চকরিয়ায় বিজিবির ত্রাণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাহিনীর মানবিক ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
- আপডেট সময় : ০৮:২৪:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬ ১১ বার পড়া হয়েছে
সাম্প্রতিক বৈরী আবহাওয়া ও টানা অতিবৃষ্টির কারণে সৃষ্ট বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ১ হাজার ৫০০ পরিবারের মাঝে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেছে। একই সঙ্গে বিজিবির মেডিক্যাল টিমের মাধ্যমে প্রায় ৭০০ বন্যাদুর্গত মানুষকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ দেওয়া হয়।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকালে চকরিয়া পৌরসভা, লক্ষ্যারচর ইউনিয়ন ও কাকারা ইউনিয়নে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ত্রাণ বিতরণ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী।
অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সীমান্ত নিরাপত্তার পাশাপাশি দেশের যেকোনো দুর্যোগ ও মানবিক সংকটে বিজিবি যে দায়িত্বশীলতা, পেশাদারিত্ব ও মানবিকতার পরিচয় দিয়ে আসছে, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। সাম্প্রতিক বন্যায় দুর্গত মানুষের পাশে দ্রুত ত্রাণ, চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দিয়ে বিজিবি আবারও প্রমাণ করেছে যে, তারা শুধু সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী নয়, দেশের মানুষের আস্থার প্রতীকও।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে রয়েছে। সরকারের বিভিন্ন সংস্থার পাশাপাশি বিজিবিও সমন্বিতভাবে মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এ ধরনের উদ্যোগ ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ভবিষ্যতেও জনগণের প্রয়োজনে বিজিবি একই নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে বিজিবির কক্সবাজার রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার, রামু সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার, নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নের (১১ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির, রামু ব্যাটালিয়নের (৩০ বিজিবি) অধিনায়ক, কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রাকৃতিক দুর্যোগ, মানবিক সংকট, উদ্ধার কার্যক্রম, চিকিৎসাসেবা ও জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে বাহিনীটি সব সময় জনগণের পাশে রয়েছে। মানবিক সহায়তার এ কার্যক্রমও তারই ধারাবাহিক অংশ।






















