——-
পর্যটন নগরী কক্সবাজারে বর্তমানে হাজার হাজার তরুণের আয়ের প্রধান উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে রেন্ট-এ-বাইক ব্যবসা। কেবল একটি যান ভাড়া দেওয়াই নয়, বরং এই ব্যবসার ওপর নির্ভর করে চলছে হাজারো মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারের সংসার। দেশের শিক্ষিত ও কর্মঠ বেকার যুবকদের জন্য এই খাতটি আজ এক বড় আশার আলো।
বেকারত্ব নিরসনে বাইক রেন্টাল:
চাকরির বাজারের সীমাবদ্ধতার এই সময়ে অনেক যুবক ঋন নিয়ে বা জমানো পুঁজিতে বাইক কিনে এই ব্যবসায় যুক্ত হয়েছেন। এর মাধ্যমে তারা যেমন নিজেরা স্বাবলম্বী হচ্ছেন, তেমনি পরিবারে ফিরেছে সচ্ছলতা। একেকটি বাইকের চাকা ঘোরার সাথে জড়িয়ে আছে মা-বাবার ওষুধের খরচ, ছোট ভাই-বোনের পড়ার খরচ আর সুন্দর একটি ভবিষ্যতের স্বপ্ন।
বন্ধের আশঙ্কায় অসহায় হাজারো পরিবার:
সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন কারণে এই ব্যবসা নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হচ্ছে, তা হাজারো ছেলেকে বেকারত্বের দিকে ঠেলে দিতে পারে। যদি এই সেবাটি বন্ধ হয়ে যায়, তবে:
• অসহায় হবে হাজারো পরিবার: যারা একমাত্র এই আয়ের ওপর নির্ভরশীল, তাদের জীবনে নেমে আসবে চরম অন্ধকার।
• বাড়বে বেকারত্ব: শত শত কর্মঠ যুবক নতুন করে কর্মসংস্থান হারানোর ঝুঁকিতে পড়বে।
• পর্যটনে নেতিবাচক প্রভাব: পর্যটকদের যাতায়াতের সহজ ও সাশ্রয়ী মাধ্যমটি হারিয়ে গেলে কক্সবাজারের পর্যটন শিল্পও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
সংশ্লিষ্টদের প্রতি আবেদন:
রেন্ট-এ-বাইক সংশ্লিষ্টদের দাবি, এই ব্যবসা বন্ধ না করে বরং একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা ও শৃঙ্খলার আওতায় আনা হোক। যাতে করে যুবকরা সম্মানের সাথে তাদের জীবিকা নির্বাহ করতে পারে এবং পর্যটন খাতও আরও সমৃদ্ধ হয়।
আমাদের দাবি: বেকার যুবকদের পেটে লাথি না মেরে, নিয়ম-শৃঙ্খলার মাধ্যমে এই শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখুন।
নাইমুল ইসলাম
রেন্ট বাইক ব্যবসায়ীদের পক্ষে।