দোয়ারাবাজারে ‘স্পেস টু লিড’ প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত
এম এ মোতালিব ভুইয়া :
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলায় নারী ও মেয়ে শিশুদের শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, শোভন কাজ ও স্বাস্থ্যসেবার অধিকার নিশ্চিতকরণ ও জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা হ্রাস করার লক্ষ্যে “Space to Lead Project”-এর প্রকল্প অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় উপজেলা কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত এ সভার আয়োজন করা হয় সুইডিশ সরকার ও Swedish International Development Cooperation Agency (Sida)-এর অর্থায়নে এবং Plan International Bangladesh-এর তত্ত্বাবধানে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন দোয়ারাবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অরুপ রতন সিংহ। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, “কিশোর-কিশোরী ও যুবদের নেতৃত্ব বিকাশ, সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ, কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি এবং যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য বিষয়ে প্রচলিত ভুল ধারণা দূর করতে এ প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। প্রকল্পের সফল বাস্তবায়নে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।”
সভায় স্বাগত বক্তব্য ও সংস্থার পরিচিতি তুলে ধরেন অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক, পিএইচডি মো. সাখাওয়াত হোসেন। প্রকল্পের সার্বিক লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, কর্মপরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন কৌশল উপস্থাপন করেন ফিরোজ আহমেদ, প্রকল্প সমন্বয়কারী (পিএইচডি)।
এছাড়া নিজ নিজ সংস্থার পরিচিতি তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন রাফিদ আমীন অক্ষর, অ্যাডভোকেসি অ্যান্ড ক্যাপাসিটি ডেভেলপমেন্ট অফিসার, ইয়ুথ ফর চেঞ্জ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন।
সভাটি সঞ্চালনা ও সংস্থার পরিচিতি উপস্থাপন করেন সঞ্জিত কুমার দে, মনিটরিং অফিসার, অপরাজেয়-বাংলাদেশ। সভাকে সার্থক করে তুলতে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন মো. আছদুজ্জামান (এসআরএইচ কো-অর্ডিনেটর), আল-আমিন ও নিলুফার ইয়াসমিন (ফ্যাসিলিটেটর, পিএইচডি), মো. রেজাউল করিম ভুইয়া (সিআরএইচএসএন্ডসিপি), শফিকুল ইসলাম (পিএইচডি) এবং আজমল হোসেন, উপজেলা কো-অর্ডিনেটর, অপরাজেয়-বাংলাদেশ।
মূল উপস্থাপনায় প্রকল্পের কর্মএলাকা, বাজেট, লক্ষ্য ও বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরে একটি প্রেজেন্টেশন প্রদর্শন করা হয়। পরে উন্মুক্ত আলোচনা ও প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশগ্রহণ করেন উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি, সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ, যুবক-যুবতি, গণমাধ্যমকর্মীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের অংশীজনরা।
বক্তারা বলেন, “স্পেস টু লিড প্রকল্প” স্থানীয় পর্যায়ে কিশোর-কিশোরী ও যুবদের সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি ইতিবাচক সামাজিক পরিবর্তন আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তাঁরা প্রকল্প বাস্তবায়নে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।