ঢাকা ০৬:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যেকোনো সময় ভারত সফরে যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রী আগামী মন্ত্রিসভার বৈঠকে উঠছে নবম জাতীয় পে স্কেল ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সাংবাদিককে হুমকি দিয়ে সংবাদ সরিয়ে নেওয়ার অপচেষ্টায় গ্র্যাজুয়েট প্রেস ক্লাবের নিন্দা ও প্রতিবাদ ঘুমধুম সীমান্তে ২ লক্ষ ৪৬ হাজার ইয়াবাসহ বিদেশী পিস্তল ও গুলি উদ্ধার বদরখালী কলোনিজেশন উচ্চ বিদ্যালয়ের সাদিয়া আফরিন কনকের গোল্ডেন A+ অর্জন বদরখালী ইউনিয়ন ছাত্রদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা রাষ্ট্রপতি পদে অলি আহমদের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ১১ দলীয় ঐক্যের ‎শান্তিগঞ্জে অভিভাবকশূন্য প্রশাসন, ‎বিলাসিতায় কার্যক্রম-ভোগান্তিতে জনগণ ‎

আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিলে কী করতে পারে কমিশন : জানালেন শিশির মনির

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:৫৭:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬ ৯৮ বার পড়া হয়েছে
নিউজ ভিশনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শিশির মনির বলেছেন, ঋণখেলাপি যে দলেরই হোক না কেন, ছাড় নেই।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সাধারণ কমনসেন্স অনুযায়ী বলা যায়, উক্ত নির্বাচনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া জামায়াতে ইসলামের প্রার্থীকে এ আসনে নির্বাচন কমিশন বিজয়ী ঘোষণা করতে পারে। কিংবা আদালতের পূর্ণাঙ্গ রায় পাওয়ার পর নিবাচন কমিশন বিদ্যমান আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে পারে।

মঙ্গলবার সকালে রায়ের প্রতিক্রিয়ায় জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর আইনজীবী শিশির এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ঋণখেলাপির অভিযোগে আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিলের রায় মাইলফলক হয়ে থাকবে। এটা প্রমাণিত হয়েছে, ঋণখেলাপি হলে প্রার্থী হতে পারবেন না। ঋণখেলাপিরা বাংলাদেশ ব্যাংকিং সেক্টর ধ্বংস করেছে, তাই আপিল বিভাগের এই রায়, একটি যুগান্তকারী রায়।

চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল করেছে আপিল বিভাগ। ফলে তিনি শপথ নিতে পারবেন না। প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করে।

মামলার নথি অনুযায়ী, ঋণখেলাপির অভিযোগের মুখে নির্বাচন কমিশনে আপিল শুনানির শেষ দিনে গত ১৮ জানুয়ারি বিএনপি নেতা অধ্যাপক আসলাম চৌধুরীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। পরে ওই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হাইকোর্টে রিট আবেদন করলে তা খারিজ হয়ে যায়। এরপর আপিল বিভাগে আবেদন করে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করেন জামায়াতের প্রার্থী মো. আনোয়ার সিদ্দিকী।

গত ৩ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগ লিভ টু আপিল মঞ্জুর করেন। একই সঙ্গে আসলাম চৌধুরীকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ দিলেও আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ স্থগিত রাখার নির্দেশ দেন। এর মধ্যে গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে তিনি বেসরকারিভাবে বিজয়ী হলেও আদালতের নির্দেশনার কারণে নির্বাচন কমিশন এখনো চূড়ান্ত ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশ করেনি।

১৫ জুন সোমবার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চে মামলার চূড়ান্ত শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানিতে আদালত নিযুক্ত দুই অ্যামিকাস কিউরি, সিনিয়র আইনজীবী এম কামরুল হক সিদ্দিকী ও প্রবীর নিয়োগী আদালতকে সহায়তা করেন। সব পক্ষের শুনানি শেষে আপিল বিভাগ ৩০ জুন রায় ঘোষণার দিন নির্ধারণ করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিলে কী করতে পারে কমিশন : জানালেন শিশির মনির

আপডেট সময় : ১২:৫৭:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শিশির মনির বলেছেন, ঋণখেলাপি যে দলেরই হোক না কেন, ছাড় নেই।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সাধারণ কমনসেন্স অনুযায়ী বলা যায়, উক্ত নির্বাচনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া জামায়াতে ইসলামের প্রার্থীকে এ আসনে নির্বাচন কমিশন বিজয়ী ঘোষণা করতে পারে। কিংবা আদালতের পূর্ণাঙ্গ রায় পাওয়ার পর নিবাচন কমিশন বিদ্যমান আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে পারে।

মঙ্গলবার সকালে রায়ের প্রতিক্রিয়ায় জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর আইনজীবী শিশির এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ঋণখেলাপির অভিযোগে আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিলের রায় মাইলফলক হয়ে থাকবে। এটা প্রমাণিত হয়েছে, ঋণখেলাপি হলে প্রার্থী হতে পারবেন না। ঋণখেলাপিরা বাংলাদেশ ব্যাংকিং সেক্টর ধ্বংস করেছে, তাই আপিল বিভাগের এই রায়, একটি যুগান্তকারী রায়।

চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল করেছে আপিল বিভাগ। ফলে তিনি শপথ নিতে পারবেন না। প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করে।

মামলার নথি অনুযায়ী, ঋণখেলাপির অভিযোগের মুখে নির্বাচন কমিশনে আপিল শুনানির শেষ দিনে গত ১৮ জানুয়ারি বিএনপি নেতা অধ্যাপক আসলাম চৌধুরীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। পরে ওই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হাইকোর্টে রিট আবেদন করলে তা খারিজ হয়ে যায়। এরপর আপিল বিভাগে আবেদন করে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করেন জামায়াতের প্রার্থী মো. আনোয়ার সিদ্দিকী।

গত ৩ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগ লিভ টু আপিল মঞ্জুর করেন। একই সঙ্গে আসলাম চৌধুরীকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ দিলেও আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ স্থগিত রাখার নির্দেশ দেন। এর মধ্যে গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে তিনি বেসরকারিভাবে বিজয়ী হলেও আদালতের নির্দেশনার কারণে নির্বাচন কমিশন এখনো চূড়ান্ত ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশ করেনি।

১৫ জুন সোমবার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চে মামলার চূড়ান্ত শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানিতে আদালত নিযুক্ত দুই অ্যামিকাস কিউরি, সিনিয়র আইনজীবী এম কামরুল হক সিদ্দিকী ও প্রবীর নিয়োগী আদালতকে সহায়তা করেন। সব পক্ষের শুনানি শেষে আপিল বিভাগ ৩০ জুন রায় ঘোষণার দিন নির্ধারণ করে।