পাঙ্গাস ২২০ টাকা এবং চাষের শিং মাছ ৩৮০ টাকা, পাবদা ৪০০ টাকা, চিংড়ি ৮০০-১৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতাদের দাবি, মাছের উৎপাদন ও পরিবহন ব্যয় বেশি থাকায় দাম কমার সুযোগ কম।

গরুর মাংসের দাম আগের মতই ৮০০-৮৫০ টাকা, খাসির মাংসের দাম ১১০০ থেকে ১২০০ টাকা। তবে বিক্রেতারা বলছেন কোরবানির পরে মাংসের বেচাকেনা কম।

তবে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে মুরগি ও ডিমের বাজারে। ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা কমে এখন ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সোনালি মুরগির দামও ৬০ থেকে ৮০ টাকা কমে ৩০০ থেকে ৩২০ টাকায় নেমে এসেছে।

ডিমের বাজারেও দেখা দিয়েছে কিছুটা স্বস্তি। বর্তমানে প্রতি ডজন লাল ডিম ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগের তুলনায় প্রায় ১০ টাকা কম। ডিম বিক্রেতা সোলায়মান বলেন, সরবরাহ স্বাভাবিক হয়েছে। তাই দাম কিছুটা কমেছে। পাইকারি বাজারেও এখন তেমন চাপ নেই।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সবজির বাজারে কিছুটা স্বস্তি, বাড়ল চালের দাম

আপডেট সময় : ০২:৫৬:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

পবিত্র ঈদুল আজহা শেষে বাজারে মাছ ও সবজির প্রতি আগ্রহ বেড়েছে মানুষের। কাঁচাবাজারে দোকানগুলোতে থরে থরে সাজানো নানা জাতের সবজি। দামে কিছুটা স্বস্তি রয়েছে। কমেনি মাছের দাম। আগের চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে ছোট-বড় সব মাছ। তবে অস্বস্তির বার্তা হলো বাজারে বেড়েছে চালের দাম।

আজ শুক্রবার রাজধানীর কয়েকটি বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, আগের তুলনায় বেশিরভাগ সবজির দাম কমেছে। প্রতি কেজি পটোল বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়, বেগুন ৬০ টাকা, শসা ৬০ টাকা, কাঁকরোল ৫০ টাকা, পেঁপে ৪০ টাকা এবং মিষ্টি কুমড়া ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে  করলা ৮০ টাকা, ঢেঁড়শ ৬০ টাকা, কচুর চারা ৬০ টাকা, লতি ৬০ টাকা, ঝিঙে ৬০ টাকা, লম্বা বেগুন ৮০ টাকা, গোল বেগুন ৬০ টাকা। এ ছাড়া লেবু প্রতি হালি বিক্রি হচ্ছে ১০ টাকায়।

এদিকে চালের দাম ভোক্তাদের নতুন করে চিন্তায় ফেলেছে। ৫০ কেজির বস্তায়ও ১০০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়েছে। বাজারে প্রতি কেজি আটাশ চাল ৫০ থেকে ৫২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগে ছিল ৪৮ থেকে ৫০ টাকা। মিনিকেট চাল বিক্রি হচ্ছে ৬৮ থেকে ৭২ টাকায়, আগে ছিল ৬৬ থেকে ৬৭ টাকা। নাজিরশাইল বিক্রি হচ্ছে ৭২ থেকে ৮০ টাকায়, আগে ছিল ৬৫ থেকে ৭৮ টাকা।

চাল ব্যবসায়ীরা জানান, ভারতীয় চাল আসা কমে গেছে, এলসিও বন্ধের মতো পরিস্থিতি হয়েছে। ফলে বাজারে সরবরাহ কমে গেছে। সে কারণেই দাম বেড়েছে।

তবে মাছের বাজারেও স্বস্তি নেই। বাজারে চাষের রুই মাছ প্রতি কেজি ৩৫০ টাকা, পাঙ্গাস ২২০ টাকা এবং চাষের শিং মাছ ৩৮০ টাকা, পাবদা ৪০০ টাকা, চিংড়ি ৮০০-১৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতাদের দাবি, মাছের উৎপাদন ও পরিবহন ব্যয় বেশি থাকায় দাম কমার সুযোগ কম।

গরুর মাংসের দাম আগের মতই ৮০০-৮৫০ টাকা, খাসির মাংসের দাম ১১০০ থেকে ১২০০ টাকা। তবে বিক্রেতারা বলছেন কোরবানির পরে মাংসের বেচাকেনা কম।

তবে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে মুরগি ও ডিমের বাজারে। ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা কমে এখন ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সোনালি মুরগির দামও ৬০ থেকে ৮০ টাকা কমে ৩০০ থেকে ৩২০ টাকায় নেমে এসেছে।

ডিমের বাজারেও দেখা দিয়েছে কিছুটা স্বস্তি। বর্তমানে প্রতি ডজন লাল ডিম ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগের তুলনায় প্রায় ১০ টাকা কম। ডিম বিক্রেতা সোলায়মান বলেন, সরবরাহ স্বাভাবিক হয়েছে। তাই দাম কিছুটা কমেছে। পাইকারি বাজারেও এখন তেমন চাপ নেই।