ঢাকা ১০:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পটিয়ার চাপড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক ও কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা যেকোনো সময় ভারত সফরে যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রী আগামী মন্ত্রিসভার বৈঠকে উঠছে নবম জাতীয় পে স্কেল ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সাংবাদিককে হুমকি দিয়ে সংবাদ সরিয়ে নেওয়ার অপচেষ্টায় গ্র্যাজুয়েট প্রেস ক্লাবের নিন্দা ও প্রতিবাদ ঘুমধুম সীমান্তে ২ লক্ষ ৪৬ হাজার ইয়াবাসহ বিদেশী পিস্তল ও গুলি উদ্ধার বদরখালী কলোনিজেশন উচ্চ বিদ্যালয়ের সাদিয়া আফরিন কনকের গোল্ডেন A+ অর্জন বদরখালী ইউনিয়ন ছাত্রদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা রাষ্ট্রপতি পদে অলি আহমদের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ১১ দলীয় ঐক্যের

কপিলমুনিতে চিংড়ি চাষীরা বিপর্যেয়র মুখে অনাবৃষ্টির ও প্রচন্ড তাপদাহের কারণে চিংড়িতে মড়ক, শকিংত চাষীরা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:২৩:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬ ৩৫ বার পড়া হয়েছে
নিউজ ভিশনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

শেখ আব্দুল গফুর, কপিলমুনি (খুলনা) অফিস
খুলনার কপিলমুনিতে চিংড়ি চাষীরা বিপর্যেয়র মুখে পড়তে যাচ্ছে। অনাবৃষ্টি ও প্রচন্ড
তাপদাহের কারণে চিংড়ি চাষীদের কপালে এখন চিন্তার ভাজ। উপজেলার অন্যতম চিংড়ি চাষক্ষেত্র
কপিলমুনি, বলাচলে একটি নিবিড় চিংড়ি চাষ এলাকা। দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে এই
এলাকাটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। চিংড়ি উৎপাদনের পাশাপাশি এই খাতে
অসংখ্য বেকার যুবকের কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়েছে। এই অঞ্চলে অর্থনীতিতে মারাত্মক
বিপর্যয় নেমে আসতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট চাষীরা। সরেজমিনে দেখা যায়, বছরের
শুরুতে অধিকাংশ ঘেরে বাগদা চিংড়িতে মড়ক দেখা দিয়েছে। মৎস্য ঘেরে এক ধরনের কাটা
শেওলার জন্ম হয়ে থাকে যেটা বাগদা চিংড়ীর খাদ্য ও পুষ্টি যোগায়, কিন্তু এ বছর অনাবৃষ্টি ও
প্রচন্ড তাপদাহের কারণে এক ধরনের পোকা এই শেওলা কেটে অধিকাংশ ঘের উজাড় করে দিচ্ছে ।
এদিকে খাদ্য সংকট, অনাবৃষ্টি, অধিক তাপ, প্রাকৃতিক খাদ্যের ঘাটতি, সব মিলিয়ে
চিংড়ি চাষিদের পথে বসার উপক্রম হয়েছে। কপিলমুনির কাশিমনগরের পরিমল দাশ জানান, চিংড়ি
চাষে কোন কোন সময় ক্ষতিগ্রস্ত হলেও প্রতি বছর এ সময় চাষীরা সাদা মাছের পোনা ছেড়ে
ক্ষতির পরিমান কিছুটা পুষিয়ে নিতেন, কিন্তু বৃষ্টি না হওয়ার কারণে পানির লবনাক্ততা এত
পরিমান বৃদ্ধি পেয়েছে যে এবার সাদা মাছের পোনা ছাড়তে সবাই শংকিত হয়ে পড়েছেন,
অতিরিক্ত লবনযুক্ত পানির জন্য সাদা মাছ মারা যায়। সব মিলিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে
সম্ভাবনাময় এ চিংড়ি খাতে। এলাকার চিংড়ি চাষী আনিচুর রহমান বলেন, ব্যাংক থেকে লোন
নিয়ে চিংড়ি চাষ করেছি, কিন্তু বৃষ্টি না হওয়ায় চিংড়ি ঘেরে পানি কম থাকা, তাপ মাত্রা
বেশি ও লবনাক্ততার জন্য রেনু ছাড়তেই মারা যাচ্ছে। তাছাড়া গত বছরের তুলনায় চিংড়ির বাজার
মূল্য কম। এবস্থায় কিভাবে ব্যাংক লোন শোধ করবো আর সংসারের ঘানি টানবো ভেবে পারছি
না

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

কপিলমুনিতে চিংড়ি চাষীরা বিপর্যেয়র মুখে অনাবৃষ্টির ও প্রচন্ড তাপদাহের কারণে চিংড়িতে মড়ক, শকিংত চাষীরা

আপডেট সময় : ০৭:২৩:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

শেখ আব্দুল গফুর, কপিলমুনি (খুলনা) অফিস
খুলনার কপিলমুনিতে চিংড়ি চাষীরা বিপর্যেয়র মুখে পড়তে যাচ্ছে। অনাবৃষ্টি ও প্রচন্ড
তাপদাহের কারণে চিংড়ি চাষীদের কপালে এখন চিন্তার ভাজ। উপজেলার অন্যতম চিংড়ি চাষক্ষেত্র
কপিলমুনি, বলাচলে একটি নিবিড় চিংড়ি চাষ এলাকা। দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে এই
এলাকাটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। চিংড়ি উৎপাদনের পাশাপাশি এই খাতে
অসংখ্য বেকার যুবকের কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়েছে। এই অঞ্চলে অর্থনীতিতে মারাত্মক
বিপর্যয় নেমে আসতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট চাষীরা। সরেজমিনে দেখা যায়, বছরের
শুরুতে অধিকাংশ ঘেরে বাগদা চিংড়িতে মড়ক দেখা দিয়েছে। মৎস্য ঘেরে এক ধরনের কাটা
শেওলার জন্ম হয়ে থাকে যেটা বাগদা চিংড়ীর খাদ্য ও পুষ্টি যোগায়, কিন্তু এ বছর অনাবৃষ্টি ও
প্রচন্ড তাপদাহের কারণে এক ধরনের পোকা এই শেওলা কেটে অধিকাংশ ঘের উজাড় করে দিচ্ছে ।
এদিকে খাদ্য সংকট, অনাবৃষ্টি, অধিক তাপ, প্রাকৃতিক খাদ্যের ঘাটতি, সব মিলিয়ে
চিংড়ি চাষিদের পথে বসার উপক্রম হয়েছে। কপিলমুনির কাশিমনগরের পরিমল দাশ জানান, চিংড়ি
চাষে কোন কোন সময় ক্ষতিগ্রস্ত হলেও প্রতি বছর এ সময় চাষীরা সাদা মাছের পোনা ছেড়ে
ক্ষতির পরিমান কিছুটা পুষিয়ে নিতেন, কিন্তু বৃষ্টি না হওয়ার কারণে পানির লবনাক্ততা এত
পরিমান বৃদ্ধি পেয়েছে যে এবার সাদা মাছের পোনা ছাড়তে সবাই শংকিত হয়ে পড়েছেন,
অতিরিক্ত লবনযুক্ত পানির জন্য সাদা মাছ মারা যায়। সব মিলিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে
সম্ভাবনাময় এ চিংড়ি খাতে। এলাকার চিংড়ি চাষী আনিচুর রহমান বলেন, ব্যাংক থেকে লোন
নিয়ে চিংড়ি চাষ করেছি, কিন্তু বৃষ্টি না হওয়ায় চিংড়ি ঘেরে পানি কম থাকা, তাপ মাত্রা
বেশি ও লবনাক্ততার জন্য রেনু ছাড়তেই মারা যাচ্ছে। তাছাড়া গত বছরের তুলনায় চিংড়ির বাজার
মূল্য কম। এবস্থায় কিভাবে ব্যাংক লোন শোধ করবো আর সংসারের ঘানি টানবো ভেবে পারছি
না