ঢাকা ০১:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কে গাছ কেটে অবরোধ : রহস্যের গন্ধ ইবিতে নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক, তথ্য দিতে গড়িমসি বিভাগীয় সভাপতির মিয়ানমারের মর্টারশেলের বিকট শব্দে কাঁপছে সীমান্তের বাড়িঘর গোল্ডেন বুট জয়ের দৌড়ে সবার ওপরে এমবাপ্পে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দায়িত্ব পালন করবে ১০ জন আনসার সদস্য জেলের জালে মিলল ৫কোটি ১০লাখ টাকা মূল্যের ইয়াবা মাতামুহুরীর রামপুরে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সুবিধাবঞ্চিত পথশিশুদের নিয়ে ইবিতে সিআরসির ফল উৎসব স্টারলিংক সুবিধাসহ ১২ দফা দাবিতে কুবি উপাচার্যের কাছে জাতীয় ছাত্রশক্তির স্মারকলিপি ম্যাক্সের ‘বালু সাম্রাজ্য’ ঘিরে বিতর্ক: পরিবেশ অধিদপ্তরের ৩ কোটি টাকার দণ্ড

কপিলমুনিতে সরলীকরণের নামে প্রাথমিক নকশা পরিবর্তন করে উচ্ছেদ অভিযান।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:১০:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে
নিউজ ভিশনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

শেখ আব্দুল গফুর, কপিলমুনি (খুলনা) অফিস
কপিলমুনি বাজারে স্থাপনার অর্থ পরিশোধ না করে সড়কের স্বরলি করনের নামে ভূমি অধিগ্রহণ
করে তৃতীয় দফায় আবারো উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে সড়ক ও জনপদ বিভাগ। কপিলমুনি
বাজারে সওজের উচ্ছেদ অভিযানে স্থানীয়দের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। এরই মধ্যে বুলডোজার
দিয়ে গুঁড়িয়ে দেয়া হয়েছে কপিলমুনি জাফর আউলিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন দোকানপাট ও
মূল্যবান আসবাবপত্র সহ একাধিক বাড়িঘর। সরিয়ে নিতে দেওয়া হয়নি আসবাবপত্র ও
ইলেকট্রিক সরঞ্জাম। চলমান উচ্ছেদ অভিযানে নেতৃত্বদানকারী প্রকৌশলী তানিমুল ইসলামকে
মূল্যবান আসবাবপত্র ইলেকট্রনিক্স সরঞ্জাম সরিয়ে নেওয়ার সময় চাইলে সময় না দিয়ে তিনি চরম
ঔদ্বত্যপূর্ণ আচরণ দেখিয়েছেন যা স্থানীয়দের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। দ্বিতীয় দফায়
অভিযানের সময় স্থানীয়দের প্রতিরোধের মুখে ছয় মাস বন্ধ থাকার পর ফের অভিযান শুরু করে সড়ক
ও জনপদ বিভাগ। স্থানীয়দের দাবি সড়কের উল্টোপাশে প্রভাবশালী ব্যবসায়ী বিপ্লব সাধুর
নির্মাণ বিপণীর ভবন বাঁচাতে তৃতীয় দফায় জনমত উপেক্ষা করে ভেঙে দেয়া হয়েছে বিভিন্ন
স্থাপনা। প্রাথমিক নকশা পরিবর্তন করে চলমান এই উচ্ছেদের কারণে তৈরি হয়েছে আরও দুটি
ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক।এতে হাসপাতাল ও মাদ্রাসার সামনের অংশ মরন ফাঁদে পরিনত হয়েছে । ঘটবে
প্রানহানির মত ঘটনা। এর আগে ৬ ও ৭ ডিসেম্বর কপিলমুনির জাফর আউলিয়া সিনিয়র ফাজিল
ডিগ্রী মাদ্রাসার দ্বিতীয় তলা ভবন ভেঙ্গে দেওয়া হলে স্থানীয়দের প্রতিরোধের মুখে পড়েন সড়ক ও
জনপদ বিভাগের কর্মকর্তারা। এরপর বন্ধ হয়ে যায় উচ্ছেদ অভিযান। পরবর্তীতে জেলা প্রশাসনের
উদ্যোগে গণশুনানিও অনুষ্ঠিত হয়, সেখানে স্থানীয়রা মূল নকশা অনুযায়ী সড়ক উন্নয়নের
দাবি জানান। তৎকালীন সময়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ বিষয়টি সমাধানের
আশ্বাস দিয়ে মূল নকশা বাস্তবায়নের কথা বলেছিলেন। তবে দীর্ঘ বিরতির পর পুনরায় উচ্ছেদ
অভিযান শুরু হওয়ায় এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

কপিলমুনিতে সরলীকরণের নামে প্রাথমিক নকশা পরিবর্তন করে উচ্ছেদ অভিযান।

আপডেট সময় : ০৭:১০:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

শেখ আব্দুল গফুর, কপিলমুনি (খুলনা) অফিস
কপিলমুনি বাজারে স্থাপনার অর্থ পরিশোধ না করে সড়কের স্বরলি করনের নামে ভূমি অধিগ্রহণ
করে তৃতীয় দফায় আবারো উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে সড়ক ও জনপদ বিভাগ। কপিলমুনি
বাজারে সওজের উচ্ছেদ অভিযানে স্থানীয়দের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। এরই মধ্যে বুলডোজার
দিয়ে গুঁড়িয়ে দেয়া হয়েছে কপিলমুনি জাফর আউলিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন দোকানপাট ও
মূল্যবান আসবাবপত্র সহ একাধিক বাড়িঘর। সরিয়ে নিতে দেওয়া হয়নি আসবাবপত্র ও
ইলেকট্রিক সরঞ্জাম। চলমান উচ্ছেদ অভিযানে নেতৃত্বদানকারী প্রকৌশলী তানিমুল ইসলামকে
মূল্যবান আসবাবপত্র ইলেকট্রনিক্স সরঞ্জাম সরিয়ে নেওয়ার সময় চাইলে সময় না দিয়ে তিনি চরম
ঔদ্বত্যপূর্ণ আচরণ দেখিয়েছেন যা স্থানীয়দের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। দ্বিতীয় দফায়
অভিযানের সময় স্থানীয়দের প্রতিরোধের মুখে ছয় মাস বন্ধ থাকার পর ফের অভিযান শুরু করে সড়ক
ও জনপদ বিভাগ। স্থানীয়দের দাবি সড়কের উল্টোপাশে প্রভাবশালী ব্যবসায়ী বিপ্লব সাধুর
নির্মাণ বিপণীর ভবন বাঁচাতে তৃতীয় দফায় জনমত উপেক্ষা করে ভেঙে দেয়া হয়েছে বিভিন্ন
স্থাপনা। প্রাথমিক নকশা পরিবর্তন করে চলমান এই উচ্ছেদের কারণে তৈরি হয়েছে আরও দুটি
ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক।এতে হাসপাতাল ও মাদ্রাসার সামনের অংশ মরন ফাঁদে পরিনত হয়েছে । ঘটবে
প্রানহানির মত ঘটনা। এর আগে ৬ ও ৭ ডিসেম্বর কপিলমুনির জাফর আউলিয়া সিনিয়র ফাজিল
ডিগ্রী মাদ্রাসার দ্বিতীয় তলা ভবন ভেঙ্গে দেওয়া হলে স্থানীয়দের প্রতিরোধের মুখে পড়েন সড়ক ও
জনপদ বিভাগের কর্মকর্তারা। এরপর বন্ধ হয়ে যায় উচ্ছেদ অভিযান। পরবর্তীতে জেলা প্রশাসনের
উদ্যোগে গণশুনানিও অনুষ্ঠিত হয়, সেখানে স্থানীয়রা মূল নকশা অনুযায়ী সড়ক উন্নয়নের
দাবি জানান। তৎকালীন সময়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ বিষয়টি সমাধানের
আশ্বাস দিয়ে মূল নকশা বাস্তবায়নের কথা বলেছিলেন। তবে দীর্ঘ বিরতির পর পুনরায় উচ্ছেদ
অভিযান শুরু হওয়ায় এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।