নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
কক্সবাজারের চকরিয়ায় রেললাইনে ধস রোধের কাজের অংশ হিসেবে ২৬০ মিটার দীর্ঘ একটি পাহাড় কেটে ফেলার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তাদের দাবি, সামান্য ধসের ঘটনার পর পুরো পাহাড় কেটে ফেলার সিদ্ধান্ত পরিবেশ ও অর্থনৈতিকভাবে কতটা যৌক্তিক—তা নিয়ে আলোচনা চলছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ সেপ্টেম্বর চকরিয়া উপজেলার উত্তর হারবাংয়ের গাইন্যাকাটা এলাকায় পাহাড় ধসে রেললাইনের ওপর মাটি পড়ে। এতে প্রায় আট ঘণ্টা ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকে। পরে ধস ঠেকানোর উদ্যোগ হিসেবে পাহাড় কাটার কাজ শুরু হয়।
উল্লেখ্য, প্রায় ১০১ কিলোমিটার দীর্ঘ দোহাজারী–কক্সবাজার রেলপথটি চট্টগ্রামের সাতকানিয়া, লোহাগাড়া ও কক্সবাজারের চকরিয়ার সংরক্ষিত বনাঞ্চলের মধ্য দিয়ে গেছে। রেলপথ নির্মাণের সময় প্রায় ১১ দশমিক ৯২ কিলোমিটার এলাকায় পাহাড় কাটার অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।
এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান তমা কনস্ট্রাকশনের ডেপুটি প্রজেক্ট ম্যানেজার ইঞ্জিনিয়ার রাসেল আহমদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। রেলওয়ের কনসালটেন্সি প্রতিষ্ঠানের কোয়ালিটি কন্ট্রোল ইঞ্জিনিয়ার মঈনুদ্দিন জানান, কাজের মান স্বাভাবিক রয়েছে। তার ধারণা, কাজটির ব্যয় ৬ থেকে ৮ কোটি টাকা হতে পারে।
অন্যদিকে, প্রকল্প পরিচালক আরসাদুল হক বলেন, স্থানীয়দের শত কোটি টাকা ব্যয়ের অভিযোগ সঠিক নয়; এই কাজের বাজেট প্রায় ৫ কোটি টাকার মতো। তবে পাহাড় কাটার সিদ্ধান্ত নিয়ে এলাকাজুড়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।